ইন্দো-তিব্বতীয় সীমান্ত পুলিশ প্রধানের বোমা ফাটানো মন্তব্য
অরুণাচলে চিনের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘাত চলছে ভারতের

ফাইল ছবি
অরুণাচল সীমান্তে চীনের লালফৌজ আর ভারতীয় জওয়ানদের মুখোমুখি সংঘাত কি এখনও চলছে? ইন্দো-তিব্বতীয় সীমান্ত পুলিশ প্রধান শত্রুজিৎ সিংহ কপূরের সাম্প্রতিক মন্তব্যে এই প্রশ্নই এখন জোরালো হয়ে উঠেছে। সীমান্তে চিনের চোখরাঙানি এবং এই বিষয়ে কেন্দ্রের নীরবতা নিয়ে এবার তীব্র আক্রমণ শানিয়েছে কংগ্রেস।
বৃহস্পতিবার রাজস্থানের আলওয়ারে এক অনুষ্ঠানে বিস্ফোরক মন্তব্য করেনইন্দো-তিব্বতীয় সীমান্ত পুলিশ প্রধান। তিনি বলেছেন, অরুণাচল সীমান্তে চিনের সঙ্গে মুখোমুখি বিবাদ এখনও চলছে। চিনের মোকাবিলায় বাহিনীতে নতুন ‘শৌর্য কমান্ডোজ’ নামে বিশেষ কম্ব্যাট ইউনিট তৈরি করা হয়েছে। ৩,৪৮৮ কিলোমিটার দীর্ঘ প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় এই বিশেষ বাহিনীকে মোতায়েন করা হচ্ছে। পাশাপাশি, যুদ্ধক্ষেত্রের আধুনিকীকরণে ড্রোন ও অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেমের জন্য কয়েকশো কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
শত্রুজিতের এই প্রকাশ্যে চলে আসা মন্তব্যের পরেই শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক তরজা। কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশ্ন তুলেছেন, অরুণাচল সীমান্তে ঠিক কী চলছে? চীনের আগ্রাসনের মুখে কেন মোদি সরকার সম্পূর্ণ নীরব? লাদাখের মতো অরুণাচলেও ভারত তার একাধিক টহলদারি এলাকা হারিয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। এর পাশাপাশি, চীনের লাগাতার এলাকা দখলের চেষ্টা, অরুণাচলের বিভিন্ন জায়গার নাম বদলানো এবং সীমান্তে মেগাওয়াট ক্ষমতার বাঁধ নির্মাণ ভারতের পানি নিরাপত্তার পক্ষে মারাত্মক বিপজ্জনক বলে দাবি করেছে কংগ্রেস শিবির।
সব মিলিয়ে, অরুণাচল সীমান্ত নিয়ে ইন্দো-তিব্বতীয় সীমান্ত পুলিশ প্রধানের এই নতুন তথ্য ভারতের নিরাপত্তা মহলে যেমন আলোড়ন ফেলেছে, তেমনই জাতীয় রাজনীতিতে মোদি সরকারের চীন নীতিকে ফের কাঠগড়ায় তুলেছে।



