Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় পাকিস্তান

জিন্নাহর মরণব্যাধি গোপন রাখায় দুই ভারতীয় চিকিৎসককে পাকিস্তানের সর্বোচ্চ সম্মান

আগামীর সময় ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ১৮ আগস্ট ২০২৬, ১৭:২১
জিন্নাহর মরণব্যাধি গোপন রাখায় দুই ভারতীয় চিকিৎসককে পাকিস্তানের সর্বোচ্চ সম্মান

মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ ও মহাত্মা গান্ধী

১৯৪৭ সালে ভারত ভাগের ঠিক আগে মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর শরীরে বাসা বেঁধেছিল ভয়াবহ যক্ষ্মা। চিকিৎসকরা জানতেন, তার হাতে সময় খুব বেশি নেই। কিন্তু সেই খবর প্রকাশ করেননি বোম্বের (বর্তমান মুম্বাই) দুই পারসি চিকিৎসক। তাদের ধারণা ছিল, জিন্নাহ দু-এক বছরের বেশি বাঁচবেন না। জিন্নাহর অসুস্থতার সেই গোপন তথ্য হয়তো ভারত ভাগের ইতিহাসও বদলে দিতে পারত। ৭৮ বছর পর সেই গোপনীয়তা রক্ষার জন্য দুই চিকিৎসককে পাকিস্তানের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান ‘নিশান-ই-ইমতিয়াজ’ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসলামাবাদ।

জিন্নাহর শেষ পর্যায়ের অসুস্থতার তথ্য শুধু তার ঘনিষ্ঠ কয়েকজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে অবদান রাখায় চিকিৎসক ডা. জাল রতনজি প্যাটেল এবং রেডিওলজিস্ট ডা. জাল ধায়ভো-কুকে নিশান-ই-ইমতিয়াজ দেওয়ার জন্য মনোনীত করেছে পাকিস্তান। পুরস্কার কমিটির প্রধান ও পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও বিশেষ উদ্যোগবিষয়ক ফেডারেলমন্ত্রী আহসান ইকবাল দিয়েছেন এ ঘোষণা।

এক্সে দেওয়া এক পোস্টে আহসান ইকবাল জানান, ১৯৪৬ সালে ডা. প্যাটেল ও ডা. ধায়ভো-কু জিন্নাহর এক্স-রে পরীক্ষা করে জানতে পারেন, তার যক্ষ্মা গুরুতর পর্যায়ে পৌঁছেছে এবং তার হাতে আর মাত্র দু-এক বছর সময় রয়েছে। তবে তারা তার অসুস্থতার ভয়াবহতা সম্পর্কে পেশাগত গোপনীয়তা বজায় রাখেন। অনেক ইতিহাসবিদের মতে, এই তথ্য প্রকাশ পেলে দেশভাগ এবং পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার সময়কালই বদলে যেতে পারত।

আহসান ইকবাল লিখেছেন, ‘পুরস্কার কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দুই অসাধারণ চিকিৎসককে নিশান-ই-ইমতিয়াজের জন্য মনোনীত করার সুযোগ পেয়ে আমি সম্মানিত বোধ করছি। একজন চিকিৎসক ও অন্যজন রেডিওলজিস্ট- দুজনই বোম্বের পারসি সম্প্রদায়ের সদস্য। তারা বিশ্বস্ততার সঙ্গে কায়েদে আজম মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর প্রাণঘাতী অসুস্থতার তথ্য গোপন রেখেছিলেন।’

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বেড়েছে পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কায়, উল্টো চিত্র ভারতে

১৬ আগস্ট ২০২৬

তিনি আরও লিখেছেন, ‘এত গুরুত্বপূর্ণ একটি সময়ে পরম পেশাগত গোপনীয়তা বজায় রেখে এই চিকিৎসকরা নীরব; কিন্তু অসাধারণ সেবা করেছেন। পেশাগত শপথের প্রতি তাদের বিশ্বস্ততা অনিচ্ছাকৃতভাবেই এমন কিছু পরিস্থিতি তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল, যা পাকিস্তান প্রতিষ্ঠাকে সম্ভব করে তুলেছিল।’

জিন্নাহর মৃত্যুর ৭৮ বছর পর ডা. প্যাটেল ও ডা. ধায়ভো-কুকে এই সম্মান দেওয়া হচ্ছে। ২০২৭ সালের মার্চে একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মরণোত্তরভাবে তাদের এ পুরস্কার দেওয়া হবে।

পাকিস্তানের মন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, ব্রিটিশ ভারতের শেষ ভাইসরয় লর্ড মাউন্টব্যাটেন পরে স্বীকার করেছিলেন, জিন্নাহ কতটা গুরুতর অসুস্থ ছিলেন তা তিনি জানলে হয়তো দেশভাগ পিছিয়ে দিতেন। এতে ইতিহাসের গতিপথ ভিন্ন হতে পারত।

সে সময় যক্ষ্মা ছিল অত্যন্ত প্রাণঘাতী একটি রোগ। কার্যকর অ্যান্টিবায়োটিক চিকিৎসাও তখন ছিল না। জিন্নাহ তার অসুস্থতার গুরুতর অবস্থার কথা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে গোপন রেখেছিলেন বলে জানা যায়। তার আশঙ্কা ছিল, এ তথ্য প্রকাশ পেলে তার রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ও নেতৃত্ব দুর্বল হয়ে পড়তে পারে।

১৯৪৭ সালে ভারত ভাগের সময় জিন্নাহর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়। দেশভাগের মাত্র এক বছরের কিছু বেশি সময় পর, ১৯৪৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ফুসফুসের যক্ষ্মায় মারা যান তিনি।

সূত্র : এনডিটিভি



মুহাম্মদ আলী জিন্নাহভারত ভাগপাকিস্তাননিশান ই ইমতিয়াজ
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    ফেনীর সেই দুর্ঘটনার স্থানে ফুট ওভারব্রিজ নির্মাণে মন্ত্রীর চিঠি

    ফেনীর সেই দুর্ঘটনার স্থানে ফুট ওভারব্রিজ নির্মাণে মন্ত্রীর চিঠি

    ১৭ আগস্ট ২০২৬, ১৯:৪১

    ছয় মাসে সরকারের গতি ও অগ্রগতি হতাশাজনক : এবি পার্টি

    ছয় মাসে সরকারের গতি ও অগ্রগতি হতাশাজনক : এবি পার্টি

    ১৭ আগস্ট ২০২৬, ২০:১৩

    তহশিলদার খাজনা নিয়েছেন ৭ হাজার, রশিদে লিখলেন ৭৩৮ টাকা

    তহশিলদার খাজনা নিয়েছেন ৭ হাজার, রশিদে লিখলেন ৭৩৮ টাকা

    ১৭ আগস্ট ২০২৬, ২০:৩৯

    দেশে ফিরলে শেখ হাসিনা আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ পাবেন

    দেশে ফিরলে শেখ হাসিনা আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ পাবেন

    ১৭ আগস্ট ২০২৬, ২০:২০

    ‘ওমান বাধা দিলে বোমা মারব’, হুমকি ট্রাম্পের

    ‘ওমান বাধা দিলে বোমা মারব’, হুমকি ট্রাম্পের

    ১৭ আগস্ট ২০২৬, ২০:২১

    ডেভিড ইমন ফের রিমান্ডে

    ডেভিড ইমন ফের রিমান্ডে

    ১৭ আগস্ট ২০২৬, ১৯:৪৯

    জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করায় ৭ আইন কর্মকর্তার পদত্যাগ

    জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করায় ৭ আইন কর্মকর্তার পদত্যাগ

    ১৭ আগস্ট ২০২৬, ১৯:৫২

    ঈশ্বরদীতে ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধা নিহত

    ঈশ্বরদীতে ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধা নিহত

    ১৭ আগস্ট ২০২৬, ২০:৩৮

    নির্ধারিত সময়ে শেষ হয়নি কাজ, ব্যয় বাড়ছে ২০২ কোটি টাকা

    নির্ধারিত সময়ে শেষ হয়নি কাজ, ব্যয় বাড়ছে ২০২ কোটি টাকা

    ১৭ আগস্ট ২০২৬, ২০:৩৬

    কাপ্তাইয়ে বিরল ‘হোয়াইট-বার্ড কুকরি’ সাপ উদ্ধার

    কাপ্তাইয়ে বিরল ‘হোয়াইট-বার্ড কুকরি’ সাপ উদ্ধার

    ১৭ আগস্ট ২০২৬, ২০:০৯

    অটোরিকশায় এসে প্রকাশ্যে ছাত্রদলকর্মীকে গুলি

    অটোরিকশায় এসে প্রকাশ্যে ছাত্রদলকর্মীকে গুলি

    ১৭ আগস্ট ২০২৬, ২০:৪০

    দুর্ঘটনার তিন দিন পর জাহাজে বিশেষায়িত তদন্ত দল

    দুর্ঘটনার তিন দিন পর জাহাজে বিশেষায়িত তদন্ত দল

    ১৭ আগস্ট ২০২৬, ২০:০৮

    সড়কে পড়ে ছিল বিদ্যুতের তার, প্রাণ গেল কৃষকের

    সড়কে পড়ে ছিল বিদ্যুতের তার, প্রাণ গেল কৃষকের

    ১৭ আগস্ট ২০২৬, ২০:০৫

    ভাইকে বাঁচাতে কিডনি দিয়েছিলেন বোন, ফের সংকট

    ভাইকে বাঁচাতে কিডনি দিয়েছিলেন বোন, ফের সংকট

    ১৭ আগস্ট ২০২৬, ২০:৪৪

    মনোহরগঞ্জে পল্লী বিদ্যুতের ভুতুড়ে বিল, সঙ্গে তীব্র লোডশেডিং

    মনোহরগঞ্জে পল্লী বিদ্যুতের ভুতুড়ে বিল, সঙ্গে তীব্র লোডশেডিং

    ১৭ আগস্ট ২০২৬, ২১:০৯

    advertiseadvertise