ট্রাম্প-নেতানিয়াহু ফোনালাপ
যেকোনো হুমকিতে স্বাধীনভাবে পদক্ষেপ নেবে ইসরায়েল

ছবি: রয়টার্স
লেবাননসহ যেকোনো হুমকির বিরুদ্ধে স্বাধীনভাবে পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষমতা বজায় রাখবে ইসরায়েল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে এমনটাই বলেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। শনিবার ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে উদীয়মান চুক্তি নিয়ে দুই নেতার ফোনালাপে তিনি এ কথা বলেন। জানিয়েছে এক ইসরায়েলি সূত্র।
ট্রাম্প বলেছেন, শান্তিচুক্তি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান ‘আলোচনা সম্পন্ন’ করেছে। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় হওয়া এই সমঝোতা স্মারকের আওতায় গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়া হবে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ইসরায়েলি রাজনৈতিক সূত্র রয়টার্সকে রবিবার জানায়, ‘গত রাতের ফোনালাপে প্রধানমন্ত্রী ট্রাম্পকে জোর দিয়ে বলেছেন, লেবাননসহ সব ক্ষেত্রেই হুমকির বিরুদ্ধে ইসরায়েল স্বাধীনভাবে পদক্ষেপ নেওয়ার অধিকার বজায় রাখবে। এই নীতির প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও।’
ট্রাম্প হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়ার বিষয়ে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় একটি সম্ভাব্য চুক্তির কথা বলার পর তিন মাস ধরে চলা যুদ্ধের অবসানে জোরালো হয়েছে অগ্রগতির আশা।
ইরানের ফার্স নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, খসড়া চুক্তিতে বলা হয়েছে—যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা ইরান বা তার মিত্রদের ওপর হামলা চালাবে না। এর বিনিময়ে তাদের বিরুদ্ধে আগাম হামলা চালাবে না বলে অঙ্গীকার করবে ইরানও।
ইসরায়েলের প্রভাবশালী রাজনীতিক বেনি গ্যান্টজ বলেছেন, ইরানের সঙ্গে কোনো চুক্তির অংশ হিসেবে লেবাননে যুদ্ধবিরতি মেনে নেওয়া ইসরায়েলের জন্য কৌশলগত ভুল হবে। বর্তমানে সেখানে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে ইসরায়েলি সেনারা।
ইসরায়েলি সূত্রটির মতে, ইরানের সঙ্গে আলোচনার অগ্রগতি সম্পর্কে ইসরায়েলকে নিয়মিত অবহিত করছে যুক্তরাষ্ট্র।
সূত্রটি আরও জানায়, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্পষ্ট করেছেন, তিনি আলোচনায় তার দীর্ঘদিনের অবস্থানে অনড় থাকবেন—ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ভেঙে ফেলা এবং তাদের ভূখণ্ড থেকে সব সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সরিয়ে নেওয়ার দাবিতে। এসব শর্ত পূরণ না হলে তিনি কোনো চূড়ান্ত চুক্তিতে সই করবেন না।’
ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, তার ‘খুব ভালো’ ফোনালাপ হয়েছে নেতানিয়াহুর সঙ্গে।






