নারায়ণগঞ্জে ফিলিং স্টেশনে তীব্র গ্যাস সংকট, দীর্ঘ লাইনে শত শত গাড়ি

নারায়ণগঞ্জে ফিলিং স্টেশনে গ্যাসের জন্য দীর্ঘ লাইনে শত শত গাড়ি— সংগৃহীত
জাতীয় গ্যাস গ্রিডে চাপ কমায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ এলাকায় তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। এ রুটের ২০টি সিএনজি ফিলিং স্টেশনের মধ্যে ১৮টিতেই গ্যাস সরবরাহ বন্ধ। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সিএনজিচালিত যানবাহনের চালক, যাত্রী এবং স্টেশন মালিকরা।
আজ বৃহস্পতিবার সারাদিন মাত্র দুটি স্টেশন চালু থাকায় সেখানে শত শত গাড়ির দীর্ঘ সারি দেখা যায়। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও অনেক চালক গ্যাস সংগ্রহ করতে পারেননি।
স্থানীয় তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মহেশখালির এলএনজি সরবরাহে কারিগরি ত্রুটির কারণে জাতীয় গ্যাস গ্রিডে চাপ কমে গেছে। এর প্রভাব সারা দেশেই পড়েছে। দ্রুত সমস্যা সমাধানে কাজ চলছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
কয়েকজন সিএনজিচালক বলছিলেন, বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও অনেক সময় গ্যাস পাননি। কেউ কেউ সারাদিনই পাম্পে অপেক্ষা করেছেন। এতে রাইড শেয়ারিং সেবার সঙ্গে যুক্ত চালকরাও বিপাকে পড়েছেন।
ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা জানান, স্বাভাবিক গ্যাস সরবরাহ না থাকায় সাময়িকভাবে অধিকাংশ স্টেশনের কার্যক্রম বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছেন তারা। সিএনজি পাম্পের কর্মী সোহেল রানা বললেন, ‘পাম্পে সারাদিন কমপ্রেশর মেশিন চালিয়েও প্রেশার উঠানো যাচ্ছে না।’
রতনদী এলাকার চালু থাকা মধুমতি ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার শহিদুল ইসলামের ভাষ্য, ‘সরবরাহ কমে যাওয়ায় অধিকাংশ স্টেশন বন্ধ রাখতে হয়েছে। যেসব স্টেশনে গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে, সেখানেও চাপ খুবই কম থাকায় দ্রুত গাড়িতে গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না।’
তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির মেঘনাঘাট শাখার ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী সুরজিত কুমার সাহা জানালেন, সারা দেশে গ্যাস সংকট। আমাদের মহেশখালির একটি এলএনজি সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। তাই এই সংকট। আশা করছি দ্রুত এই সমস্যার সমাধান হবে।





