বলছেন রোমারিও
খোলস ছেড়ে বের হচ্ছে ব্রাজিল

রোমারিও। গ্রাফিকস: আগামীর সময়
চেনা ছন্দে ফিরেছে ব্রাজিল। আনন্দের সঙ্গে ফুটবল খেলা, আক্রমণ করা আর বুকে থাকা পাঁচ তারকার (পাঁচটি বিশ্বকাপ জয়ের) ঐতিহ্যকে ধারণ করা সবই দেখা গেছে এই ম্যাচে।
বিশ্বকাপের ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, যারা প্রথম ম্যাচ থেকেই টুর্নামেন্ট শাসন করে তারা সাধারণত শেষ পর্যন্ত চ্যাম্পিয়ন হয় না; বরং যারা পুরো প্রতিযোগিতা জুড়ে ধীরে ধীরে নিজেদের শক্তি বাড়িয়ে খোলস ছেড়ে বের হয়, তারাই শেষ হাসি হাসে!
ভিনিসিয়ুস জুনিয়র এখন সত্যি সত্যিই বাতাসে ডানা মেলে উড়ছে। এই বিশ্বকাপে চারটি গোল করে সে নিজেকে সেরা তারকা হিসেবে প্রমাণ করেছে।
এবারের বিশ্বকাপে নেইমারের মাঠে নামা দেখেও আমি খুব খুশি হয়েছি। তরুণ ফুটবলার এনদ্রিকের সঙ্গে সে যখন মাঠে আসে, তার মধ্যে দারুণ এক উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছিল। দলে তার গুরুত্ব নিয়ে কোনো প্রশ্ন তোলার সুযোগ নেই। একটু হাততালি আনচেলত্তিরও প্রাপ্য। এটি পরিষ্কার যে, পুরো দলটির ওপর তার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। তিনি একদম সঠিক একাদশ মাঠে নামিয়েছিলেন এবং নকআউটে প্রথমবারের মতো একই একাদশ ধরে রাখার সুযোগ পাবেন। যেকোনো খাঁটি ইতালিয়ানের মতোই তিনি ভীষণ বাস্তববাদী। তিনি খুব ভালো করেই জানেন তার হাতে কী কী রত্ন আছে এবং টুর্নামেন্টের বিভিন্ন সময়ে কোন ঘুঁটিটি কোথায় ফিট করতে হবে। ডাগআউটে দাঁড়িয়ে চিল্লাচিল্লি করেন না, কিন্তু তার ব্যক্তিত্ব ও ফুটবলীয় মর্যাদার কারণে দলের সবাই তাকে মনেপ্রাণে শ্রদ্ধা করে।




