দেশীয় মিল নাকি আমদানি, চুক্তি না এমওইউ
- পাঠ্যবই ছাপানোর কাগজ নিয়ে অচলাবস্থা
- এনসিটিবি, পেপার মিল ও প্রিন্টার্স মুখোমুখি
- সময়মতো বই নাকি দেশীয় শিল্প রক্ষা— দুই সংকটে সরকার

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
আগামী শিক্ষাবর্ষে ৩০ কোটির বেশি বিনামূল্যের পাঠ্যবই ছাপাতে প্রয়োজন হবে প্রায় ৮০ হাজার টন কাগজ। কিন্তু সে কাগজ আসবে কোথা থেকে— দেশীয় মিল নাকি বিদেশ থেকে আমদানি— এ প্রশ্ন ঘিরে সৃষ্টি হয়েছে জটিল এক টানাপড়েন। দেশীয় শিল্প রক্ষার যুক্তি, সময়মতো বই পৌঁছে দেওয়ার চাপ, আইনি বাধ্যবাধকতা এবং অতীতের কমিশন-বাণিজ্যের তিক্ত অভিজ্ঞতা মিলিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, এনসিটিবি, পেপার মিলমালিক ও মুদ্রণ ব্যবসায়ীদের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে অচলাবস্থা। শেষ পর্যন্ত বাধ্যতামূলক চুক্তির বদলে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) করার পথে হাঁটছে সরকার। তবে সে সমাধান এখনো সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হয়ে ওঠেনি।
একদিকে দেশীয় পেপার মিলমালিকরা শিল্প রক্ষার স্বার্থে কাগজ আমদানির পথ কার্যত বন্ধ করতে চান। অন্যদিকে মুদ্রণ ব্যবসায়ীরা বলছেন, দেশীয় মিলের ওপর পুরোপুরি নির্ভর করলে কৃত্রিম সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির ঝুঁকি থেকে যাবে। এসবের মাঝখানে পড়ে আইনি জটিলতা এড়িয়ে সময়মতো বই ছাপানোর পথ খুঁজছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)।
সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানিয়েছে, এ সংকট নিরসনে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, এনসিটিবি, বাংলাদেশ পেপার মিলস অ্যাসোসিয়েশন ও বাংলাদেশ প্রিন্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের মধ্যে কয়েক দফা বৈঠক হলেও এখনো চূড়ান্ত ঐকমত্য হয়নি। সর্বশেষ গত শনিবার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাধ্যতামূলক চুক্তির পরিবর্তে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) করার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়। তবে তাতেও নতুন করে মতবিরোধ দেখা দিয়েছে।
এনসিটিবির দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, বৈঠকে সংস্থাটির প্যানেল আইনজীবীরা মত দেন, পেপার মিল ও প্রিন্টার্সদের মধ্যে এনসিটিবিকে সম্পৃক্ত করে বাধ্যতামূলক চুক্তি করলে তা পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালার (পিপিআর) সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে। কারণ বিদ্যমান আইনে এনসিটিবির সরাসরি চুক্তি হয় শুধু মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে; পেপার মিলকে একই চুক্তির আওতায় আনার স্পষ্ট আইনি ভিত্তি নেই। সেই মতামতের পরই চুক্তির বদলে এমওইউ করার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়।
তবে এখানেও নতুন জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। পেপার মিলমালিকরা চান, এমওইউতে এনসিটিবি প্রত্যক্ষ সাক্ষী হিসেবে স্বাক্ষর করুক। কিন্তু ভবিষ্যতে কোনো আইনি জটিলতায় জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় এনসিটিবি তাতে রাজি নয়। তাদের মত, প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় তৃতীয় পক্ষ হিসেবে থাকবে, বোর্ড নয়।
এনসিটিবির কর্মকর্তারা বলছেন, এমন সতর্কতার পেছনে রয়েছে গত বছরের তিক্ত অভিজ্ঞতা। ২০২৪ সালে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিনামূল্যের বই ছাপার টেন্ডার বাতিল করে নতুন দরপত্র আহ্বান করা হলে পুরো মুদ্রণ কার্যক্রম দীর্ঘ সময় আটকে যায়। ফলে বছরের শুরুতে অনেক শিক্ষার্থী সময়মতো বই পায়নি। একই সময়ে বাজারে কাগজের তীব্র সংকট তৈরি হয় এবং টনপ্রতি কাগজের দাম ১ লাখ ৫ হাজার থেকে বেড়ে প্রায় ১ লাখ ৪৫ হাজার টাকায় পৌঁছে যায়।
সে সময় সরকার দ্রুত বই ছাপানোর স্বার্থে কাগজ ও আর্ট কার্ড আমদানিতে ২৮ শতাংশ শুল্ক অব্যাহতি দিয়ে ১০ হাজার টন কাগজ আমদানির অনুমতি দেয়। কিন্তু অভিযোগ ওঠে, ইউনিয়ন অ্যাসোসিয়েটস নামে একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে চীন থেকে আনা ওই কাগজ শুল্ক ছাড়ের সুবিধা পাওয়ার পরও টনপ্রতি ২৫-৩০ হাজার টাকা বেশি দামে বিভিন্ন প্রিন্টার্সের কাছে বিক্রি করা হয়। এতে প্রায় ২৯ কোটি টাকার কমিশন-বাণিজ্যের অভিযোগ ওঠে।
এ কারণেই এবার কোনো তৃতীয় পক্ষকে নিয়ে বাধ্যতামূলক চুক্তিতে যেতে চায় না এনসিটিবি। কর্মকর্তাদের ভাষ্য, নতুন করে আইনি ঝুঁকি সৃষ্টি হলে তার দায় শেষ পর্যন্ত বোর্ডের ওপরই বর্তাবে। তাই তারা সমঝোতাভিত্তিক এমওইউর দিকেই এগোতে চাইছেন।
এদিকে দেশীয় কাগজশিল্পকে টিকিয়ে রাখা এবং একই সঙ্গে সময়মতো বই সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার আপসের একটি প্রস্তাব দিয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রয়োজনীয় ৮০ হাজার টন কাগজের মধ্যে ৬০ হাজার টন দেশীয় মিল থেকে এবং বাকি ২০ হাজার টন বিদেশ থেকে আমদানি করা হবে।
গত ১৩ জুলাই শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে পেপার মিলমালিকরা দাবি করেন, সরকার একদিকে ভার্জিন পাল্প আমদানিতে শুল্ক ছাড় দিচ্ছে, আবার অন্যদিকে বিদেশ থেকে কাগজ আমদানির সুযোগ রাখছে। এতে দেশীয় শিল্প ধীরে ধীরে ধ্বংস হয়ে যাবে। তাই তারা বিদেশি কাগজ আমদানি পুরোপুরি বন্ধের দাবি জানিয়েছেন।
অন্যদিকে প্রিন্টার্সদের বক্তব্য সম্পূর্ণ ভিন্ন। তাদের অভিযোগ, প্রতি বছর নভেম্বর-ডিসেম্বরে বই ছাপার মৌসুম শুরু হলেই অনেক দেশীয় মিল কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে কাগজের দাম বাড়িয়ে দেয়। তাই বিকল্প হিসেবে বিদেশ থেকে আমদানির সুযোগ রাখা জরুরি। তারা আরও জানিয়েছেন, বড় কয়েকটি প্রেস এর মধ্যে কাগজ আমদানির জন্য এলসি খুলেছে। একই দামে সবার কাছে কাগজ বিক্রির প্রস্তাবও বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য আর্থিকভাবে ক্ষতিকর হবে বলে তারা মনে করেন।
বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, সরকারের লক্ষ্য একদিকে সময়মতো শিক্ষার্থীদের হাতে বই পৌঁছে দেওয়া, অন্যদিকে দেশীয় শিল্পকেও রক্ষা করা। এজন্য ২০ হাজার টন কাগজ আমদানি এবং ৬০ হাজার টন দেশীয় মিল থেকে সংগ্রহের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, পেপার মিল, প্রিন্টার্স ও এনসিটিবির মধ্যে একটি সমঝোতা হবে, যেখানে কে কখন কত কাগজ সরবরাহ করবে, তা উল্লেখ থাকবে। বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় কাগজের দাম নির্ধারণে একটি পৃথক কমিটিও কাজ করবে। কেউ সমঝোতা ভঙ্গ করলে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
তবে শিক্ষামন্ত্রীর বৈঠকের পর আরও তিন দফা আলোচনা হলেও ত্রিপক্ষীয় সমঝোতার কাঠামো নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। আইনি বৈধতা ও দায়বদ্ধতার প্রশ্নেই বারবার আটকে যাচ্ছে আলোচনা।
এনসিটিবির আইন কর্মকর্তারা বলছেন, চুক্তি ও এমওইউর মধ্যে মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। চুক্তি আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক; এতে শর্তভঙ্গের দায়, জরিমানা ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ থাকে। কিন্তু এমওইউ মূলত পারস্পরিক সমঝোতার লিখিত রেকর্ড, যার আইনগত বাধ্যবাধকতা নেই। এখন প্রশ্ন উঠেছে, পেপার মিল ও প্রিন্টার্সরা চুক্তি করার পর কোনো কারণে যদি পেপার মিল চুক্তি রক্ষা করতে না পারে, তাহলে এনসিটিবি কাকে শাস্তি দেবে। এনসিটিবি শুধু প্রিন্টার্সদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারবে, নাকি কাগজ সরবরাহকারী মিলগুলোকেও জবাবদিহির আওতায় আনা যাবে— এ প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর এখনো নেই।
এদিকে চলতি বছরের বই মুদ্রণের চুক্তিতে প্রিন্টার্সদের জন্য কঠোর শর্ত রাখা হয়েছে। সেখানে উল্লেখ আছে, বই ছাপায় গাফিলতি করা হলে তা রাষ্ট্রদ্রোহমূলক কর্মকাণ্ড হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক বললেন, ‘চুক্তি হোক বা এমওইউ— আমরা চাই সবাই একটি কমিটমেন্টের মধ্যে থাকুক।’
এনসিটিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা বলেছেন, সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এমওইউ করার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে।
এদিকে প্রিন্টার্সরা দাবি করছেন, চীনের কাগজের দাম টনপ্রতি ৭-১০ হাজার টাকা বেশি হলেও সেটির ব্যবহার অধিক কার্যকর। তাদের মতে, চীনা কাগজের রোলের ওজন সাধারণত ৫৪০-৫৫০ কেজি হওয়ায় মেশিন দীর্ঘ সময় একটানা চালানো যায় এবং কাগজের অপচয় প্রায় ১০ শতাংশ পর্যন্ত কমে। পাশাপাশি ৭০ জিএসএম কাগজে মানের তারতম্য মাত্র ১ থেকে ২ শতাংশ, যা আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য। বিপরীতে দেশীয় কাগজে এই তারতম্য ৮ থেকে ১০ শতাংশ পর্যন্ত হওয়ায় প্রিন্টিং ও বাইন্ডিংয়ে নানা সমস্যা সৃষ্টি হয়।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বর্তমানে দেশে ১১৯টি নিবন্ধিত পেপার মিল থাকলেও এনসিটিবির নির্ধারিত মানের কাগজ উৎপাদনে সক্ষম মিলের সংখ্যা খুবই সীমিত। ফলে নভেম্বর-ডিসেম্বরে একসঙ্গে পাঠ্যবই, খাতা ও গাইডবইয়ের চাহিদা তৈরি হলে দেশীয় মিলগুলোর একার পক্ষে পুরো চাহিদা মেটানো কঠিন হয়ে পড়ে। এর সঙ্গে যুক্ত হয় ভার্জিন পাল্প আমদানিনির্ভরতা, ডলার সংকট, এলসি জটিলতা ও মৌসুমি চাহিদা বৃদ্ধি। ফলে প্রায় প্রতি বছরই বই মুদ্রণ মৌসুমে কাগজের সংকট ও মূল্যবৃদ্ধি দেখা দেয়।
দেশীয় মিলই বইয়ের কাগজ দিতে সক্ষম
দেশীয় কাগজশিল্প মালিকদের দাবি, বই ছাপানোর জন্য যে কাগজ প্রয়োজন তা দেশেই উৎপাদন সম্ভব, তাই এই মুহূর্তে বিদেশ থেকে কাগজ আমদানির কোনো যৌক্তিকতা নেই। তাই জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ পেপার মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিএমএ)। সংগঠনটি সচিব এ কে এম নওশেরুল আলম সম্প্রতি এনবিআর চেয়ারম্যানকে চিঠি দিয়ে দেশীয় শিল্প রক্ষা, কর্মসংস্থান বজায় রাখা এবং সরকারের রাজস্ব আহরণ নিশ্চিত করতে আমদানি করা কাগজের ন্যূনতম কর নির্ধারণযোগ্য মূল্য প্রতি মেট্রিক টন ৯৪৫ মার্কিন ডলার নির্ধারণের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে এনসিটিবি নির্ধারিত স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী ২৯.৫ ইঞ্চি রোল, ২০ অথবা ৩০ শিট এবং ৭০ বা ৮০ জিএসএম অফ-হোয়াইট ন্যাচারাল শেড প্রিন্টিং পেপার আমদানি নিষিদ্ধ করার দাবি সংগঠনটির।
মেঘনা পাল্প অ্যান্ড পেপার মিলসের সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার (মার্কেটিং) মোহাম্মদ ইয়ারুল ইসলাম বিদ্যুৎ জানালেন, বই ছাপাতে যে পরিমাণ কাগজ প্রয়োজন, তা উৎপাদনে দেশের পেপার মিলগুলো পুরোপুরি সক্ষম। শিক্ষামন্ত্রী ও শিক্ষা সচিবের সঙ্গে বৈঠকে বিষয়টি তারা স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন।
ইয়ারুল ইসলামের দাবি, দেশে নিবন্ধিত প্রায় ৩০টি রাইটিং ও প্রিন্টিং পেপার মিলের বার্ষিক উৎপাদন সক্ষমতা ১৬ লাখ টন, যেখানে চাহিদা মাত্র ৯ লাখ টন। অতিরিক্ত সক্ষমতা থাকার পরও অনেক মিল এনসিটিবির জন্য বিপুল পাল্প আমদানি ও বিনিয়োগ করেছে। এখন বিদেশ থেকে কাগজ আমদানি করা হলে এসব মিল পড়বে মারাত্মক আর্থিক ঝুঁকিতে।
বিপিএমএর দাবি, সস্তায় আমদানির কারণে এরই মধ্যে দেশের ৮০টি কাগজ মিল বন্ধ হয়ে গেছে এবং আরো ২৬টি মিল বন্ধ হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। ফলে প্রায় ১০ লাখ শ্রমিক-কর্মচারীর কর্মসংস্থান অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। পাশাপাশি সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে এবং নতুন বিনিয়োগও নিরুৎসাহিত হচ্ছে। কাগজশিল্প শুধু একটি উৎপাদনশিল্প নয়—এটি শিক্ষা, প্রকাশনা, ওষুধ, খাদ্য, প্যাকেজিং এবং তৈরি পোশাকসহ বহু শিল্পের অন্যতম ভিত্তি। ফলে শিল্পটি দুর্বল হয়ে পড়লে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে আমদানিনির্ভরতা বাড়ার ঝুঁকিও তৈরি হবে। তাই আন্ডার-ইনভয়েসিং বন্ধ, ন্যায্য শুল্কায়ন, সুষ্ঠু প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা প্রদান করা গেলে দেশীয় কাগজশিল্প শুধু দেশের চাহিদা পূরণই নয়, ভবিষ্যতে রপ্তানিমুখী শিল্প হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।




