হামলায় ইসরায়েলের প্রতিক্রিয়া
‘গুরুতর ভুল’ করেছে ইরান, গাজা ক্রসিং বন্ধ ঘোষণা

সংগৃহীত ছবি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হামলা চালিয়ে ‘গুরুতর ভুল’ করেছে ইরান। এ মন্তব্য করেছেন ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র এফি ডেফ্রিন। এ তথ্য নিশ্চিত করেছে বার্তাসংস্থা আল-জাজিরা।
ইসরায়েলের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র এফি ডেফ্রিন বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি মূল্যায়ন করছেন ইসরায়েলের সেনাপ্রধান, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা অনুমোদনও করবেন তিনি। তার ভাষ্য, ‘পুরো লেবাননজুড়ে অভিযান অব্যাহত রাখবে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। যেকোনও হামলার জন্য প্রস্তুত আমরা।’
অন্যদিকে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর নিরাপত্তাজনিত কারণে গাজার সঙ্গে সব ক্রসিং বন্ধ করে দিয়েছে ইসরায়েল। দেশটির সরকারি সংস্থা সিওজিএটি এক বিবৃতিতে জানায়, হামলার পর প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা হিসেবে নেওয়া হয়েছে এই সিদ্ধান্ত।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ইরানের পক্ষ থেকে ইসরায়েল রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর নেওয়া হয়েছে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এরই প্রেক্ষিতে বন্ধ করা হয়েছে গাজা উপত্যকায় প্রবেশের সব ক্রসিং, যা কার্যকর থাকবে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত।’
এর আগে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছিল, ইরান থেকে দেশটির দিকে নিক্ষেপ করা হয়েছে ক্ষেপণাস্ত্র। হামলার পর ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তা প্রতিহত করতে সক্রিয় হয়। পরে সেনাবাহিনী দাবি করে, ইরান থেকে ছোড়া সব ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করা হয়েছে, তবে একই সঙ্গে নতুন করে আরও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ শনাক্তের কথাও জানানো হয়।
ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর উত্তর ইসরায়েলের হাইফাসহ বিভিন্ন এলাকায় বেজে ওঠে সতর্কতামূলক সাইরেন। এর কিছুক্ষণ আগেই ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছিল, বৈরুতের দক্ষিণ উপশহরে তাদের প্রাণঘাতী হামলার পরবর্তী কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইসরায়েলের দিকে হামলার আশঙ্কা রয়েছে। ওই হামলার প্রতিশোধ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন ইরানি কর্মকর্তারাও।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে বিশ্লেষকরা বলছেন, লেবাননকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর কূটনৈতিক চাপ তৈরির চেষ্টা করছে ইসরায়েল ও ইরান দুই পক্ষই।







