হোয়াটসঅ্যাপে হুমকি, নিরাপত্তা চেয়ে ব্যবসায়ীর জিডি

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
দিন-রাত বিভিন্ন অপরিচিত নম্বর থেকে ফোন। ফোন না ধরায় হোয়াটসঅ্যাপে একের পর এক বার্তা। এরপর ‘কথা না শুনলে’ ব্যবসায়িক গোডাউনে ক্ষতি এবং ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক সুনাম নষ্ট করার হুমকির অভিযোগ। এমন পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা চেয়ে কুষ্টিয়া সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন ব্যবসায়ী মোহা. রাইসুল হক।
গত ২ আগস্ট করা জিডিতে রাইসুল হক অভিযোগ করেন, বেশ কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন অপরিচিত নম্বর থেকে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে দিনে-রাতে বিভিন্ন সময়ে কল আসছিল। তিনি ফোন রিসিভ না করায় পরে একটি নম্বর থেকে তার হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠানো হয়।
জিডিতে বলা হয়, ওই নম্বর ব্যবহারকারী নিজেকে মতিউর রহমান পরিচয় দেন। তিনি নিজেকে কৃষক দলের নেতা সুমনের ভাই এবং শান্তর বন্ধু হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন বলে জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
রাইসুল হকের অভিযোগ, হোয়াটসঅ্যাপ বার্তায় তাকে বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করা হয়। তাকে বলা হয়, তিনি যতই প্রভাবশালী ব্যবসায়ী হন না কেন, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা না বললে তার ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক সুনাম ক্ষুণ্ন হতে পারে।
জিডিতে রাইসুল হক আরও দাবি করেন, ওই ব্যক্তির দাবিকৃত টাকা না পাওয়াকে কেন্দ্র করে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ‘ষড়যন্ত্রমূলকভাবে’ ক্ষতি, ব্যবসায়িক সুনাম নষ্ট কিংবা ব্যক্তিগতভাবে ক্ষতি করার চেষ্টা হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তিনি।
রাইসুল হক নিজেকে তামাকজাত কারখানাসহ বিভিন্ন ব্যবসার সঙ্গে জড়িত একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী দাবি করেন। ভবিষ্যতে কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরে রাখার জন্যই সাধারণ ডায়েরি করেছেন বলে জিডিতে উল্লেখ করেন রাইসুল হক।
গত ২ আগস্ট কুষ্টিয়া সদর থানায় জিডিটি করা হয়। তবে জিডিতে উত্থাপিত অভিযোগের সত্যতা এবং হুমকির সঙ্গে কারা জড়িত, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করতে আদালতের অনুমতি চেয়েছেন কুষ্টিয়া মডেল থানার এসআই মো. কামরুল হোসেন।
এ বিষয়ে মতিউর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি





