ইরান-লেবানন ইস্যুতে কি বিভক্ত ট্রাম্প প্রশাসন?

হোয়াইট হাউসের কাছে অবস্থিত আইজেনহাওয়ার এক্সিকিউটিভ অফিস থেকে একসঙ্গে বের হয়ে যাচ্ছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। ছবি : সংগৃহীত
ইরানের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করায় ইসরায়েলপন্থী রাজনীতিবিদ এবং সমালোচকদের তোপের মুখে পড়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
তবে কয়েক মাস ধরে চলা এই যুদ্ধ শেষ করার লক্ষ্যে হওয়া এই চুক্তিটির পক্ষে এবার গণমাধ্যমে জোর প্রচারণায় নেমেছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।
সুইজারল্যান্ডে ইরানের সঙ্গে আলোচনার নেতৃত্ব দেওয়া জেডি ভ্যান্স এই সমঝোতা স্মারককে ভালো অগ্রগতি বলে স্বাগত জানিয়েছেন।
জেডি ভ্যান্সের মতে, চূড়ান্ত চুক্তির জন্য এটি খুবই ভালো একটি ভিত্তি তৈরি করেছে। একই সঙ্গে, এই চুক্তির বিষয়ে ইসরায়েলিদের প্রকাশ্য বিরোধিতার কড়া সমালোচনা করেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট।
ইসরায়েলিদের উদ্দেশে ভ্যান্স বলেছেন, ‘আপনাদের দেশের জনসংখ্যা মাত্র ৯০ লাখ। মনে রাখবেন, যেকোনো জাতীয় নিরাপত্তা সংকটের সমাধান কেবল মানুষ মেরে বা যুদ্ধ চালিয়ে হতে পারে না।’
অন্যদিকে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ভ্যান্সের সম্পূর্ণ বিপরীত অবস্থান নিয়েছেন। তিনি ইসরায়েলের কোনো প্রকাশ্য সমালোচনা করা থেকে বিরত থেকে উল্টো ইরান সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন।
সাংবাদিকরা ভ্যান্সের করা ওই সমালোচনার বিষয়ে রুবির কাছে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। এর পরিবর্তে তিনি চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে ইসরায়েলি একটি চেকপয়েন্টে হিজবুল্লাহর হামলার ঘটনাটি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন।
ভিন্ন ধারার পররাষ্ট্রনীতির কারণে জেডি ভ্যান্স এবং মার্কো রুবিওর মধ্যকার আদর্শিক দূরত্ব বেশ পুরোনো।
তবে এই দুই শীর্ষ কর্মকর্তার মধ্যে দূরত্ব তৈরি হওয়ার বিষয়টি সরাসরি অস্বীকার করেছে হোয়াইট হাউস। মার্কিন প্রশাসন জানিয়েছে, ইরান ও লেবানন ইস্যুতে ভ্যান্স এবং রুবিওর মধ্যে কোনো বিভেদ নেই।
সূত্র : আলজাজিরা





