যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেবে যুক্তরাজ্য

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার
যুক্তরাজ্যের সামরিক ঘাঁটি থেকেই যুক্তরাষ্ট্রকে প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপ নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া ভিডিও বার্তায় এ কথা জানিয়েছেন তিনি। খবর বিবিসির।
স্টারমার বলেছেন, উপসাগরীয় অঞ্চলে আমাদের অংশীদাররা নিজেদের রক্ষায় আমাদের কাছ থেকে আরও সহায়তা চেয়েছে। সমন্বিত প্রতিরক্ষামূলক অভিযানের অংশ হিসেবে আমাদের ব্রিটিশ যুদ্ধবিমান আকাশে রয়েছে। যেগুলো ইতোমধ্যেই সফলভাবে ইরানের হামলা প্রতিহত করছে।
‘কিন্তু হুমকি বন্ধ করার একমাত্র উপায় হলো ক্ষেপণাস্ত্রগুলোকে তাদের উৎসমুখেই ধ্বংস করা অর্থাৎ তাদের সংরক্ষণাগারে বা যেসব লঞ্চার থেকে ক্ষেপণাস্ত্রগুলো নিক্ষেপ করা হয় সেখানে’, যোগ করেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী।
এ অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি চেয়েছে বলে জানান তিনি। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ইরান যাতে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে নিরীহ বেসামরিক মানুষকে হত্যা করতে না পারে, ব্রিটিশ নাগরিকদের জীবন ঝুঁকিতে না ফেলে এবং এমন দেশগুলোকে লক্ষ্যবস্তু না করে যারা এই সংঘাতে জড়িত নয়, সে কারণেই আমরা এই অনুরোধ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
এদিকে যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, সাইপ্রাসের অ্যাক্রোটিরিতে অবস্থিত তাদের সামরিক ঘাঁটিতে একটি হামলা হয়েছে। এটি ড্রোন হামলা বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
পরে সাইপ্রাস সরকারের মুখপাত্র কনস্তানতিনোস লেতিম্বিওতিস জানান, ব্রিটিশ ওই ঘাঁটিতে চালকবিহীন ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। এতে সামান্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এর আগে আরও বলেছে, হামলাটি মধ্যরাতের দিকে হয়েছে। এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।
অ্যাক্রোটিরি ঘাঁটিটি মধ্যপ্রাচ্যে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য যুক্তরাজ্যের প্রধান সামরিক স্থাপনা।















