Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
জৌলুশ ছেড়ে গ্রামের স্কুলে নায়লা
বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় যুক্তরাষ্ট্র

ট্রাম্পের জাদু কোথায়—রাজনীতিতে, নাকি কথার খেলায়?

হারিসুল ইসলাম সজীব, নিউইয়র্ক থেকে
agamir somoy
প্রকাশ: ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২২:১২
ট্রাম্পের জাদু কোথায়—রাজনীতিতে, নাকি কথার খেলায়?

রাজনীতিক ট্রাম্প নিজের নামকে কেন্দ্র করে তৈরি করেছেন একটি রাজনৈতিক ব্র্যান্ড।

ডোনাল্ড ট্রাম্প মঞ্চে উঠলেই দৃশ্যটা বদলে যায়। স্লোগান, হাততালি, হাসি, ব্যঙ্গ আর উচ্ছ্বাসে নির্বাচনী সমাবেশ অনেক সময় প্রার্থীর প্রচারণার চেয়ে ট্রাম্পকে ঘিরেই বড় হয়ে ওঠে। প্রশ্ন তখন শুধু প্রার্থী কে বা তার নীতি কী—প্রশ্ন হয়ে দাঁড়ায়, ট্রাম্প কী বললেন।

৭ অক্টোবর রাতে টেক্সাসের সান আন্তোনিওতে রিপাবলিকান সিনেট প্রার্থী কেন প্যাক্সটনের পক্ষে প্রচারে গিয়ে আবারও সেই পরিচিত ট্রাম্পকে দেখা গেল। এক মাসের মধ্যে টেক্সাসে এটি ছিল তার তৃতীয় সফর।

টেক্সাস ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পকে ১৪ শতাংশ পয়েন্টে জয় দিয়েছিল। তারপরও ২০২৬ সালের সিনেট নির্বাচনকে ঘিরে রিপাবলিকানরা সেখানে বাড়তি শক্তি প্রয়োগ করছে। প্যাক্সটনের সঙ্গে ডেমোক্র্যাট জেমস টালারিকোর লড়াই যতটা প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হচ্ছে, ট্রাম্পের উপস্থিতির প্রয়োজনীয়তাও ততটাই স্পষ্ট হচ্ছে।

তাহলে প্রশ্নটা শুধু প্যাক্সটন জিতবেন কি না, তা নয়। প্রশ্ন হলো—ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা কি এখনও এমন পর্যায়ে আছে যে তাঁর উপস্থিতি একটি কঠিন নির্বাচনী লড়াইয়ের গতিপথ বদলে দিতে পারে?

এর উত্তর খুঁজতে হলে ট্রাম্পের রাজনীতির একটি বিশেষ দিক বুঝতে হবে—তিনি শুধু রাজনৈতিক বার্তা দেন না, তিনি নিজেকেও সেই বার্তার অংশ বানান।

নিজের দক্ষতা সম্পর্কে একবার ট্রাম্প বলেছিলেন, “What I do best in life is build. I build buildings really well.”

নিউইয়র্কের রিয়েল এস্টেট ব্যবসা থেকে তৈরি হয়েছিল তার পরিচিতি। রাজনীতিতে এসে সেই নির্মাণের ধরন বদলেছে। এবার তিনি ভবন নয়, একটি রাজনৈতিক ব্র্যান্ড তৈরি করেছেন।

‘America First’, ‘MAGA’, ‘Win’, ‘Best’—ছোট, সহজ এবং দ্রুত মনে থাকার মতো শব্দ তার বক্তব্যের নিয়মিত অংশ। জটিল রাজনৈতিক অবস্থানকে তিনি কয়েকটি পরিচিত শব্দে নামিয়ে আনতে পারেন। ফলে তাঁর বক্তব্যের প্রভাব অনেক সময় তথ্যের পরিমাণে নয়, বার্তাটি কত দ্রুত মানুষের কাছে পৌঁছায়, সেখানে।

ট্রাম্পের ভাষার আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো ব্যক্তিগতকরণ। তিনি নিজের সাফল্যের কথা বলেন, প্রতিপক্ষকে আক্রমণ করেন, গল্প বলেন, রসিকতা করেন। মাঝেমধ্যে একটি বিষয় থেকে অন্য বিষয়ে চলে যান। আবার আগের প্রসঙ্গে ফিরে আসেন।

নিজের এই বক্তৃতার ধরনকে তিনি ‘দ্য উইভ’ নামে ব্যাখ্যা করেছেন। ২০২৪ সালের প্রচারণায় তার বক্তব্যে এই প্রবণতা স্পষ্ট ছিল। একটি বক্তৃতায় অর্থনীতি থেকে অভিবাসন, সেখান থেকে নিজের ব্যবসা, এরপর প্রতিপক্ষের সমালোচনা—বিষয় বদলাতে থাকে দ্রুত। শ্রোতার কাছে পরের কথাটি কী হবে, সেটি সবসময় অনুমান করা সহজ নয়।

এটাই হয়তো ট্রাম্পের মঞ্চের বড় শক্তি। তার সমাবেশে দর্শক শুধু বক্তব্য শুনে বসে থাকে না; প্রতিক্রিয়াও বক্তৃতার অংশ হয়ে যায়।

সান আন্তোনিওতেও তার উদাহরণ দেখা গেছে। ট্রাম্প ও প্যাক্সটন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জেমস টালারিকোকে আক্রমণ করেন। প্যাক্সটনের অনুপস্থিতি নিয়েও সমর্থকদের সামনে কথা হয়। টালারিকোর প্রচারশিবির জানিয়েছে, তিনি ফ্লুতে আক্রান্ত ছিলেন এবং শিগগির প্রচারে ফেরার কথা ছিল।

ট্রাম্পের উপস্থিতি তাই প্যাক্সটনের প্রচারণাকে শুধু স্থানীয় একটি সিনেট লড়াই হিসেবে রাখছে না। এটিকে জাতীয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত করছে।

টেক্সাস বহুদিন ধরে রিপাবলিকানদের শক্ত ঘাঁটি। কিন্তু এবার সেই নিশ্চয়তায় চাপ তৈরি হয়েছে। সাম্প্রতিক এক জরিপে সম্ভাব্য ভোটারদের মধ্যে টালারিকো ৫১ শতাংশ এবং প্যাক্সটন ৪৫ শতাংশ সমর্থন পেয়েছেন। এই ব্যবধানই ব্যাখ্যা করছে কেন ট্রাম্পকে বারবার টেক্সাসে নামতে হচ্ছে।

সিনেটে রিপাবলিকান সংখ্যাগরিষ্ঠতা খুব বড় ব্যবধানে নয়। টেক্সাসের মতো দীর্ঘদিনের রিপাবলিকান ঘাঁটিতে একটি আসন হারানো সেই হিসাবকে আরও কঠিন করে দিতে পারে। ফলে প্যাক্সটনের প্রচারণায় ট্রাম্পের উপস্থিতি একই সঙ্গে ভোটারদের উজ্জীবিত করা এবং দলের সমর্থকদের মাঠে ধরে রাখার চেষ্টা।

কিন্তু ট্রাম্পের রাজনৈতিক শক্তির সঙ্গে একটি ঝুঁকিও আছে। তিনি যেমন নিজের সমর্থকদের একত্র করতে পারেন, তেমনি বিরোধীদেরও সক্রিয় করতে পারেন। সান আন্তোনিওর সমাবেশে প্রতিবাদকারীরা তাঁর বক্তব্যে বাধা দেন। সমর্থকেরা স্লোগান দিয়ে তাঁদের আওয়াজ ঢাকার চেষ্টা করেন।

অর্থাৎ ট্রাম্পের উপস্থিতি ভোটের রাজনীতিতে দুই ধরনের শক্তি তৈরি করতে পারে—সমর্থকদের উৎসাহ এবং বিরোধীদের প্রতিরোধ। টেক্সাসে অর্থনীতির বিষয়টিও সেই সমীকরণকে কঠিন করছে।

২০২৪ সালে ট্রাম্প রাজ্যটিতে ১৪ পয়েন্টে জিতেছিলেন। এবার মূল্যস্ফীতি, জ্বালানি ব্যয় ও ইরান যুদ্ধের প্রভাব নিয়ে ভোটারদের অসন্তোষ রিপাবলিকান প্রার্থীর জন্য নতুন চাপ তৈরি করছে। হিস্পানিক ভোটারদের মধ্যেও ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা নিয়ে সাম্প্রতিক জরিপগুলোতে চাপের ইঙ্গিত রয়েছে।

প্যাক্সটনের প্রচারণায় তাই শুধু ‘ট্রাম্প’ যথেষ্ট নয়। ইরান যুদ্ধ, গ্যাস-ডিজেলের দাম এবং অর্থনীতির প্রশ্নেও ভোটারদের জবাব দিতে হচ্ছে। এখানেই ট্রাম্পের রাজনৈতিক জাদুর সীমাটাও সামনে আসে।

তিনি মানুষের মনোযোগ টানতে পারেন। সমর্থকদের উত্তেজিত করতে পারেন। স্থানীয় একটি নির্বাচনী প্রচারণাকে জাতীয় আলোচনায় নিয়ে আসতে পারেন। কিন্তু সেই আবেগ ভোটে কতটা রূপান্তরিত হবে, তার ওপর তাঁর প্রভাবের আসল মূল্যায়ন নির্ভর করবে।

কারণ শেষ পর্যন্ত ভোটার মঞ্চে শুধু বক্তৃতা শুনে সিদ্ধান্ত নেন না। নিজের পকেট, জীবনযাত্রার ব্যয়, জ্বালানি ও অর্থনীতির অবস্থাও হিসাব করেন। তবু ট্রাম্পের একটি সুবিধা অন্য অনেক রাজনীতিকের নেই।

সাধারণত কোনো প্রার্থীর সমাবেশে মানুষ প্রার্থীকে দেখতে আসে। ট্রাম্পের সমাবেশে অনেক মানুষ ট্রাম্পকে দেখতেই আসে। এই পার্থক্যটাই তার রাজনৈতিক ব্র্যান্ডের শক্তি।

তিনি যখন প্যাক্সটনের হয়ে কথা বলেন, তখন প্যাক্সটনের পরিচয়ের সঙ্গে নিজের পরিচয়ও জুড়ে দেন। একইভাবে অন্য অঙ্গরাজ্যে রিপাবলিকান প্রার্থীদের পক্ষে দাঁড়িয়েও তিনি নিজের রাজনৈতিক জনপ্রিয়তাকে নির্বাচনী সম্পদ হিসেবে ব্যবহার করছেন।

২০১৫ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের রাজনীতিতে প্রবেশের পর থেকেই এই ধরনটি তাঁর রাজনৈতিক পরিচয়ের অংশ হয়ে গেছে। ট্রাম্পের বক্তব্যে নীতি, ব্যক্তিগত গল্প, প্রতিপক্ষের সমালোচনা, অর্থনীতি, অভিবাসন ও রসিকতা একই মঞ্চে চলে আসে।

এই অপ্রত্যাশিত গতি তার বক্তব্যকে দীর্ঘ সময় ধরে শ্রোতাদের মনোযোগে রাখে। ট্রাম্পের সমাবেশ তাই অনেক সময় নীতির ধারাবাহিক বক্তৃতার চেয়ে একটি সরাসরি রাজনৈতিক অভিজ্ঞতায় পরিণত হয়।
এখানেই ব্যবসায়ী ট্রাম্প আর রাজনৈতিক ট্রাম্পের মধ্যে একটি মিল পাওয়া যায়।

ব্যবসায়ী ট্রাম্প ভবন তৈরি করেছেন। রাজনীতিক ট্রাম্প তৈরি করেছেন নিজের নামকে কেন্দ্র করে একটি রাজনৈতিক ব্র্যান্ড।

আর সেই ব্র্যান্ডের সবচেয়ে বড় সম্পদ হয়তো কোনো স্লোগানও নয়—মানুষের মনোযোগ ধরে রাখার ক্ষমতা।
তাই ট্রাম্পের রাজনৈতিক শক্তিকে শুধু ‘কথার খেলা’ বললে পুরো চিত্র পাওয়া যায় না। তার বক্তব্যের ধরন, রাজনৈতিক অবস্থান, ব্যক্তিত্ব এবং সমর্থকদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ—সব মিলিয়েই তাঁর প্রভাব তৈরি হয়েছে।
তবে সেই প্রভাবের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা মঞ্চে নয়, ব্যালট বাক্সে।

প্রশ্নটা তাই থেকেই যায়—মানুষ কি ট্রাম্পের রাজনীতি শুনতে সমাবেশে যায়, নাকি ট্রাম্পকে শুনতেই রাজনীতির সমাবেশে যায়?

সম্ভবত ট্রাম্পের রাজনৈতিক জাদুর উত্তর এই দুইয়ের মাঝখানেই।

ডোনাল্ড ট্রাম্প
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে চট্টগ্রামে মামলা প্রত্যাহার করলেন বাদী

    শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে চট্টগ্রামে মামলা প্রত্যাহার করলেন বাদী

    ডেঙ্গু সামলাতে অনুমোদন পাচ্ছে ‘কিউডেঙ্গা’ টিকা

    ডেঙ্গু সামলাতে অনুমোদন পাচ্ছে ‘কিউডেঙ্গা’ টিকা

    প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন শাবিপ্রবির ১৮ শিক্ষার্থী

    প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন শাবিপ্রবির ১৮ শিক্ষার্থী

    বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতা মাহদীকে

    বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতা মাহদীকে

    ছাত্র অধিকারকর্মীকে নির্যাতনের পর অপহরণচেষ্টা, ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ

    ছাত্র অধিকারকর্মীকে নির্যাতনের পর অপহরণচেষ্টা, ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ

    নানার মৃত্যুতে তনুশ্রী বললেন ‘ইভিল ডেডের পেছনে ছুটবে মিডিয়া’

    নানার মৃত্যুতে তনুশ্রী বললেন ‘ইভিল ডেডের পেছনে ছুটবে মিডিয়া’

    সেই চোখ, সে চিৎকার এবং সে নীরবতা

    সেই চোখ, সে চিৎকার এবং সে নীরবতা

    বিনিয়োগ পরামর্শে আসছে লাইসেন্সধারী আর্থিক পরামর্শক: বিএসইসি কমিশনার

    বিনিয়োগ পরামর্শে আসছে লাইসেন্সধারী আর্থিক পরামর্শক: বিএসইসি কমিশনার

    নথিতে পাকা সড়ক, বাস্তবে কাঁচা, বরাদ্দের ৩৩ লাখ টাকা গেল কোথায়?

    নথিতে পাকা সড়ক, বাস্তবে কাঁচা, বরাদ্দের ৩৩ লাখ টাকা গেল কোথায়?

    ব্যাগ হারিয়ে রেলস্টেশনে বসে কাঁদছিলেন জার্মান পর্যটক

    ব্যাগ হারিয়ে রেলস্টেশনে বসে কাঁদছিলেন জার্মান পর্যটক

    কুড়িগ্রামে জমি নিয়ে বিরোধে সাংবাদিকের মা-বাবার ওপর হামলা

    কুড়িগ্রামে জমি নিয়ে বিরোধে সাংবাদিকের মা-বাবার ওপর হামলা

    বিএসইসির ১২ নির্বাহী পরিচালকের দায়িত্বে বড় রদবদল

    বিএসইসির ১২ নির্বাহী পরিচালকের দায়িত্বে বড় রদবদল

    রোগীর কেনা ওষুধ অপারেশন থিয়েটার থেকে যেভাবে ফেরে ফার্মেসিতে

    রোগীর কেনা ওষুধ অপারেশন থিয়েটার থেকে যেভাবে ফেরে ফার্মেসিতে

    সেই ‘বিহারি বগা’র কাছে শেষ পর্যন্ত চেয়ার হারালেন ওসি রহিম

    সেই ‘বিহারি বগা’র কাছে শেষ পর্যন্ত চেয়ার হারালেন ওসি রহিম

    আপনাকে রুমে ঢোকার সাহস কে দিয়েছে, সাংবাদিককে শিক্ষক

    আপনাকে রুমে ঢোকার সাহস কে দিয়েছে, সাংবাদিককে শিক্ষক