ট্রাম্পের কথায় সিদ্ধান্ত নেবে না ব্রিটেন : হিলি

যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হিলি। সংগৃহীত ছবি
উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাজ্যের ভূমিকা বিচার করতে হলে দেশটির বাস্তব পদক্ষেপকেই বিবেচনায় নিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ব্রিটেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হিলি। তিনি বলেছেন, ‘এক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া সমালোচনামূলক পোস্ট গুরুত্বপূর্ণ নয়।’
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের মধ্যপ্রাচ্য সফর শেষে দেশে ফেরার প্রেক্ষাপটে এসব কথা বলেছেন জন হিলি।
লন্ডনে এক প্রতিরক্ষা সম্মেলনে বক্তব্য দিতে গিয়ে হিলি বলেছেন, ‘এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রকে দেওয়া ব্রিটেনের সামরিক ও লজিস্টিক সহায়তা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমনকি চলমান এই সংঘাতেও যুক্তরাষ্ট্রকে আমরা যে ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছি, তা অমূল্য প্রমাণিত হয়েছে তাদের সামরিক অভিযানে। শুধু কথার লড়াই আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট নয়, বরং আমরা যদি কাজের দিকে তাকাই, তাহলে দেখব মৌলিক বাস্তবতা একই আছে।’
তার ভাষ্য, যুক্তরাজ্যের সশস্ত্র বাহিনী ও উপসাগরীয় মিত্রদের জন্য ড্রোন প্রতিরোধী ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র ও লঞ্চার সরবরাহ করবে ব্রিটিশ স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠান ক্যামব্রিজ অ্যারোস্পেস। ইরানি ধাঁচের শাহেদ ড্রোন মোকাবিলার জন্য তৈরি করা হয়েছে স্কাইহ্যামার নামের এই ব্যবস্থা। বহু মিলিয়ন পাউন্ডের চুক্তির আওতায় এর প্রথম চালান সরবরাহ করা হবে মে মাসে।
এর আগে গত মঙ্গলবার রাতে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার আগে হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা কীভাবে নিশ্চিত করা যায়, তা নিয়ে ৩৫টি দেশের সামরিক পরিকল্পনাবিদদের সমন্বয় করেছিল যুক্তরাজ্য।
আর মধ্যপ্রাচ্য সফরে কাতারের দোহায় অবস্থানকালে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী স্টারমার জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার রাতে ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনালাপ করেছেন তিনি। আলোচনার বড় অংশজুড়েই ছিল হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ নৌচলাচল পুনরুদ্ধারের জন্য একটি বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা।
তাঁর ভাষ্য, ‘উপসাগরীয় অঞ্চলের নেতারা মনে করেন যুদ্ধবিরতি এখনো ভঙ্গুর। হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের ওপর টোল বা বিধিনিষেধ আরোপের বিপক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছেন তারা।’















