Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
১৩ হাজার গাছ লাগিয়েছেন রিকশাচালক রেজাউল
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় কলাম

চীনা কৌশলে জেগে উঠুক বাংলার গ্রাম

ফয়সল আবদুল্লাহ
agamir somoy
প্রকাশ: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১৫
চীনা কৌশলে জেগে উঠুক বাংলার গ্রাম

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

একটি গ্রামের কথা ভাবুন। যেখানে ধানক্ষেতে দোলা দেয় হেমন্তের বাতাস, আছে বিস্তীর্ণ সবজির বাগান, লাউয়ের মাচার নিচে পানিতে খেলা করে রুই, কাতল আর পুঁটি মাছের ঝাঁক। আর আছে আমাদের চিরচেনা কৃষক। ফসল ফলিয়ে স্থানীয় মহাজনের কাছে বিক্রি করার বৃত্তেই আটকে আছে তার সব আয়, তার জীবন। গ্রামের তরুণরা পড়াশোনা করতে বা কাজের খোঁজে যায় শহরে। গ্রাম নিয়ে ভাববার সময় নেই কারও। এভাবেই একদিন হারিয়ে গেল পুরনো কারুশিল্প, নীরব হয়ে গেল গ্রামের সংস্কৃতি, আচার-অনুষ্ঠান, বাড়িগুলো পড়ে রইল ফাঁকা।

দৃশ্যটা আমাদের অতিপরিচিত। হিমালয়ের ওপারে যে সুবিশাল চীন, তার গ্রামগুলোও একসময় এমন ছিল। সেখানকার তরুণরাও গ্রাম ছেড়ে চলে যেত চকচকে শহুরে জীবনের ঝোঁকে। কিন্তু ২০১৭ সালে চীনের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিসি) গ্রামীণ পুনরুজ্জীবন কৌশল প্রয়োগ করার পর চিত্রটা বদলে গেল।

কৌশলের প্রাথমিক পর্যায়েই লক্ষ্য ঠিক করা হয়— অবকাঠামো নয়; বরং কৃষি, শিল্প, সংস্কৃতি, পরিবেশ, প্রযুক্তি ও মানুষের দক্ষতাকে একযোগে কাজে লাগিয়ে গ্রামীণ অর্থনীতিকে নতুন প্রাণ দিতে হবে। আর এখানেই বাংলাদেশের মতো কৃষিনির্ভর উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য রয়েছে একটি বড় শিক্ষা।

শুধু রাস্তা, পর্যটনকেন্দ্র কিংবা নতুন ভবন বানালেই গ্রাম উন্নত হয় না। পাকা রাস্তা দিয়ে গ্রামের কৃষিপণ্য সরাসরি গ্রাহকের হাতে পৌঁছাচ্ছে কি না, সেটাই জরুরি। সেই রাস্তা সত্যিকার অর্থে কতজন গ্রামবাসীর জীবন বদলাল, সরকারি জরিপে আসতে হবে সেই হিসাবটাও।

কোনো গ্রামে পর্যটনকেন্দ্র বানানোর আগে শুধু রাস্তা বা পাবলিক টয়লেট নয়, স্থানীয় তরুণদের প্রশিক্ষণও দিতে হবে। কে পর্যটককে গাইড করবে? কে হোমস্টে চালাবে? কারা স্থানীয় খাবার তৈরি করবে? কে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসব কর্মকাণ্ড প্রচার করবে? অর্থাৎ অবকাঠামোর সঙ্গে মানবসম্পদে বিনিয়োগ— দুটোই চলবে একসঙ্গে। তখন স্যুট-টাই পরা শহুরে বহুজাতিক কোম্পানির এক্সিকিউটিভদের মতো সমানতালে গড়ে উঠবে গ্রামীণ পটভূমিতে গ্রামকে বুঝতে পারা একদল নতুন নির্বাহী কর্মকর্তা।

অর্থনৈতিক সম্ভাবনার বিচারে সব গ্রাম এক কাতারে পড়বে না। ফুচিয়ানের চৌনিং কাউন্টিতে পাহাড়ি ঠান্ডা আবহাওয়াকে কাজে লাগিয়ে চাষ করা হচ্ছে সাক্যুলেন্ট ও বিশেষ জাতের ফুল। সেখানে একজন উদ্যোক্তা শুধু গাছ বিক্রি করছেন না; গাছকে শিল্পে রূপ দিচ্ছেন, পর্যটকদের গাছ লাগানোর অভিজ্ঞতা দিচ্ছেন এবং আশপাশের পরিবারকে চারা দিয়ে বাড়িতে উৎপাদনের সুযোগ দিচ্ছেন। ফলে একটি ব্যবসা ছড়িয়ে পড়ছে বহু পরিবারের ঘরে।

বাংলাদেশের উপকূলীয় গ্রামে লবণসহিষ্ণু কৃষি, চরাঞ্চলে বিশেষ ধরনের ফসল বা পশুপালন, পাহাড়ে ফল ও মসলা, হাওরে মাছ ও জলভিত্তিক পর্যটন, নদীপাড়ে নৌ পর্যটন— প্রতিটি অঞ্চলের নিজস্ব সম্পদগুলোর রয়েছে আলাদা অর্থনীতি। এখানে সরকারের কাজ হবে স্থানীয় সম্ভাবনা শনাক্ত করে উপজেলা পর্যায়ে বিশেষ শিল্প-গুচ্ছ তৈরি করা।

স্থানীয় কৃষি উৎসব ও সংস্কৃতিকে যুক্ত করে সেখানে তৈরি হয়েছে কৃষিশিক্ষা ও পর্যটনের নতুন অভিজ্ঞতা। কেমন হবে, যদি বাংলাদেশের নবান্ন উৎসবকে দেশব্যাপী একটা পর্যটন অভিজ্ঞতার অনুষঙ্গ বানানো যায়?

চীনের হেইলংচিয়াং প্রদেশের হারবিনের উচাংয়ের ধানক্ষেতের উদাহরণটি চমৎকার। একটি প্রতিষ্ঠান শুধু চাল বিক্রি করছে না; ধানক্ষেতকে ঘিরে চালু করেছে ‘রাইস-ফিল্ড অ্যাডপশন’ ও ‘কাস্টম ফার্মিং’। স্থানীয় কৃষি উৎসব ও সংস্কৃতিকে যুক্ত করেও সেখানে তৈরি হয়েছে কৃষিশিক্ষা ও পর্যটনের নতুন অভিজ্ঞতা। বাংলাদেশের নবান্ন উৎসবের কথা ভাবুন। কেমন হবে, যদি ওই নবান্ন উৎসবকে দেশব্যাপী একটা পর্যটন অভিজ্ঞতার অনুষঙ্গ বানানো যায়?

সিলেট, নরসিংদী, কিশোরগঞ্জ বা ময়মনসিংহের মতো আরও অনেক জেলায় ঘটা করে আয়োজন করা হয় মাছ ধরা উৎসবের। এসব জেলার গ্রামীণ এলাকায় এই মাছ ধরা উৎসবকে ঘিরেও গড়ে উঠতে পারে নতুন ধাঁচের পর্যটন। উৎসবে তখন শুধু গ্রামের লোকজন নয়, দেশ ও দেশের বাইরের পর্যটকরাও অংশ নেবেন সাগ্রহে। গড়ে উঠবে উৎসবনির্ভর খুদে অর্থনীতি।

চীনের অভিজ্ঞতা বলে— একটি কৃষিপণ্যের মূল্য শুধু তার উৎপাদন খরচে নয়; তার সঙ্গে গল্প, সংস্কৃতি, ব্র্যান্ড ও অভিজ্ঞতা যোগ করতে পারলে তার মূল্য বহুগুণ বাড়ে। নকশিকাঁথা, জামদানি, বাঁশ-বেতের পণ্য, মাটির তৈরি সামগ্রী, শীতলপাটি, পালাগান, আঞ্চলিক খাবার— এসবকে শুধু ঐতিহ্য হিসেবে সংরক্ষণ না করে আধুনিক ডিজাইন, ই-কমার্স, পর্যটন ও রপ্তানির সঙ্গে যুক্ত করা যেতে পারে।

সাফল্যের উদাহরণ হিসেবে চীনের লিনই শহরের কথা বলা যায়। শহরটিতে ২০২৫ সালে গ্রামীণ পর্যটনের আওতায় প্রায় ৪ কোটি ৫০ লাখ বার ভ্রমণ করেছেন পর্যটকরা। এতে আয় হয়েছে সাড়ে চার হাজার কোটি ইউয়ানের বেশি। এই শহরের সাত শতাধিক গ্রামীণ পর্যটন পেশাজীবীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক সম্পদকে যুক্ত করে তৈরি হয়েছে পর্যটন রুট, কৃষি-পর্যটন ক্লাস্টার ও হোমস্টে। শহরের পুরনো ভাঙাচোরা বাড়িও কাজে লেগেছে নতুন অর্থনৈতিক কাজে। উল্লেখ্য, চীনে সমবায়, গ্রামীণ সামষ্টিক অর্থনীতি এবং স্থানীয় সম্পদের ভিত্তিতে মুনাফা ভাগাভাগি ব্যবস্থাকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

বাংলাদেশেও এ নীতি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। একটি গ্রামের জমি, পুকুর, ঐতিহ্যবাহী বাড়ি বা সাংস্কৃতিক সম্পদ ব্যবহার করলে স্থানীয় মানুষকে শুধু দিনমজুর বানানো যাবে না। তাদের মালিকানা, ভাড়া, লাভের অংশ বা সমবায়ভিত্তিক অংশীদারত্ব নিশ্চিত করতে হবে। চলতি বছর চীনে কৃষকের আয় বাড়াতে ভর্তুকি ও কৃষি-বীমাকে সমন্বিতভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।

এখানে বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হলো— কৃষককে শুধু উৎপাদনের সময় সহায়তা দিলে হবে না। উন্নত বীজ, সেচ, যান্ত্রিকীকরণ, কৃষি-পরামর্শ, ফসলবীমা, গুদাম, কোল্ড স্টোরেজ সুবিধা, পরিবহন, প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং বাজার— সবকিছুকে আনতে হবে এক ছাদের তলায়।

চীনের কিছু অঞ্চলে কৃষকের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে কৃষিযন্ত্র বুকিং, অর্ডার ব্যবস্থাপনা ও উৎপাদন-সংক্রান্ত তথ্য পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। ফুচিয়ানের চিয়ানিং কাউন্টিতে ডিজিটাল কৃষি প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে কৃষকদের সরাসরি আবহাওয়া, বীজের মান এবং বাজারের তথ্যের সঙ্গে যুক্ত করেছে চীনা সরকার। এতে উৎপাদনশীলতা যেমন বেড়েছে, তেমনি মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্যও কমেছে।

বাংলাদেশে উপজেলা পর্যায়ে এমন ডিজিটাল কৃষিসেবা প্ল্যাটফর্ম চালু করা যেতে পারে— যেখানে কৃষক মেশিন ভাড়া, আবহাওয়া, রোগবালাই, বাজারদর, পরিবহন ও বিক্রির তথ্য এক জায়গায় পাবেন।

চীনের এসব অভিজ্ঞতাকে বাংলাদেশের বাস্তবতায় প্রয়োগ করতে হলে প্রথমত দরকার উপজেলাভিত্তিক গ্রামীণ পুনরুজ্জীবন পরিকল্পনা। প্রতিটি উপজেলার কৃষি, জলবায়ু, সংস্কৃতি, পর্যটন ও বাজারের সম্ভাবনা চিহ্নিত করে পাঁচ থেকে দশ বছরের পরিকল্পনা হাতে নিতে হবে।

এরপর গ্রামীণ মানুষদের মূল্য-শৃঙ্খলের মালিক করতে হবে। উৎপাদনকারী সংস্থা কিংবা স্থানীয় সমবায় প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কৃষক যেন শুধু কাঁচামাল সরবরাহকারী না হন। বরং উপজেলা বা জেলা পর্যায়ে এমন শিল্প গড়ে তুলতে হবে, যার কাঁচামাল স্থানীয় এবং যার আয় স্থানীয় মানুষের কাছে ফিরে আসে।

গ্রামীণ তরুণদের জন্য নিতে হবে গ্রামীণ উদ্যোক্তা প্রকল্প। কৃষি, পর্যটন, ডিজিটাল মার্কেটিং, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, হোমস্টে, কারুশিল্প ও ই-কমার্সে প্রশিক্ষণ ও সহজ ঋণ থাকবে এর অধীনে। এরপর হবে গ্রামের ব্র্যান্ডিং। একটি উপজেলার একটি বিশেষ পণ্য বা অভিজ্ঞতাকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে তুলে ধরতে সরকারি ব্র্যান্ডিং সহায়তা। আর সবশেষে এসব কিছুর ফলাফল মাপতে হবে মানুষের আয় দিয়ে।

চীনের দেখাদেখি বাংলাদেশ চাইলে প্রথমেই সারা দেশে বড় প্রকল্প না নিয়ে ১০-২০টি নির্বাচিত উপজেলায় পাইলট গ্রামীণ পুনরুজ্জীবন অঞ্চল তৈরি করতে পারে।

একটি গ্রাম যদি নিজের সম্পদ চিনতে পারে এবং তরুণরা যদি গ্রামেই কাজ খুঁজে পায়, তবেই পুনরুজ্জীবিত হয় গ্রাম। আর গ্রাম জেগে উঠলেই জেগে উঠবে গোটা দেশ।

 

লেখক: সাংবাদিক, সিএমজি বাংলা

বাংলার গ্রামহেমন্তবিস্তীর্ণপর্যটনকেন্দ্রভাঙাচোরাকলাম
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    কে হচ্ছেন ‎শিল্পকলা একাডেমির নতুন মহাপরিচালক

    কে হচ্ছেন ‎শিল্পকলা একাডেমির নতুন মহাপরিচালক

    এমপি নজরুলের ফ্ল্যাট থেকে একাধিক চিরকুট উদ্ধার

    এমপি নজরুলের ফ্ল্যাট থেকে একাধিক চিরকুট উদ্ধার

    নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় মামলা, প্রথম স্ত্রী গ্রেপ্তার

    নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় মামলা, প্রথম স্ত্রী গ্রেপ্তার

    ২০ বছর বঞ্চিত ঠিকাদারদের ভাগ্য খুলছে

    ২০ বছর বঞ্চিত ঠিকাদারদের ভাগ্য খুলছে

    বার্লিনে বামপন্থীদের জয়, চাপে চ্যান্সেলর মের্ৎস

    বার্লিনে বামপন্থীদের জয়, চাপে চ্যান্সেলর মের্ৎস

    বিশ্ববাজারে কমল জ্বালানি তেলের দাম

    বিশ্ববাজারে কমল জ্বালানি তেলের দাম

    সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভবিষ্যত তহবিলের মুনাফা হার বাড়ল

    সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভবিষ্যত তহবিলের মুনাফা হার বাড়ল

    কিলোমিটারে ২০ পয়সা বাড়তে পারে বাসভাড়া

    কিলোমিটারে ২০ পয়সা বাড়তে পারে বাসভাড়া

    চীন-পাকিস্তান সীমান্ত সমঝোতায় ভারত কেন অস্বস্তিতে

    চীন-পাকিস্তান সীমান্ত সমঝোতায় ভারত কেন অস্বস্তিতে

    আমার মেয়ের পরিণতির জন্য ওবায়দুর দায়ী : মরিয়মের বাবা

    আমার মেয়ের পরিণতির জন্য ওবায়দুর দায়ী : মরিয়মের বাবা

    আজমুল হত্যা: মেস ম্যানেজার মেহেদীকে খুঁজছে পুলিশ

    আজমুল হত্যা: মেস ম্যানেজার মেহেদীকে খুঁজছে পুলিশ

    কল্পনাকে হার মানানো নিষ্ঠুরতার শিকার কোমলমতিরা

    কল্পনাকে হার মানানো নিষ্ঠুরতার শিকার কোমলমতিরা

    আবারও জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক হলেন তানজিম ওয়াহাব

    আবারও জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক হলেন তানজিম ওয়াহাব

    দ্বিতীয় স্ত্রীর আত্মহত্যা: এমপি নজরুল, প্রথম স্ত্রী দুজনই রিমান্ডে

    দ্বিতীয় স্ত্রীর আত্মহত্যা: এমপি নজরুল, প্রথম স্ত্রী দুজনই রিমান্ডে

    কুমিল্লায় মা-ভাতিজিকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে যুবক আটক

    কুমিল্লায় মা-ভাতিজিকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে যুবক আটক