অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
‘ককরোচের’ বিক্ষোভ দমনে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ ভারতের

ভারতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতৃত্বে তরুণদের বিক্ষোভ দমনে পুলিশের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগ এনেছে মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। বিক্ষোভকারীদের ওপর ইলেকট্রিক শক দেওয়ার যন্ত্র ও প্যালেট গান ব্যবহারের প্রমাণ তাদের হাতে রয়েছে বলে গতকাল সোমবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানিয়েছে সংগঠনটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিক্ষোভকারীরা সহিংস হয়ে ওঠার পরই পুলিশের পক্ষ থেকে বলপ্রয়োগ করা হয়েছিল। তবে ওই ঘটনার এক মাস পেরোলেও বেআইনি ও মারাত্মক বলপ্রয়োগ করা দিল্লির একজন পুলিশ কর্মকর্তাকেও জবাবদিহির আওতায় আনা হয়নি।
লন্ডনভিত্তিক অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলছে, দিল্লি ও বিহারে বিক্ষোভকারীদের ওপর প্যালেটচালিত শটগান, কাঁদানে গ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড, লাঠি ও ইলেকট্রিক শকের যন্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। এসব অস্ত্র এমনভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক আইন ও মানদণ্ড এবং অভ্যন্তরীণ পুলিশি নির্দেশিকাও লঙ্ঘন করেছে। সংগঠনটি বলেছে, বিক্ষোভকারীদের পক্ষ থেকে পুলিশকে বিচ্ছিন্নভাবে পাথর ছোড়ার কিছু ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু এর প্রতিক্রিয়ায় পুলিশের আচরণ ছিল ‘রাষ্ট্র-অনুমোদিত সহিংসতার’ শামিল।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ইন্ডিয়ার বোর্ড চেয়ার আকার প্যাটেল বলেছেন, ‘বিক্ষোভের অধিকার সুগম করার বদলে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ প্রথমে ব্ল্যাকআউট করে। এরপর ব্যারিকেড দিয়ে, যাতায়াতে বিঘ্ন ঘটিয়ে বিক্ষোভ দমনের চেষ্টা করে। তারা শিশুসহ শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের ওপর অপ্রয়োজনীয় বলপ্রয়োগ করেছে। এই কঠোর দমনপীড়ন ছিল জনতা নিয়ন্ত্রণের ছদ্মবেশে রাষ্ট্র-অনুমোদিত সহিংসতা। এক মাস পরেও অব্যাহত দায়মুক্তি তারই প্রমাণ।’
মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় রাজধানী নয়াদিল্লিতে শুরু হয় তেলাপোকাদের এই বিক্ষোভ। শুরুর দিকে বেশ শান্তিপূর্ণ হলেও গত ২০ জুলাই বিক্ষোভ সহিংস রূপ নেয়।






