ট্রাম্পের শঙ্কা
আলোচনা যখন ইরানের সঙ্গে, তখন ঘটতে পারে যেকোনো কিছুই

সংগৃহীত ছবি
আলোচনা যখন ইরানের সঙ্গে, তখন ঘটতে পারে যেকোনো কিছুই— এমনই শঙ্কা প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে তার দাবি, ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনা ইতিবাচক অগ্রগতি অর্জন করছে এবং চুক্তি হলে এ সপ্তাহের শেষেই হতে পারে।
বুধবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের ইরানের সঙ্গে আলোচনার প্রসঙ্গে এ মন্তব্য করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ তথ্য নিশ্চিত করেছে বার্তাসংস্থা আল-জাজিরা।
ইরানের সঙ্গে আলোচনার অগ্রগতি সম্পর্কে ট্রাম্প বলেন, ‘আলোচনা খুব ভালোভাবে এগোচ্ছে।’ সম্ভাব্য চুক্তির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এটি নাও হতে পারে, জানেন তো? কে জানে। তবে যদি হয়, তাহলে এ সপ্তাহের শেষেই হতে পারে।’
‘যখন আলোচনা ইরানের সঙ্গে, তখন যেকোনো কিছুই ঘটতে পারে—,’ যোগ করেন তিনি।
এছাড়াও হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার প্রসঙ্গে যুক্ত্রারাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জানান, ইরানের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হলেই দ্রুত খুলে দেওয়া হবে এটি।
হরমুজ প্রণালী পুনরায় চালুর বিষয়টিকে তিনি লেবাননে চলমান সংঘাত থেকে আলাদা রাখতে চান বলেও জানান তিনি।
এদিকে নিউইয়র্ক পোস্টের ‘পড ফোর্স ওয়ান’ অনুষ্ঠানে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি আলোচনায় সরাসরি সম্পৃক্ত রয়েছেন। তিনি বলেন, ‘তিনি সম্পৃক্ত, অবশ্যই সম্পৃক্ত। আমাদের মধ্যে সম্পর্ক বেশ ভালোভাবেই এগোচ্ছে বলে মনে হচ্ছে।’
ট্রাম্পের দাবি, ‘তারা বলছে, তিনিই অনুমোদন দিচ্ছেন, কারণ দীর্ঘদিন ধরেই এভাবেই বিষয়গুলো পরিচালিত হয়ে আসছে। তার বাবা এবং এখন তিনি। সম্ভবত এটি উত্তরাধিকারসূত্রে এসেছে। পরিস্থিতি কীভাবে এগোয়, তার ওপর নির্ভর করে ভবিষ্যতে আমাদের সাক্ষাৎও হতে পারে।’
এদিকে ইরানের সংবাদমাধ্যম তাসনিম জানিয়েছে, ওমান সাগরে দেশটির আঞ্চলিক জলসীমার কাছে আসা একটি মার্কিন সামরিক জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করেছে ইরানি নৌবাহিনী। প্রতিবেদন বলছে, জাহাজটিতে একটি ‘কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার’ ছিল।
ইরানি সামরিক বাহিনীর দাবি, মার্কিন বাহিনীর বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা এবং হরমুজ প্রণালী সংক্রান্ত বিধি লঙ্ঘনের ঘটনার পর এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ওয়াশিংটনের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।




