কঙ্গোকে হারিয়ে নকআউটের টিকিট কাটল কলম্বিয়া

সংগৃহীত ছবি
ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর গোলরক্ষক লিওনেল এমপাসি যেন একাই চীনের প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন কলম্বিয়ার সামনে। একের পর এক দুর্দান্ত সেভে প্রথমার্ধেই গোলবঞ্চিত করেন লুইস দিয়াজ-হামেস রদ্রিগেজদের। তবে শেষদিকে আর কলম্বিয়ার আক্রমণ সামলাতে পারেনি কঙ্গোর রক্ষণভাগ। দানিয়েল মুনোজের একমাত্র গোলে পূর্ণ ৬ পয়েন্ট নিয়ে শেষ ৩২ নিশ্চিত করেছে নেস্তর লোরেঞ্জোর দল।
বুধবার ‘কে’ গ্রুপের ম্যাচের শুরু থেকে কঙ্গোর ওপর ছড়ি ঘোরাতে থাকে কলম্বিয়া। চতুর্থ মিনিটে সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট করেন মুনোজ। জোহান মোজিকার পাস থেকে লুইস সুয়ারেজের শট এমপাসি ফিরিয়ে দিলে ফিরতি বলে ফাঁকা পোস্টে শট মারতে ব্যর্থ হন ক্রিস্টাল প্যালেসের এই ফুল-ব্যাক। এর দুই মিনিট পরেই হেডে বল জালে পাঠালেও বিল্ড-আপে অফসাইড থাকায় গোলটি বাতিল করেন রেফারি মাউরিজিও মারিয়ানি। কঙ্গোর গোলরক্ষক এমপাসির সৌজন্যে প্রথমার্ধ থাকে গোলশূন্য।
উজবেকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচের মতোই এই ম্যাচেও কলম্বিয়ার কোচ নেস্তর লোরেঞ্জোর বদলি খেলোয়াড় নামানোর সিদ্ধান্ত ম্যাচের ভাগ্য বদলে দেয়। ৫৮ মিনিটে অধিনায়ক হামেস রদ্রিগেজের জায়গায় মাঠে নামেন হুয়ান ফার্নান্দো কিনতেরো। মাঠে নেমেই ম্যাচের গতি নিয়ন্ত্রণ করতে শুরু করেন তিনি। ম্যাচের ৭৬ মিনিটে আসে সেই কাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত।
জেফারসন লেরমার পাস থেকে কিনতেরো বল বাড়ান স্ট্রাইকার কর্ডোবাকে। কর্ডোবা দারুণ এক পাসে ফাঁকায় থাকা মুনোজকে বল বাড়িয়ে দিলে প্রথম ছোঁয়াতেই নিখুঁত শটে বল জালে পাঠান এই ফুল ব্যাক। গোল খাওয়ার পর কঙ্গো ম্যাচে ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। ম্যাচের ৮০ মিনিটে লুই দিয়াজ বল জালে জড়ালেও তা অফসাইডের কারণে বাতিল হয়। এর ঠিক এক মিনিট আগে দিয়াজের আরেকটি গোল বাতিল হয়েছিল ফাউলের কারণে।
ম্যাচের ৯০ মিনিটে সমতায় ফেরার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল কঙ্গো। তবে মবুকুর দূরপাল্লার জোরালো শট ঝাঁপিয়ে পড়ে কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা করেন কলম্বিয়ার গোলরক্ষক ক্যামিলো ভার্গাস। শেষ মুহূর্তে লেরমা কঙ্গোর মিডফিল্ডার মবুকুকে কনুই দিয়ে আঘাত করায় হলুদ কার্ড দেখেন। শেষ পর্যন্ত ১-০ ব্যবধানের কষ্টার্জিত কিন্তু যোগ্য জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে কলম্বিয়া। ২৭ জুন গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লড়াইয়ে তারা পর্তুগালের মুখোমুখি হবে।






