ভাঙারি দোকানে সিলিন্ডার কাটতে গিয়ে অসুস্থ ৪০

ছবি: আগামীর সময়
ময়মনসিংহ নগরীর একটি ভাঙারির দোকানে গ্যাস সিলিন্ডার কাটার সময় লিকেজের ঘটনায় অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন অন্তত ৪০ জন।
আজ মঙ্গলবার সকালে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন তাদের মধ্যে অধিকাংশই। তবে একজনের অবস্থা সংকটাপন্ন বলে হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে। এ ঘটনায় কোনো অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেনি।
এর আগে গতকাল সোমবার সন্ধ্যার পর ঘটনাটি ঘটে নগরীর গোলপুকুরপাড় মোড় এলাকায়।
স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলে গিয়ে সিলিন্ডারগুলো সরিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা।
স্থানীয়রা জানান, ওই এলাকায় শাহ আলম নামের এক ব্যক্তির ভাঙারির দোকানে ঝুঁকিপূর্ণভাবে গ্যাস সিলিন্ডার কাটা হতো। সোমবারও সিলিন্ডার কাটার সময় গ্যাস লিকেজ হলে আশপাশের এলাকায় গ্যাসের গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়েন।
অভিযুক্ত শাহ আলম দাবি করেছেন, তিনি ঢাকা থেকে কয়েকটি সিলিন্ডার এনেছিলেন। পরে জানতে পারেন, সেগুলোয় গ্যাস রয়ে গেছে।
তার ভাষ্য, ‘সিলিন্ডারগুলো আবার ঢাকায় ফেরত পাঠানোর জন্য গাড়িতে তোলার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তার দোকানের ট্রেড লাইসেন্স রয়েছে। তবে গ্যাস সিলিন্ডার কাটার জন্য আলাদা কোনো লাইসেন্স প্রয়োজন হয়, সে বিষয়ে তাদের জানা ছিল না।’
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, গ্যাসের প্রভাবে অসুস্থ হওয়া প্রায় সবাই প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন। একজনকে হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. রোকনুজ্জামান রোকন বলেছেন, কীভাবে আবাসিক এলাকার মধ্যে এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছিল, তা খতিয়ে দেখা হবে। কোনো বেআইনি কার্যক্রমের প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ময়মনসিংহ কোতোয়ালি থানার ওসি শিবিরুল ইসলাম আগামীর সময়কে জানিয়েছেন, দোকানটির বৈধতা যাচাই করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।





