Agamir Somoy E-Paper
রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
অবহেলিত প্রবীণদের ঠিকানা সাজুর বৃদ্ধাশ্রম
রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সারা দেশ

শাপলার ডাঁটায় চার পরিবারের জীবিকা

কাপাসিয়া (গাজীপুর) প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ২৭ জুন ২০২৬, ১৪:২০
শাপলার ডাঁটায় চার পরিবারের জীবিকা

শাপলার ডাঁটা তোলার মধ্যে দিয়ে দিনের শুরু তাদের

ভোর রাত ৪টা। চারদিকে অন্ধকার, নিস্তব্ধ বিল, শুধু দূরের পাখির ডাক। সূর্য ওঠেনি তখনো। সেই সময়েই গাজীপুরের কালীগঞ্জের বেলাই বিলে নেমে পড়েন চারজন মানুষ। হাতে কাঁচি, কুষা, কোমরসমান পানিতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা শাপলার ডাঁটা তোলার মধ্য দিয়ে দিনের শুরু তাদের।

তাদের তোলা সেই ডাঁটাই পৌঁছে যায় ঢাকার বাজারে। আর সেই আয়েই চলে তাদের চারটি পরিবারের সংসার। প্রকৃতির সঙ্গে প্রতিদিনের এ লড়াই-ই তাদের জীবিকার একমাত্র ভরসা।

তারা হলেন— উপজেলার মোয়ানি গ্রামের বাসিন্দা মুক্তাজুল ইসলাম (৩০), আরিফ রাজ (২৪), ফারুখ মিয়া (৪৬) ও মিলন মিয়া (৪০)। প্রতিদিন নয়, একদিন পরপর ভোর বেলায় বিলে নামেন তারা। সকাল থেকে প্রায় দুপুর পর্যন্ত চলে এই কাজ।

সরেজমিনে দেখা যায়, ছোট নৌকা নিয়ে বিলের গভীরে গিয়ে শাপলার নিচে ডুবে থাকা ডাঁটা বিশেষ কৌশলে সংগ্রহ করছেন তারা। কখনো কোমরসমান, কখনো বুকসমান পানিতে দীর্ঘ সময় কাজ করতে হয়। পরে ডাঁটা পরিষ্কার করে বস্তাবন্দি করে পাঠানো হয় ঢাকার রায়েরবাজারে।

মুক্তাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, বৃদ্ধ মা ও তিন সন্তান নিয়ে তার সংসার। শাপলার মৌসুমে যে আয় হয়, তা দিয়েই বছরের বড় একটি সময় পরিবারের খরচ মেটাতে হয়। শাপলার ডাঁটার বাজার ভালো থাকলে একবার বিক্রি করে প্রায় ২৪ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় হয়। পরিবহন খরচ বাবদ প্রায় ৪ হাজার টাকা এবং বিক্রির স্থান ভাড়া হিসেবে আরও ১ হাজার টাকা ব্যয় হয়। বাকি অর্থ সমানভাবে ভাগ করে নেন চারজন।

আরিফ রাজ বলেছেন, শাপলার ডাঁটা সংগ্রহকে সহজ কাজ মনে করেন অনেকেই; কিন্তু ঘণ্টার পর ঘণ্টা পানিতে দাঁড়িয়ে কাজ করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য। বর্ষায় পানির স্রোত ও গভীরতা বাড়ে, আর শীতকালে ঠান্ডা পানিতে দীর্ঘ সময় কাজ করাও কঠিন হয়ে পড়ে।

আরও পড়ুন

পাশাপাশি চার কবরে মা-তিন বোন, বাগ্‌রুদ্ধ সিফাত

২৭ জুন ২০২৬

ফারুখ মিয়া বলেছেন, ‘আমাদের কোনো নির্দিষ্ট মাসিক আয় নেই। শাপলার মৌসুমে যতটুকু আয় হয়, তা দিয়েই সংসার চালানোর চেষ্টা করি। কাজটা কষ্টের হলেও অভাবের কারণে ছাড়তে পারি না।

মিলন মিয়া জানিয়েছেন, দুপুর পর্যন্ত বিলে কাজ করার পরও দায়িত্ব শেষ হয় না। এরপর শাপলার ডাঁটা বাছাই, পরিষ্কার এবং বাজারে পাঠানোর কাজ করতে হয়। দিন শেষে শরীর আর সাড়া দেয় না।

স্থানীয়দের মতে, বেলাই বিল শুধু প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্যই নয়, বহু নিম্নআয়ের মানুষের জীবিকারও অন্যতম উৎস। বর্ষা মৌসুমে এখানকার শাপলার ডাঁটার চাহিদা রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে থাকে।

স্থানীয় প্রবীণরা বলেছেন, একসময় বেলাই বিলের আশপাশের শত শত পরিবার মাছ ধরা, শাপলা সংগ্রহ ও অন্যান্য জলজ সম্পদের ওপর নির্ভরশীল ছিল। সময়ের সঙ্গে সেই সংখ্যা কমলেও এখনো অনেক পরিবারের জীবিকা এই বিলকে ঘিরেই।

প্রতিদিন ভোরের অন্ধকারে শুরু হওয়া এই শ্রম শুধু একটি সবজি বাজারে পৌঁছে দেয় না, বরং চারটি পরিবারের বেঁচে থাকার গল্পও বহন করে। বেলাই বিল তাই শুধু প্রকৃতির সৌন্দর্যের নয়, সংগ্রাম আর জীবিকারও এক অনন্য ঠিকানা।

শাপলার ডাঁটাগাজীপুরকালীগঞ্জশ্রমিক
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    ভালোবাসার টানে সরিষাবাড়ীতে ফিনল্যান্ডের যুবক

    ভালোবাসার টানে সরিষাবাড়ীতে ফিনল্যান্ডের যুবক

    গণি রোড থেকে সরছে সচিবালয়, বসবে আদালত

    গণি রোড থেকে সরছে সচিবালয়, বসবে আদালত

    উঠানে খেলছিল দুই শিশু, নিখোঁজের পর লাশ পাওয়া গেল পুকুরে

    উঠানে খেলছিল দুই শিশু, নিখোঁজের পর লাশ পাওয়া গেল পুকুরে

    চাঁদা নিয়ে দ্বন্দ্বে বহিষ্কৃত ৫ ছাত্রদল নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার

    চাঁদা নিয়ে দ্বন্দ্বে বহিষ্কৃত ৫ ছাত্রদল নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার

    কক্সবাজার থেকে উড্ডয়নের পর চাকায় ত্রুটি, ঢাকায় বিমানের জরুরি অবতরণ

    কক্সবাজার থেকে উড্ডয়নের পর চাকায় ত্রুটি, ঢাকায় বিমানের জরুরি অবতরণ

    অটোরিকশাচালক সুমন ধর্ষণের পর হত্যা করে তাজমিনকে, সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ

    অটোরিকশাচালক সুমন ধর্ষণের পর হত্যা করে তাজমিনকে, সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ

    ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রোটন মারা গেছেন

    ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রোটন মারা গেছেন

    রবীন্দ্রনাথের ছবিতে কালিমা লেপন করলে কী ঘটে?

    রবীন্দ্রনাথের ছবিতে কালিমা লেপন করলে কী ঘটে?

    দিল্লিতে বাড়ির সামনে থেকে আটক মমতা

    দিল্লিতে বাড়ির সামনে থেকে আটক মমতা

    শেয়ার কারসাজিতে ইউনাইটেড গ্রুপের দুই শীর্ষ ব্যক্তি, তদন্তে বিএসইসি

    শেয়ার কারসাজিতে ইউনাইটেড গ্রুপের দুই শীর্ষ ব্যক্তি, তদন্তে বিএসইসি

    রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় ২ বাংলাদেশিসহ নিহত ১২

    রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় ২ বাংলাদেশিসহ নিহত ১২

    জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে সংগীত পরিচালক ইবরার টিপু

    জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে সংগীত পরিচালক ইবরার টিপু

    আপনাদের ভয় নাই, আপনারা প্রকাশ্যে নির্বাচন করবেন: আ. লীগ নেতাকর্মীদের বিএনপি নেতা

    আপনাদের ভয় নাই, আপনারা প্রকাশ্যে নির্বাচন করবেন: আ. লীগ নেতাকর্মীদের বিএনপি নেতা

    ফুসফুসের সুরক্ষায় ব্যক্তিগত সচেতনতার পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ জরুরি : ড্যাব মহাসচিব

    ফুসফুসের সুরক্ষায় ব্যক্তিগত সচেতনতার পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ জরুরি : ড্যাব মহাসচিব

    ব্যাগ হারানো জার্মান পর্যটককে ল্যাপটপ উপহার

    ব্যাগ হারানো জার্মান পর্যটককে ল্যাপটপ উপহার