মরক্কোর ৬ জন ফ্রান্স দলে খেলতে পারতো!

সংগৃহীত ছবি
মরক্কো ফুটবলের পরাশক্তি হয়ে উঠছে! শুনে হয়তো চমকে যাচ্ছেন তবে টানা দুটো বিশ্বকাপে ভালো খেলছে তারা। কাতার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালিস্টরা এবার কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হবে ফ্রান্সের। এর পাশে রাখেন, টানা ৩৪ ম্যাচ অপরাজিত থাকার রেকর্ড। কী মনে হচ্ছে? মরক্কো খুব দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে এবং তাদের ফুটবল উত্থানকে অবহেলা করার সুযোগ নেই।
এর পেছনে আছে তাদের প্রবাসী ফুটবলাররা। মরক্কোর বিশ্বকাপ দলের ১৯ জনই জন্মগ্রহণ করেছেন দেশের বাইরে। ১৯ জনের মধ্যে ৬ জনের ফ্রান্সের হয়ে খেলার যোগ্যতা ছিল ! মিডফিল্ডার আয়ুব বুয়াদ্দি ১৮ বছর বয়েস ফ্রান্সের হয়ে বয়সভিত্তিক দলে খেললেও এখন মরক্কোর জাতীয় দলে। তিনি ফিরে এসেছেন তার শেকড়ে।
মরক্কো পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ৫০ লাখেরও বেশি মরোক্কান বাস করেন। এরপর তারা একটি বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে, বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা ভালো ফুটবলারদের সঙ্গে যোগাযোগ করার। এজন্য তারা স্কাউট নিয়োগ করেছে ফ্রান্স, স্পেন, জার্মানি, নরওয়ে, সুইডেন ও ডেনমার্কে।
২০২০ থেকে ২০২৪ সালে মরক্কোর যুব ফুটবল উন্নয়নে কাজ করেছেনে উয়েফা প্রো-লাইসেন্সধারী কোচ সিমন জেনিংস। তিনি নিজের চোখে দেখেছেন প্রবাসী ফুটবলারদের মরক্কো ফিরিয়ে আনার উদ্যোগটা, ‘যারা এসেছে তাদেরকে কখনো মনে হয়নি মরক্কো তাদের দ্বিতীয় দেশ। মরোক্কান পরিচয়টা তাদের কাছে এক ধরনের আবেগ এবং এটা তারা গভীরভাবে অনুভব করে।’ তিনি যোগ করেন, ‘এই ১৯ প্রবাসী ফুটবলারের মধ্যে ৬ জন ফ্রান্স জাতীয় দলে খেলার মতো।’
লামিন ইয়ামালের গায়েও আজ থাকতে পারতো মরক্কোর জার্সি। ইয়ামালের মরোক্কান বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল রয়াল মরোক্কান ফুটবল ফেডারেশন এবং মরক্কোর হয়ে খেলার প্রস্তাবও করেছিল। তখন তার বয়স ১২/১৩ বছর, বার্সেলোনার একাডেমিতে বেড়ে উঠছিল। কিন্তু তার পরিবার রাজি হয়নি বলেই আজ ইয়ামাল স্পেনের জার্সিতে বড় তারকা।




