আজতেকার উচ্চতাকেই ভয় ইংল্যান্ডের

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
দাপটে শেষ ষোলোতে পা রেখেছে ইংল্যান্ড। বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক মেক্সিকোও দারুণ ফর্মে। ইতিহাস গড়ে কোয়ার্টার ফাইনালে যাওয়ার পথে তাদের বাধা শিরোপার অন্যতম দাবিদার ইংল্যান্ড। আজতেকা স্টেডিয়ামে আজ ইংলিশ পরীক্ষায় পাস করে শেষ আটে যেতে পারবে মেক্সিকানরা?
ছয় দশক ধরে বিশ্বকাপকে ‘ঘরে ফিরিয়ে আনার’ অভিযানে ব্যস্ত ইংলিশরা। এখন পর্যন্ত ৫ গোল করা হ্যারি কেইনের নেতৃত্বে এবারও ‘ইটস কামিং হোম’ স্লোগানে উজ্জীবিত দল। ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে শেষ ৩২-এর ম্যাচে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখে এই রাউন্ডে পৌঁছেছে ইংলিশরা।
মেক্সিকোর বিপক্ষে ইংলিশদের প্রধান বাধা হতে পারে আজতেকা স্টেডিয়ামের উচ্চতা। গবেষণা বলছে, উচ্চতার কারণে ইংল্যান্ডের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ সুবিধা পেতে পারে স্বাগতিকরা।
গবেষকদের দাবি, উচ্চতার সঙ্গে মানিয়ে নিতে না পারা দলগুলো আজতেকায় খেলতে নেমে ২১ শতাংশ পর্যন্ত কম গতিতে দৌড়াতে পারে এবং খেলা চলাকালে তাদের খেলোয়াড়দের শারীরিক ক্লান্তি কাটিয়ে ওঠার গতিও ধীর হয়ে যায়।
আজতেকা স্টেডিয়ামটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২২৪০ মিটার উঁচুতে অবস্থিত। ব্রিটিশ সংবাদপত্র দ্য গার্ডিয়ানের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, বাতাসে অক্সিজেনের ঘনত্ব একই থাকলেও, পাতলা বাতাসের কারণে রক্তপ্রবাহে অক্সিজেন প্রবেশ করা কঠিন হয়ে পড়ে। খাপ খাইয়ে না নেওয়া অ্যাথলেটদের শারীরিক পারফরম্যান্সে বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি করতে পারে, বিশেষ করে ম্যাচের শেষভাগে। সমুদ্রপৃষ্ঠে খেলার সময় সাধারণত ম্যাচের শেষ মুহূর্তগুলোতে যে ক্লান্তির অনুভূতি দেখা দেয়, এই উচ্চতায় খেলার সময় তা প্রথমার্ধেই দেখা দিতে পারে।
পরিসংখ্যান আরও বলছে, উচ্চতায় অভ্যস্ত দলগুলো এর থেকে বাড়তি সুবিধা পায়। গবেষণা অনুযায়ী, উচ্চ অঞ্চলের ক্লাব এবং জাতীয় দলগুলো সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে আসা প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে খেললে সাধারণত বেশি গোল দেয় এবং কম গোল হজম করে। ধারণা করা হয়, প্রতি ১০০০ মিটার উচ্চতার পার্থক্যের জন্য স্বাগতিক দল প্রায় অর্ধেক গোলের সুবিধা পায়, যার প্রভাব সাধারণত দ্বিতীয়ার্ধে বেশি স্পষ্ট হয়।




