বিয়ের চার মাসেই থামল মুন্নির জীবন

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
বিয়ের চার মাসের মাথায় মারা গেলেন মুন্নি আক্তার (২০)। স্বামীকে বিদেশে পাঠানোর জন্য ১০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি এবং সেই টাকা দিতে না পারায় তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে স্বামী এবং শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। স্বজনদের দাবি, নির্যাতনের একপর্যায়ে বিষাক্ত ওষুধ পান করেন মুন্নি। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তার।
গত শনিবার বিকালে রাজৈর উপজেলার নরারকান্দী এলাকায় পারিবারিক কবরস্থানে মুন্নির মরদেহ দাফন করা হয়েছে। এদিকে ঘটনার পর অভিযুক্ত ব্যক্তিরা বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছেন বলে জানিয়েছে পরিবার। মুন্নির স্বজনদের অভিযোগ, বিয়ের কিছু দিন পর থেকেই শুরু হয় যৌতুকের জন্য চাপ দেওয়া। একপর্যায়ে সুমনকে বিদেশে পাঠানোর জন্য মুন্নির পরিবারের কাছে দাবি করা হয় ১০ লাখ টাকা। পরিবারের পক্ষ থেকে এত টাকা দেওয়া সম্ভব নয় জানালে মুন্নির ওপর শুরু হয় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। তাকে মারধর ও বিভিন্নভাবে হেনস্তা করা হতো বলেও অভিযোগ স্বজনদের।
রাজৈর থানার এসআই আলী বলেছেন, ‘ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে। তদন্তে কারও বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’







