কাপ্তাইয়ে মিলেছে আশ্রয়ণের ঘর, কাটেনি দুর্ভোগ

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর পেয়ে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারগুলো পেয়েছে নতুন ঠিকানা। তবে ঘর পাওয়ার পরও কাপ্তাইয়ের আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের কাটেনি দুর্ভোগ। নিরাপদ পানির সংকট, চলাচলের অনুপযোগী রাস্তা, অপর্যাপ্ত ড্রেনেজ ও স্যানিটেশন ব্যবস্থার ঘাটতিতে বর্ষায় ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কাপ্তাইয়ের পাঁচ ইউনিয়নে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ১১০টি ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রাইখালীতে ৪০টি, চিৎমরমে ৩২, ওয়াগ্গায় ১৮, চন্দ্রঘোনায় ১৭ এবং কাপ্তাই ইউনিয়নে তিনটি ঘর রয়েছে। এসব ঘরে বসবাস করছেন সুবিধাভোগীরা।
এর বাইরে রাইখালী ইউনিয়নের দুর্গম মৈদংপাড়া, সীতাপাহাড়সহ বিভিন্ন এলাকায় ২২টি, চিৎমরমে ১৮টিসহ মোট ৪০টি মাচাং ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। স্থানীয় পরিবেশ বিবেচনায় বাঁশ-কাঠ দিয়ে নির্মিত এসব ঘরে রয়েছে দুটি কক্ষ, রান্নাঘর ও বারান্দা। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পানি, রাস্তা ও ড্রেনেজ সমস্যাই বাসিন্দাদের প্রধান ভোগান্তি। কোথাও পানি সংগ্রহ করতে দূরে যেতে হয়, কোথাও বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নেই। বর্ষায় চলাচলের রাস্তাগুলোও বাড়ায় দুর্ভোগ।
চন্দ্রঘোনার বাসিন্দা মোহাম্মদ ইলিয়াছ বললেন, ‘পানির সংকটের কারণে দূর থেকে পানি আনতে হয়। রাস্তা ও ড্রেনেজ সমস্যাও রয়েছে। একাধিকবার জানানো হলেও সমাধান হয়নি।’
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. ফরহাদ হোসেন বলেছেন, ‘১১০টি আশ্রয়ণ ঘরেই সুবিধাভোগীরা বসবাস করছেন। বিদ্যমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রায়হানুল ইসলাম বলেছেন, ‘চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় চাহিদার ভিত্তিতে এসব সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।’



