চুক্তিতে তাড়া বেশি যুক্তরাষ্ট্রের ধীর পায়ে ইরান

বারবারই ফসকে যাচ্ছে। হাতের নাগালে এসেও থেকে যাচ্ছে অধরা। দফায় দফায় বৈঠক আলোচনার দুয়ার খুলে দৃষ্টিসীমায় আসতেই হঠাৎ উধাও। মধ্যপ্রাচ্যের বারুদ হাওয়ার টগবগে ইস্যু ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতির দৃশ্যটা এখন এমনই। মরীচিকা হয়ে যাচ্ছে দিন দিন। চোখের সামনেই সব, তবু ধোঁয়াশা। হরমুজের গোলকধাঁধায় খেই হারিয়ে নাক বাঁচাতে এখন যুদ্ধবিরতির জন্য হা-হুতাশ করছে যুক্তরাষ্ট্র। দুদিন পরপরই দিচ্ছে যুদ্ধ বন্ধের হুমকি। কিন্তু হেলদোল নেই ইরানের। বশে আসছে তেহরান। আমলে নিচ্ছে না মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘চুক্তিতে না এলে ভয়ংকর পরিণতি’র ধমক। উল্টো আরও ধীরপায়ে চলছে যুদ্ধবিরতি নীতি।
‘ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি প্রায় চূড়ান্ত’— গত শনিবার থেকেই এ গোঁ ধরেছে যুক্তরাষ্ট্র। নিজের ট্রুথ সোশ্যাল পোস্টে প্রথম এই ঘোষণা দেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পরদিন রবিবার একই কথা বলেন তার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও— যুদ্ধবিরতি চুক্তির
অগ্রগতি হয়েছে। কোয়াড সম্মেলন (২৬ মে) ঘিরে ভারতে চার দিনের সফরে থাকা রুবিও গতকাল সোমবার সকালেও বললেন, ‘আজই সই হতে পারে যুদ্ধবিরতি চুক্তি।’ কিন্তু দিন শেষে উল্টো পুরাণ। রুবিওর জোর গলার কয়েক ঘণ্টা পরই ইরান জানিয়েছে, বেশিরভাগ বিষয়েই একটি পর্যায়ে পৌঁছেছে তারা। এর অর্থ এই নয় যে এখনই সই হয়ে যাচ্ছে চুক্তি। যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রতিশ্রুতি মেনে চলবে— এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই।’ তেহরানের এক সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই।






