ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত নিয়ে ইংল্যান্ড কোচের ঠাট্টা
হ্যারি কেইনের উচিৎ ট্রাম্পের সাহায্য নেওয়া

সংগৃহীত ছবি
ফিফার শৃঙ্খলাবিধি প্রক্রিয়া নিয়ে বিদ্রুপ মন্তব্য করেছেন ইংল্যান্ডের কোচ থমাস টুখেল। তিনি রসিকতা করে বলেছেন, দলের অধিনায়ক হ্যারি কেইনের হয়তো উচিত যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাহায্য নেওয়া। যাতে জারেল কোয়ানসাহর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা যায়। এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন টুর্নামেন্টের আগের পর্বে সরাসরি লাল কার্ড দেখেও যুক্তরাষ্ট্রের ফরোয়ার্ড ফোলারিন বেলোগানকে খেলার অনুমতি দিয়েছে ফিফা।
বসনিয়া-হার্জেগোভিনার বিপক্ষে ম্যাচে লাল কার্ড দেখেছিলেন বেলোগান। কিন্তু ফিফা তাদের শৃঙ্খলাবিধির ২৭ নম্বর ধারা প্রয়োগ করে তার নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করে দেয়। ফলে বেলজিয়ামের বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচে খেলতে পারবেন তিনি। এই সিদ্ধান্তে যথেষ্ট সামঞ্জস্যের অভাব দেখছেন টুখেল, ‘প্রথমেই স্পষ্ট করে বলি, এটা লাল কার্ড ছিল না। ভিএআরের তিনজন এবং রেফারি মিলে দেখেছিলেন যে এটা হলুদ কার্ড। কিন্তু সিদ্ধান্ত তো হয়েই গেছে। এই সিদ্ধান্ত এখন কে পাল্টাচ্ছে, কখন পাল্টাচ্ছে, আর কোন যুক্তিতে? এটা এখন কতদূর যাবে? আমার কাছে পুরো ব্যাপারটাই অদ্ভুত লাগছে।'
বিতর্ক রাজনৈতিক মোড় নেয়, যখন খবর আসে যে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে বেলোগান পরিস্থিতি পর্যালোচনার অনুরোধ করেছিলেন ট্রাম্প। আজতেকা স্টেডিয়ামে মেক্সিকোর বিপক্ষে ৩-২ গোলে জেতার পর ট্রাম্প তার সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে হ্যারি কেইনকে দুর্দান্ত খেলোয়াড় বলে প্রশংসা করেন। এরপরই সাংবাদিকরা টুখেলকে প্রশ্ন করেন, কেইন কি এই প্রভাব কাজে লাগিয়ে সতীর্থ কোয়ানসাহর জন্য সাহায্য চাইতে পারেন?
মেক্সিকোর বিপক্ষে নাটকীয় জয়ের ম্যাচেই লাল কার্ড দেখেছিলেন লেভারকুজেন ডিফেন্ডার কোয়ানসাহ। কেইন কি মার্কিন প্রেসিডেন্টের কাছে একই রকম হস্তক্ষেপের আবেদন করতে পারেন—এই প্রশ্নের জবাবে টুখেল রসিকতা করে বলেন, ‘হতে পারে, এটা একটা ভালো শুরুর জায়গা।‘
দলগুলো যদি তাদের অপছন্দের প্রতিটি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল শুরু করে, তাহলে এর সীমা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে এই নিয়ে বিশেষভাবে চিন্তিত ইংল্যান্ড কোচ, ‘আমরা শুধু সিদ্ধান্তে সামঞ্জস্য চাই। তাহলে ডেকলান রাইসের বিপক্ষে প্রথম মিনিটেই যে হলুদ কার্ড হয়েছিল, সেটা কী হবে? আমরা এখন সারাক্ষণ তর্ক করতে পারি। আমার মনে হয় ওটা হলুদ কার্ড ছিল না। তাহলে কি আমরা সেটা ফেরত পাব?'




