কর্মশালায় বক্তারা
হাসপাতাল ছাড়া জন্ম নিবন্ধনের লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয়

জিএইচএআই-এর সহযোগিতায় প্রজ্ঞার কর্মশালায় প্রিন্ট, টেলিভিশন এবং অনলাইন মিডিয়ার ৩০ সাংবাদিক। ছবি: আগামীর সময়
শিক্ষা, স্বাস্থ্য, উত্তরাধিকার এবং ভোটাধিকারের মতো মৌলিক নাগরিক অধিকারগুলো নিশ্চিত করতে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন অপরিহার্য। রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনা, সুশাসন এবং বাজেট প্রণয়নেও নিবন্ধনের তথ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে বাংলাদেশে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন হার যথাক্রমে ৫০ ও ৪৭ শতাংশ, যা বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক গড় হারের তুলনায় অনেক কম। অথচ সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে এই হার শতভাগে উন্নীত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন, ২০০৪’ সংশোধন করে নিবন্ধনের আইনি দায়িত্ব হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে দিলে দ্রুততর হবে এই লক্ষ্য অর্জন। একই সঙ্গে এটি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ১৬.৯ অনুযায়ী সবার জন্য বৈধ পরিচয়পত্র নিশ্চিত করার লক্ষ্যমাত্রা অর্জনকে ত্বরান্বিত করবে।
গতকাল বুধবার রাজধানীর বিএমএ ভবনে ‘বাংলাদেশে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন: অগ্রগতি, প্রতিবন্ধকতা ও করণীয়’ শীর্ষক সাংবাদিক কর্মশালায় এসব বিষয় তুলে ধরেন বক্তারা। গ্লোবাল হেলথ অ্যাডভোকেসি ইনকিউবেটরের (জিএইচএআই) সহযোগিতায় এই কর্মশালা আয়োজন করে প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান)। এতে অংশ নেন প্রিন্ট, টেলিভিশন এবং অনলাইন মিডিয়ার ৩০ সাংবাদিক।
জিএইচএআই-এর বাংলাদেশ কান্ট্রি লিড মুহাম্মাদ রূহুল কুদ্দুসের তাগিদ, ‘শতভাগ নিবন্ধন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোকে আইনগতভাবে নিবন্ধনের দায়িত্ব প্রদানের কোনো বিকল্প নেই।’
আইন শক্তিশালীকরণের পাশাপাশি যথাযথ প্রয়োগে গুরুত্ব দিলেন ভাইটাল স্ট্র্যাটেজিস-এর কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর নজরুল ইসলাম।
আরও আলোচনা করেন ডেইলি টাইমস অব বাংলাদেশের হেড অব অনলাইন (বাংলা) মনির হোসেন লিটন, প্রজ্ঞার নির্বাহী পরিচালক এবিএম জুবায়ের প্রমুখ। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।




