Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
১৩ হাজার গাছ লাগিয়েছেন রিকশাচালক রেজাউল
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় বিদেশ

এয়ারবাস ও বোয়িংকে টেক্কা দিবে জেটজিরো?

আগামীর সময় ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৬, ১১:০৪
এয়ারবাস ও বোয়িংকে টেক্কা দিবে জেটজিরো?

উড্ডয়নরত জেটজিরোর জেট১। ছবি: রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার মোজাভে মরুভূমির একটি হ্যাঙ্গারে এখন জোরকদমে চলছে কাজ। সেখানে ২০০ আসনের বেশি ধারণক্ষমতার একটি পরীক্ষামূলক বিমান তৈরি করছে জেটজিরো। এই ধরনের বিমানই আগামী দিনের বাজারে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হবে বলে মনে করছে এয়ারবাস ও বোয়িং।

আগামী বছরের শেষ দিকে বিমানটি প্রথমবার আকাশে ওড়ানোর লক্ষ্য নিয়েছে জেটজিরো। সেটি সফল হলে কোম্পানিটির জন্য বড় একটি মাইলফলক হবে। প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বের প্রথম ব্লেন্ডেড-উইং বাণিজ্যিক বিমান তৈরির চেষ্টা করছে। এই নকশায় ডানা ও বিমানের মূল অংশ আলাদা নয়। দুটো মিলেই একটি কাঠামো তৈরি করে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

জেটজিরো জানিয়েছে, এই নকশায় জ্বালানির ব্যবহার অর্ধেক পর্যন্ত কমানো সম্ভব। ইউনাইটেড এয়ারলাইনস ও আলাস্কা এয়ারলাইনস আগ্রহ দেখিয়েছে সেই সম্ভাবনায়। ইতোমধ্যে বিনিয়োগ করেছে দুটি প্রতিষ্ঠানই।

পরীক্ষামূলক বিমানটি তৈরি করছে স্কেলড কম্পোজিটস। প্রতিষ্ঠানটি নর্থরপ গ্রুম্যানের মালিকানাধীন। প্রকল্পটির অর্থায়নের একটি অংশ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনী। বিমানটিতে ব্যবহার করা হচ্ছে প্র্যাট অ্যান্ড হুইটনির একই ধরনের ইঞ্জিন, যা বোয়িং ৭৫৭-এ ব্যবহৃত হয়।

প্রথম পরীক্ষামূলক উড়ান সফল হলে নতুন বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হবে। এরপর ২০৩০ সাল থেকে বাণিজ্যিক বিমান উৎপাদন শুরু করতে চায় জেটজিরো। এ জন্য নর্থ ক্যারোলাইনার গ্রিনসবরোতে নতুন উৎপাদন কেন্দ্র চালু করেছে প্রতিষ্ঠানটি। তবে সবকিছু নির্ভর করছে এই নতুন নকশার অনুমোদন কত দ্রুত মিলবে সেটার উপর।

একই নকশা সামরিক পরিবহন ও আকাশে জ্বালানি সরবরাহের কাজেও ব্যবহার করা যেতে পারে।

জেটজিরোর প্রধান নির্বাহী টম ও‘লিয়ারি জানিয়েছেন, এটি আগে কেউ করেনি।

তিনি বলেছেন, আমরা নতুন প্রযুক্তি তৈরি করছি না। নাসার ৩০ বছরের বেশি গবেষণার ফল কাজে লাগাচ্ছি।

পরীক্ষামূলক বিমানটির নকশা সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু প্রকাশ করছে না জেটজিরো। এখন তাদের মূল লক্ষ্য এই নকশা কম টানে বেশি উত্তোলন শক্তি তৈরি করতে পারে কি না সেটা প্রমাণ করা। সেটি সম্ভব হলে কম শক্তি ও কম জ্বালানিতে উড়তে পারবে বিমানটি।

এই বিমানে শুধু ককপিটে চাপ নিয়ন্ত্রিত থাকবে। যাত্রী বসার জায়গায় থাকবে জ্বালানির ট্যাংক।

জেটজিরোর জেড-৪ বিমানটি ২০০ থেকে ২৭০ আসনের বাজারকে লক্ষ্য করে তৈরি হচ্ছে। আগে এই বাজারে বোয়িং ৭৫৭ ও ৭৬৭ ছিল সবচেয়ে পরিচিত বিমান। মাঝারি ও দীর্ঘ দূরত্বের রুটে এগুলোই বেশি ব্যবহৃত হতো।

এই নকশায় প্রচলিত গোলাকার ফিউজেলাজের বদলে থাকবে চওড়া ও সমতল কেবিন। এতে আসন নতুনভাবে সাজানো যাবে। বড় জানালা ব্যবহার করা যাবে। রান্নাঘর ও টয়লেটের বিন্যাসও সহজে বদলানো যাবে। ইঞ্জিন থাকবে বিমানের পেছনের ওপরের অংশে। এতে মাটিতে শব্দ কম হবে। পাশাপাশি জ্বালানি দক্ষতাও বাড়বে।

অ্যারোডাইনামিক অ্যাডভাইজরির ব্যবস্থাপনা পরিচালক রিচার্ড আবুলাফিয়া বলেছেন, জেটজিরোর দল ইতোমধ্যেই মহাকাশ শিল্পের অনেককে চমকে দিয়েছে। তবে সামনে তাদের বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে। প্রথমে জ্বালানি সাশ্রয়ের দাবি প্রমাণ করতে হবে। এরপর প্রোটোটাইপ থেকে অনুমোদিত বাণিজ্যিক বিমান তৈরি করতে লাগবে বিপুল অর্থ। পুরো প্রক্রিয়ায় অনেক বছর সময় লাগতে পারে। খরচও হবে কয়েকশ কোটি ডলার।

তিনি বলেছেন, এখনই কিছু বলা তাড়াহুড়ো হবে। তবে সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দেওয়ারও সুযোগ নেই। ভবিষ্যতে যাত্রীরা জেটজিরোর বিমানে উড়তে পারেন।

২০২০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় জেটজিরো। শুরুতে প্রতিষ্ঠানটি নিয়ে ব্যাপক সংশয় ছিল। ২০২৩ সালের আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনী ২৩ কোটি ৫০ লাখ ডলারের চার বছরের একটি প্রকল্পে জেটজিরোকে বেছে নেয়। লক্ষ্য ছিল পূর্ণ আকারের একটি পরীক্ষামূলক বিমান তৈরি করা।

লি-হ্যাম নিউজের বিশ্লেষক ও বিমান প্রকৌশলী বেয়র্ন ফেহরম বলছেন, এই নকশায় জ্বালানি সাশ্রয়ের দাবি এখনো প্রমাণিত হয়নি। তিনি মনে করেন, যাত্রীবাহী বিমানের চেয়ে এই নকশা যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনীর জন্য বেশি উপযোগী।

তিনি বলেছেন, এই ধরনের নকশা সামরিক বিমানের জন্য আদর্শ। কারণ সেখানে গোপনীয়তা, বড় জায়গা এবং মালামাল বা জ্বালানি বহনের সুবিধা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তবে যাত্রীবাহী বিমানের জন্য এটি ততটা উপযুক্ত নাও হতে পারে।

জ্বালানিই বিমান সংস্থাগুলোর সবচেয়ে বড় খরচ। তাই তারা এই প্রকল্পে বিনিয়োগ করেছে। পাশাপাশি শর্তসাপেক্ষে বিমান কেনার পরিকল্পনাও করেছে।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে ১৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার নতুন বিনিয়োগ পায় জেটজিরো। এই অর্থায়নের নেতৃত্ব দেয় বি ক্যাপিটাল। এতে অংশ নেয় ইউনাইটেড এয়ারলাইনস ভেঞ্চারস, নর্থরপ গ্রুম্যান ও আরটিএক্স ভেঞ্চারস। ইউনাইটেড এয়ারলাইনস সর্বোচ্চ ১০০টি বিমান কেনার সুযোগ পেয়েছে। পাশাপাশি আরও ১০০টি বিমানের জন্য বিকল্পও রেখেছে।

বছরের শেষ নাগাদ আরও একটি অর্থায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। ২০২৮ সালের মধ্যে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার সম্ভাবনাও দেখছে কোম্পানিটি। মহাকাশ খাতে বিনিয়োগকারীদের বাড়তি আগ্রহকে কাজে লাগাতে চায় জেটজিরো। গত মাসে স্পেসএক্সের রেকর্ড আইপিওর পর সেই আগ্রহ আরও বেড়েছে। ওই আইপিওতে ইলন মাস্কের রকেট ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কোম্পানির মূল্য দাঁড়ায় ২ ট্রিলিয়ন ডলার।

ও'লিয়ারি বলছেন, স্পেসএক্সের আইপিওর পর এখন বিশ্বের এমন কোনো মহাকাশ কোম্পানির প্রধান নেই, যিনি শেয়ারবাজার নিয়ে ভাবছেন না।

তিনি আরো বলছেন, এখন সবকিছুই নির্ভর করছে পরীক্ষামূলক উড়ানের ওপর।

তিনি জানিয়েছেন, পরীক্ষামূলক বিমানটি উড়ার পর বিমান সংস্থাগুলো বলবে, ‘এটি সত্যিই সম্ভব।’ তখনই বিমান কেনার অর্ডার আসতে শুরু করবে।

এয়ারবাসবোয়িংজেটজিরো
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    আজমুল হত্যা: মেস ম্যানেজার মেহেদীকে খুঁজছে পুলিশ

    আজমুল হত্যা: মেস ম্যানেজার মেহেদীকে খুঁজছে পুলিশ

    আবারও জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক হলেন তানজিম ওয়াহাব

    আবারও জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক হলেন তানজিম ওয়াহাব

    ‘ধানের শীষে ভোট চাইছি, মাফ চাই’, পোস্ট দিয়ে বহিষ্কার ছাত্রদল নেতা

    ‘ধানের শীষে ভোট চাইছি, মাফ চাই’, পোস্ট দিয়ে বহিষ্কার ছাত্রদল নেতা

    ১৩ হাজার গাছ লাগিয়েছেন রিকশাচালক রেজাউল

    ১৩ হাজার গাছ লাগিয়েছেন রিকশাচালক রেজাউল

    এক মিনিটে চার ককটেল বিস্ফোরণ, এলাকায় আতঙ্ক

    এক মিনিটে চার ককটেল বিস্ফোরণ, এলাকায় আতঙ্ক

    নিউ ইয়র্কে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

    নিউ ইয়র্কে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

    চীনা কৌশলে জেগে উঠুক বাংলার গ্রাম

    চীনা কৌশলে জেগে উঠুক বাংলার গ্রাম

    কেন বিশ্ব জুড়ে জনপ্রিয় কে-পপ,  ব্যর্থ হলো সি-পপ

    কেন বিশ্ব জুড়ে জনপ্রিয় কে-পপ, ব্যর্থ হলো সি-পপ

    ডায়াবেটিসজনিত কিডনি রোগ

    ডায়াবেটিসজনিত কিডনি রোগ

    বামপন্থী আলিফ হচ্ছেন বার্লিনের প্রথম মুসলিম মেয়র

    বামপন্থী আলিফ হচ্ছেন বার্লিনের প্রথম মুসলিম মেয়র

    মাউশির ৩ সাবেক ডিজিকে বেতন দিতে হচ্ছে বসিয়ে বসিয়ে

    মাউশির ৩ সাবেক ডিজিকে বেতন দিতে হচ্ছে বসিয়ে বসিয়ে

    বাংলাদেশে তেলের দাম বাড়ল কয়েক দফা, প্রতিবেশীদের কী চিত্র

    বাংলাদেশে তেলের দাম বাড়ল কয়েক দফা, প্রতিবেশীদের কী চিত্র

    পটিয়ায় পিকআপের সঙ্গে সংঘর্ষে কক্সবাজার এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত, বন্ধ ট্রেন

    পটিয়ায় পিকআপের সঙ্গে সংঘর্ষে কক্সবাজার এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত, বন্ধ ট্রেন

    বাসভাড়া বাড়ছে ১৭ পয়সা, প্রজ্ঞাপন আসছে

    বাসভাড়া বাড়ছে ১৭ পয়সা, প্রজ্ঞাপন আসছে

    ধানমন্ডি লেকে ভাসছিল মার্কেটিং কনসালট্যান্টের মরদেহ

    ধানমন্ডি লেকে ভাসছিল মার্কেটিং কনসালট্যান্টের মরদেহ