Agamir Somoy E-Paper
শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
বিনামূল্যে চিকিৎসার ছয় দশক
শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সারা দেশ

যন্ত্র আছে জনবল নেই

মমিনুর আজাদ, সৈয়দপুর (নীলফামারী)
agamir somoy
প্রকাশ: ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৫:১০
যন্ত্র আছে জনবল নেই

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

বাংলাদেশ রেলওয়ের দ্বিতীয় বৃহত্তম সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় রয়েছে মালবাহী ওয়াগন ও যাত্রীবাহী কোচ মেরামত এবং পুনর্নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় অধিকাংশ যন্ত্রাংশ উৎপাদনের সক্ষমতা। কিন্তু দীর্ঘদিনের জনবল সংকট, আধুনিক যন্ত্রপাতির অভাব এবং সময়মতো কাঁচামাল না পাওয়ায় কাজে লাগানো যাচ্ছে না সেই সক্ষমতার পুরোটা। ফলে প্রতি বছর দেশি-বিদেশি বাজার থেকে টেন্ডারের মাধ্যমে কিনতে হচ্ছে বিপুল পরিমাণ খুচরা ও ভারী যন্ত্রাংশ। এতে সরকারের ব্যয় বাড়ার পাশাপাশি প্রশ্ন থাকছে যন্ত্রাংশের গুণগত মান নিয়েও।

সম্প্রতি কারখানার বিভিন্ন উৎপাদন শপ ঘুরে দেখা যায়, গুরুত্বপূর্ণ মিলরাইট শপের ২৯টি হালকা ও ভারী মেশিনের বেশিরভাগই অচল দীর্ঘদিন ধরে। ধুলোবালি জমে আছে মেশিনে, কোথাও কোথাও মাকড়সার জাল। একই চিত্র প্রোডাকশন শপ ও টুলরুম শপেও। এ দুটি শপে ১৪২টি মেশিনের মধ্যে সচল রয়েছে মাত্র ৩৮টি। বাকি মেশিনগুলো দীর্ঘদিন ধরে পড়ে আছে অকেজো অবস্থায়।

কারখানা সূত্রে জানা গেছে, সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় রয়েছে ৭৭৯টি মেশিন। এর মধ্যে ৫৮২টি সচল এবং ১৯৭টি অচল। তবে সচল মেশিনেরও নিয়মিত ব্যবহার করা যাচ্ছে না দক্ষ কারিগরের অভাবে। ফলে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে কমে যাচ্ছে সেগুলোর কার্যকারিতাও।

কারখানার বিভিন্ন শপের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বর্তমানে সচল ৫৮২টি মেশিন পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় জনবলের তুলনায় দক্ষ কারিগর রয়েছেন মাত্র ১৪০ জন। জনবল সংকটের কারণে উৎপাদন সক্ষমতার বড় অংশই থেকে যাচ্ছে অব্যবহৃত। তাদের মতে, অনুমোদিত পদে দক্ষ জনবল নিয়োগ দেওয়া হলে বাইরের বাজার থেকে যন্ত্রাংশ কেনার প্রয়োজন কমে আসবে অনেকটাই।

এদিকে, কারখানার মেশিনগুলোর বয়সও উৎপাদনের ক্ষেত্রে হয়ে দাঁড়িয়েছে বড় চ্যালেঞ্জ। তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ব্যবহৃত ৭৭৯টি মেশিনের মধ্যে ৪৮২টির বয়স ৫০ বছরের বেশি। ২০ থেকে ২৫ বছর বয়সী রয়েছে ২০৭টি এবং ১ থেকে ২০ বছর বয়সী মাত্র ৮২টি মেশিন। এসব পুরনো যন্ত্রপাতি ও সীমিত জনবল নিয়েই প্রতি মাসে গড়ে প্রায় ৮০টি মালবাহী ওয়াগন ও যাত্রীবাহী কোচ সংস্কার করা হয়।

সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার উৎপাদন প্রকৌশলী মো. জাহিদ হাসান বলেছেন, ‘২০১৬ সালের পর চীন, ভারত ও ইন্দোনেশিয়া থেকে আমদানি করা কোচগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় অনেক যন্ত্রাংশ আধুনিক সিএনসি (কম্পিউটার নিউমেরিক্যাল কন্ট্রোল) মেশিন ছাড়া তৈরি করা সম্ভব নয়। কিন্তু কারখানায় এ ধরনের প্রযুক্তি না থাকায় এসব যন্ত্রাংশ বাইরে থেকে কিনতে হচ্ছে। একই সঙ্গে দক্ষ মেশিন অপারেটরের সংকটও উৎপাদনে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

এই প্রকৌশলী জানিয়েছেন, বর্তমানে কারখানায় প্রায় ৬৪৩ ধরনের খুচরা যন্ত্রাংশ উৎপাদন করা হলেও, প্রতি বছর স্থানীয় বাজার থেকে কিনতে হয় প্রায় ২ কোটি টাকা ব্যয়ে ২৫০ ধরনের যন্ত্রাংশ। প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি ও জনবল নিশ্চিত করা গেলে এই ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।

সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক শাহ সুফি নূর মোহাম্মদের ভাষ্য, ‘দীর্ঘদিন ধরে জনবল সংকট, আধুনিক যন্ত্রপাতির অভাব এবং সময়মতো কাঁচামাল না পাওয়ার কারণে কারখানার পূর্ণ উৎপাদন সক্ষমতা কাজে লাগানো যাচ্ছে না। তাই প্রয়োজন মেটাতে টেন্ডারের মাধ্যমে বিভিন্ন যন্ত্রাংশ কিনতে হচ্ছে।’

এই কর্মকর্তার মতে, আধুনিক সিএনসি মেশিন সংযোজন, দক্ষ কারিগর নিয়োগ এবং কাঁচামালের নিয়মিত সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে কারখানাটি আবারও নিজস্ব উৎপাদনের ওপর নির্ভরশীল হতে পারবে। এতে সরকারের ব্যয় কমবে, বিদেশি যন্ত্রাংশের ওপর নির্ভরতা হ্রাস পাবে এবং দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই রেলওয়ে কারখানার উৎপাদন সক্ষমতাও বহু গুণে বাড়বে।

রেলওয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী এই কারখানাকে কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে হলে শুধু পুরনো মেশিন সচল করাই যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে প্রযুক্তির আধুনিকায়ন, দক্ষ জনবল নিয়োগ এবং উৎপাদন ব্যবস্থাপনায় ধারাবাহিক বিনিয়োগ। তা না হলে যন্ত্রাংশ উৎপাদনের সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও বাইরের বাজারের ওপর নির্ভরতা আরও বাড়বে, যা রেলওয়ের ব্যয়বৃদ্ধির পাশাপাশি দেশীয় উৎপাদন সক্ষমতারও অপচয় ঘটাবে।

সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানাবাংলাদেশ রেলওয়েমালবাহী ওয়াগন
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    বিডিনিউজ সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী আর নেই

    বিডিনিউজ সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী আর নেই

    ৯ গোল খেয়ে দুই ফুটবলারের ‘নারীসঙ্গ’ নিয়ে যা জানা গেল

    ৯ গোল খেয়ে দুই ফুটবলারের ‘নারীসঙ্গ’ নিয়ে যা জানা গেল

    অভিযোগ নেই, তবু সাংবাদিকের ডোপ টেস্ট করল পুলিশ

    অভিযোগ নেই, তবু সাংবাদিকের ডোপ টেস্ট করল পুলিশ

    ‘মাঠে উপস্থিত থাকতে  হবে ঊর্ধ্বতনদের’

    ‘মাঠে উপস্থিত থাকতে হবে ঊর্ধ্বতনদের’

    দুই ফুটবলারের নারীসঙ্গের ছবিটি জাকার্তায়!

    দুই ফুটবলারের নারীসঙ্গের ছবিটি জাকার্তায়!

    গ্রেপ্তারের আগে ভিডিও বার্তা আখতারুজ্জামানের, যা বলেছেন

    গ্রেপ্তারের আগে ভিডিও বার্তা আখতারুজ্জামানের, যা বলেছেন

    অ্যাকশনে বিএনপি, দেখছে না পদ-পদবিও

    অ্যাকশনে বিএনপি, দেখছে না পদ-পদবিও

    থানার সামনে ওসির গাড়িচালককে মারধর, যুবদল নেতা আটক

    থানার সামনে ওসির গাড়িচালককে মারধর, যুবদল নেতা আটক

    বিমানবন্দরে নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে ‘লাঞ্ছনা’, আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা

    বিমানবন্দরে নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে ‘লাঞ্ছনা’, আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা

    জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার

    জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার

    শুল্কমুক্ত মদ মজুদ : সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের ৪ গুদাম সিলগালা

    শুল্কমুক্ত মদ মজুদ : সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের ৪ গুদাম সিলগালা

    এমপির হস্তক্ষেপে অবরুদ্ধ থেকে মুক্ত প্রতিবন্ধী নারীসহ ৩ বোন

    এমপির হস্তক্ষেপে অবরুদ্ধ থেকে মুক্ত প্রতিবন্ধী নারীসহ ৩ বোন

    প্রিয় ৫ বই

    প্রিয় ৫ বই

    ময়মনসিংহে বাসচাপায় প্রাণ গেল ৭ জনের

    ময়মনসিংহে বাসচাপায় প্রাণ গেল ৭ জনের

    এনসিটির পর সিসিটিও যাচ্ছে বিদেশিদের হাতে

    এনসিটির পর সিসিটিও যাচ্ছে বিদেশিদের হাতে