সরকারি গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগ যুবদল নেতার বিরুদ্ধে
- সহযোগী কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা

সরকারি দুটি গাছ কেটে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতির বিরুদ্ধে। ছবি: সংগৃহীত
মুন্সিগঞ্জ সদরের বজ্রযোগিনী ইউনিয়নে সরকারি রাস্তার পাশে থাকা বহু বছরের পুরোনো দুটি গাছ কেটে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মুস্তাক আহমেদ শিপু ওরফে শিপু মুন্সীর বিরুদ্ধে। এ কাজে তার সঙ্গে জড়িত ছিলেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মান্নান মীর লিটু। রবিবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে গাছ কাটার সত্যতা পেয়েছে উপজেলা বন বিভাগ।
স্থানীয়দের ভাষ্য, ইউনিয়নের গোহপাড়া এলাকায় প্রবাসী মোহাম্মদ সেলিম নিজের জমিতে মার্কেট নির্মাণের উদ্যোগ নেন। তবে জমির সামনের সরকারি রাস্তার পাশে থাকা বড় দুটি গাছের কারণে নির্মাণকাজে বাধা তৈরি হচ্ছিল। পরে শিপু মুন্সী সেলিমের সঙ্গে ২০ হাজার টাকায় চুক্তি করেন। টাকার বিনিময়ে ‘নিজ দায়িত্বে’ গাছ কেটে জায়গা খালি করে দেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।
পরে চুক্তি অনুযায়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মান্নান মীর লিটুকে সঙ্গে নিয়ে সরকারি গাছ দুটি কেটে বিক্রি করে দেওয়া হয় বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। গাছ কাটার পর বিষয়টি আড়াল করতে গাছের গোড়ায় বালু চাপা দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।
বিষয়টি জানাজানি হলে বন বিভাগের প্রতিনিধিরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় অভিযুক্ত শিপু মুন্সী বন বিভাগের প্রতিনিধিদের ‘অনুমতিপত্র আছে’ বলে জানালেও তা দেখাতে পারেননি।
এ বিষয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে আব্দুল মান্নান মীর লিটু বলেন, ‘আমি এর সঙ্গে জড়িত না। তবে আমি শিপু মুন্সীর সঙ্গে এখন চলাচল করি। তাই কেউ আমার নাম বলতে পারে।’ পরে প্রতিবেদককে ফোন করে সংবাদটি না করার অনুরোধ জানান তিনি।
অভিযোগের বিষয়ে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলেও শিপু মুন্সী কল ধরেননি।
সদর উপজেলা বন কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির বলেন, ‘গাছ কাটা হয়েছে। আমি অসুস্থ থাকায় একজন প্রতিনিধি পাঠিয়েছিলাম দেখে আসার জন্য। জড়িত যারাই হোক, এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’








