ছয় ঘন্টা পর চট্টগ্রাম বন্দর থেকে কন্টেইনার পরিবহন শুরু

সংগৃহীত ছবি
ছয় ঘন্টা পর রাত নয়টায় চট্টগ্রাম বন্দর থেকে পণ্যভর্তি কন্টেইনার পরিবহন শুরু হয়েছে। আন্দোলনরত পরিবহন শ্রমিকদের সাথে চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যানের বৈঠকে সমঝোতার পর পণ্য পরিবহন সচল হয়। এতে স্বস্তি ফিরেছে আমদানি-রপ্তানিকারকদের।
পণ্যবাহী ট্রেইলরের এক কর্মীকে মারধরের জেরে সোমবার বিকাল ৩টা থেকে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সব পণ্যভর্তি কন্টেইনার ডেলিভারি বন্ধ রেখেছিল পরিবহন শ্রমিকরা। এসময় পণ্যবাহী কাভার্ডভ্যান চলাচলও বন্ধ ছিল। এতে বন্দর থেকে পণ্য ডেলিভারি একইসাথে রপ্তানি পণ্য জাহাজীকরণে অচলাবস্থা তৈরি হয়।
এরপর পরিবহন শ্রমিকদের সাথে প্রথমে বন্দর নিরাপত্তা বিভাগ কর্মকর্তারা বৈঠকে বসেন। সেই বৈঠক ব্যর্থ হয়। এরপর বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামানের সাথে বৈঠকে বসেন শ্রমিকরা। সেখানে দু’পক্ষের সমঝোতা হলে সচল হয় ডেলিভারি কার্যক্রম।
চট্টগ্রাম বন্দরের নিরাপত্তা বিভাগের পরিচালক উপপরিচালককে অসংখ্যবার ফোন দিলে সাড়া না দেওয়ায় মন্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
পরে চট্টগ্রাম বন্দরের জিসিবি, এনসিটি গেটে কর্মরত বন্দরের নিজস্ব নিরাপত্তা বাহিনীর দুজন ট্র্যাফিক ইন্সপেক্টর কন্টেইনার ডেলিভারি কার্যক্রম সচলের বিষয় নিশ্চিত করেন। আন্দোলনরত প্রাইম মুভারস ট্রেইলর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আবুল খায়ের ফোনে সাড়া দেননি। ফলে কোন সমঝোতার ভিত্তিতে শ্রমিকরা কাজে যোগ দিলেন তা জানা যায়নি।
কন্টেইনার ডিপো মালিকদের সংগঠন বিকডা সচিব রুহুল আমিন সিকদার জানালেন, রাত নয়টায় ডিপো থেকে রপ্তানি কন্টেইনার বন্দরের ভেতর যেতে শুরু করেছে। শ্রমিকদের অভিযোগ, বন্দর গেট দিয়ে প্রবেশের পাস ইস্যুকে কেন্দ্র করে ট্রেইলর শ্রমিক অ্যাসোসিয়েশনের কোষাধ্যক্ষের সঙ্গে বন্দর গেটে কর্মরত সিকিউরিটি কর্মীর প্রথমে বাগ্বিতণ্ডা এরপর ধাক্কাধাক্কি হয়। এর জেরেই ট্রেইলের কন্টেইনারে পণ্য পরিবহন বন্ধ করেন পরিবহন শ্রমিকরা।




