হরমুজে বিস্ফোরণ, জাহাজ চলাচল কমেছে ৭৭ শতাংশ
- ওমান উপকূলে বিস্ফোরণ
- জাহাজ চলাচলে সতর্কতা
- আটটি তেলবাহী সৌদি জাহাজের গতিপথ পরিবর্তনের দাবি হুথির
- হরমুজে জাহাজ চলাচল আশঙ্কাজনক হারে কমেছে
- বাব আল-মান্দাবে চলাচল তুলনামূলক স্থিতিশীল
- প্রণালি দিয়ে ফি নেওয়ার খবর অস্বীকার হুথির
- ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আরাঘচির ফোনালাপ
- ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নিচ্ছে না ব্রিটেন
- যুদ্ধ জিতেছে তেহরান, দাবি ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকারের

পুরনো ছবি/ রয়টার্স
ওমান উপকূলের খাসাব এলাকার উত্তর-পূর্ব থেকে প্রায় ৩৯ কিলোমিটার দূরে একটি তেলবাহী জাহাজের কাছাকাছি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে পানিতে বড় ধরনের ঝাপটা দেখা গেছে।
যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) জানিয়েছে, স্থানীয় সময় শনিবার ভোরের দিকে এ ঘটনা ঘটে। তবে, জাহাজটির কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
কর্তৃপক্ষ ঘটনাটি তদন্ত করছে। ওই এলাকায় চলাচলকারী জাহাজগুলোকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে ইয়েমেনের হুথি মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি বলেছেন, সৌদি আরবের আটটি তেলবাহী জাহাজকে তারা গতিপথ পরিবর্তন করতে বাধ্য করেছে। তবে কখন এসব ঘটনা ঘটেছে, তা তিনি জানাননি। ২০ জুলাই সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ ঘোষণা করে হুথিরা।
জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান কেপলারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বৃহস্পতিবার ৭৭ শতাংশ কমে পাঁচটিতে নেমেছে। আগের দিন এই সংখ্যা ছিল ২২টি।
অন্যদিকে বাব আল-মান্দাব প্রণালিতে চলাচল তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছে। মঙ্গলবার, বুধবার ও বৃহস্পতিবার যথাক্রমে ৪১, ৩৯ ও ৪৭টি জাহাজ ওই প্রণালি অতিক্রম করেছে।
কেপলার বলেছে, এতে মধ্যপ্রাচ্যের দুটি গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে জাহাজ চলাচলের মধ্যে ক্রমবর্ধমান পার্থক্য দেখা যাচ্ছে।
হুথিরা অবশ্য বাব আল-মান্দাব দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে কোনো ফি নেওয়ার পরিকল্পনার খবর অস্বীকার করেছে। তাদের নিয়ন্ত্রিত মানবিক কার্যক্রম সমন্বয় কেন্দ্র জানিয়েছে, ওই প্রণালি দিয়ে চলাচল ‘বিনামূল্যে’ এবং নিষেধাজ্ঞার আওতায় না থাকা জাহাজ নিরাপদে চলাচল করতে পারবে।
এদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ব্রিটেনের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরকে (আইআরজিসি) রাষ্ট্রীয় হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করার সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়েছেন। ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ডের সঙ্গে ফোনালাপে তিনি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ব্রিটেনের ভূমিকারও সমালোচনা করেছেন।
আরাঘচি বলেছেন, আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতার প্রধান কারণ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসন। তিনি হরমুজ প্রণালির জাহাজ চলাচল ব্যবস্থাপনায় ওমানের সঙ্গে ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়ে ইরানের দৃঢ়তার কথাও জানিয়েছেন।
অন্যদিকে মিলিব্যান্ড বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ব্রিটেন অংশ নিচ্ছে না এবং উত্তেজনা কমাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় যুক্তরাজ্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার ও প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, ইরান যুদ্ধে জয়ী হয়েছে। তবে এই জয়কে আরও সুসংহত করতে হবে। তিনি দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ ধরে রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।




