Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
৫ বন্ধুর হাতে কতকিছুর সুরক্ষা
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় চট্টগ্রাম

সুপারিশ বাস্তবায়ন নেই, পাহাড়ধসে মৃত্যু প্রতিবছর

প্রণব বল, চট্টগ্রাম
agamir somoy
প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৬, ১৯:২৮
শেয়ার করুন:
সুপারিশ বাস্তবায়ন নেই, পাহাড়ধসে মৃত্যু প্রতিবছর

প্রতি বর্ষা মৌসুমে বৃহত্তর চট্টগ্রামে পাহাড়ধসের আশঙ্কা দেখা দেয়। ২০০৭ সালে চট্টগ্রামে পাহাড়ধসে ১২৭ জন মারা যাওয়ার পর ভবিষ্যৎ দুর্ঘটনা এড়াতে বসতি উচ্ছেদ, পুনর্বাসনসহ ৩৬ দফা সুপারিশ দিয়েছিল বিশেষজ্ঞ কমিটি। এ ছাড়া ২০১৭ সালে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও পার্বত্য চট্টগ্রামে পাহাড়ধসে ১৭০ মৃত্যুর পর ৩৫ দফা সুপারিশ ছিল। এগুলোর বেশিরভাগ বাস্তবায়ন হয়নি।

ফলে প্রতিবছর পাহাড়ে বেড়েছে ঝুঁকিপূর্ণ বসতির সংখ্যা। আর বাড়ছে দুর্ঘটনাও। চলমান ভারী বৃষ্টিতে পাহাড়ধসে চট্টগ্রামে ৪ জন, কক্সবাজারে ১৮ জন ও বান্দরবানে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি পাহাড়ে অবৈধ ঝুঁকিপূর্ণ বসতি নিরুৎসাহিত করা যেত, তাহলে এই মৃত্যু এড়ানো সম্ভব ছিল।

পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ বসতির হালনাগাদ তথ্য নেই চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসন কিংবা পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটির কাছে। ছয় বছর আগে ২০২০ সালে চট্টগ্রামে ৬ হাজার ৫৫৮ পরিবারের তালিকা করা হয়েছিল। এরপর আর অবৈধ বসতির তালিকা হালনাগাদ করা হয়নি। তবে গত বছর বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ে অতিরিক্ত আরও ৯১৪টি ঝুঁকিপূর্ণ বসতির তালিকা পাঠানো হয়।

মূল সুপারিশ বাস্তবায়ন না করে প্রতিবছর বর্ষা এলে ঝুঁকিতে বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিতে মনোযোগী হয় প্রশাসন। এ জন্য মাইকিং করা হয়। এবারও এর ব্যতিক্রম হয়নি। তবে প্রশাসনের এসব নির্দেশনা বাসিন্দারা কানে তোলেন না। ফলে পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটছেই।


আরও পড়ুন

পাহাড়ে মানুষের আগ্রাসন, বর্ষা এলেই বাড়ছে মৃত্যু

১০ জুলাই ২০২৬


জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বুধবার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সভায় বিষয়টি স্বীকার করেছেন। ডিসি বললেন, ‘আমরা বারবার সরে যাওয়ার নির্দেশনা দিয়েছি। আশ্রয়কেন্দ্রও খুলেছি। কিন্তু তাদের কেউ কেউ ঘর ছেড়ে যায়নি। দুর্ঘটনায় চারজন মারা গেছে।’

সুপারিশ বাস্তবায়ন না করা, স্থায়ী উচ্ছেদের মতো কঠিন সিদ্ধান্ত না নেওয়া এবং গডফাদারদের আইনের আওতায় না আনার কারণে ২৬টি পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ বসতি বেড়ে চলছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এমনকি বিদ্যুৎ পানি, গ্যাস, রাস্তাঘাট ও শৌচাগার নির্মাণসহ নানা সুযোগ-সুবিধার আওতায় এনে পাহাড়ে বসতি বাড়াতে উৎসাহ দেওয়া হয়। তাই দিন দিন এই সংখ্যা বাড়ছে। প্রতিবছর পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় সেবা সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত হয়।

লোক-দেখানো দু-একটি অভিযান করার পর তা বন্ধ থাকে। ফলে নতুন করে আবার সেবা সংযোগ ও বসতি দুই বাড়তে থাকে। সরকারি হিসাবে  সাড়ে সাত হাজারের মতো পরিবার ঝুঁকিতে বসবাস করে বলা হচ্ছে, বাস্তবে তা আরও বেশি। অথচ ২০১৪ সালে ১১টি পাহাড়ে মাত্র ৬৬৬টি পরিবার বসবাস করত। এখন তা কয়েকগুণ বেড়েছে।

জানতে চাইলে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল বিভাগের অধ্যাপক অলক পাল বলেছেন, ‘কমিটি যেসব সুপারিশ করেছিল তা বাস্তবায়ন করা দরকার। এ ছাড়া পাহাড় কাটা রোধে আইনের কঠোর প্রয়োগের পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়ানো দরকার। পাহাড় কেটে বিভিন্ন এলাকায় স্থাপনা গড়ে তোলার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা ও পর্যবেক্ষণ জরুরি।’

পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটির তথ্য অনুযায়ী, আকবরশাহ থানা এলাকার ১, ২ ও ৩ নম্বর ঝিলসংলগ্ন পাহাড়ে সবচেয়ে বেশি সাড়ে ৪ হাজার পরিবার বসবাস করে। ২০২২ সালের ১ নম্বর ঝিলে পাহাড়ধসে মারা গিয়েছিলেন একই পরিবারের দুজন। একই সময়ে বিজয়নগর এলাকায় আরও দুজন নিহত হয়। এ ছাড়া ২০১২ সালে আকবরশাহ মাজার এলাকায় ২২ জনের মৃত্যু হয়েছিল। ২০১১ সালে বাটালি পাহাড় ও দেয়ালধসে মারা যায় ১৭ জন।

পাহাড়ধসচট্টগ্রামবর্ষামৌসুমদুর্ঘটনা
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে শতকোটির কাজ বন্ধ,  এমপি নূরুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে শতকোটির কাজ বন্ধ, এমপি নূরুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালা সংশোধনে অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত নয়: বিএসইসি চেয়ারম্যান

    মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালা সংশোধনে অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত নয়: বিএসইসি চেয়ারম্যান

    ‘জয় বাংলা’ স্লোগান নিয়ে মতপার্থক্য সিপিবিতে

    ‘জয় বাংলা’ স্লোগান নিয়ে মতপার্থক্য সিপিবিতে

    দুই ঘণ্টা পরও সারেনি ত্রুটি, বিমান থেকে নামলেন প্রধানমন্ত্রী

    দুই ঘণ্টা পরও সারেনি ত্রুটি, বিমান থেকে নামলেন প্রধানমন্ত্রী

    তুরাগ নদ থেকে বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার

    তুরাগ নদ থেকে বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার

    আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধর : ডা. জাহিদের ড্যাবের সদস্যপদ স্থগিত

    আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধর : ডা. জাহিদের ড্যাবের সদস্যপদ স্থগিত

    ‘তিনটি গুলির আওয়াজ শুনে দৌড়ে গিয়ে দেখি বাবা মাটিতে পড়ে আছেন’

    ‘তিনটি গুলির আওয়াজ শুনে দৌড়ে গিয়ে দেখি বাবা মাটিতে পড়ে আছেন’

    প্রধানমন্ত্রীর ফিরতি ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটি, যাত্রায় বিলম্ব

    প্রধানমন্ত্রীর ফিরতি ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটি, যাত্রায় বিলম্ব

    ১৯ দিন নিখোঁজ, ফিরে এসে দুই তরুণী জানালেন সংঘবদ্ধ ধর্ষণের কথা

    ১৯ দিন নিখোঁজ, ফিরে এসে দুই তরুণী জানালেন সংঘবদ্ধ ধর্ষণের কথা

    আমাদের এক কৃষ্ণকুমারী ছিল

    আমাদের এক কৃষ্ণকুমারী ছিল

    পার্কওয়ে প্যাকেজিংয়ের আইপিও আবেদন

    পার্কওয়ে প্যাকেজিংয়ের আইপিও আবেদন

    ডিএসইতে শ্রমিক নেই তহবিল আছে, ভাগবাটোয়ারা করে নেন কর্তারা

    ডিএসইতে শ্রমিক নেই তহবিল আছে, ভাগবাটোয়ারা করে নেন কর্তারা

    সুতোয় ঝুলছে ফকিরের ভাগ্য, নতুন আইজিপির আলোচনায় অনেক নাম

    সুতোয় ঝুলছে ফকিরের ভাগ্য, নতুন আইজিপির আলোচনায় অনেক নাম

    চাপের মুখে গ্রাম ছাড়ার পর টিকটকার মাসুদ দিলেন শ্যালিকার সঙ্গে ডিভোর্সের খবর

    চাপের মুখে গ্রাম ছাড়ার পর টিকটকার মাসুদ দিলেন শ্যালিকার সঙ্গে ডিভোর্সের খবর

    টেড হিউজ: প্রান্তর ও ছায়ার মাঝখানে একটি জীবন

    টেড হিউজ: প্রান্তর ও ছায়ার মাঝখানে একটি জীবন