মাঠে তার হাঁটুজল থাকে

পাকুন্দিয়ার হোসেন্দী আতকাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ছবি: আগামীর সময়
পর্যাপ্ত নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টি হলেই হাঁটুপানি জমে বিদ্যালয় মাঠে। এতে ভোগান্তি পোহাতে হয় শিক্ষক ও খুদে শিক্ষার্থীদের। এ অবস্থার সৃষ্টি হয় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার খামার পুষ্কুরণী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার হোসেন্দী আতকাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে।
খামার পুষ্কুরণী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শামছুন নাহার জানালেন, মাঠ নিচু হওয়ায় আশপাশের বাড়ির পানি মাঠে জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়; যার কারণে শিক্ষার্থীদের প্রাত্যহিক সমাবেশ করা যাচ্ছে না। নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসছে না কোমলমতি শিশুরা। মাঠটি ভরাট করলে কোমলমতি ছেলেমেয়েরা নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসবে এবং শিক্ষার পরিবেশ ঠিক হবে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান বললেন, ‘শিক্ষক ও অভিভাবকরা বিদ্যালয় মাঠে জলাবদ্ধতার বিষয়টি জানিয়েছেন। ইউএনওর সঙ্গে আলাপ করে সমস্যাটি সমাধানের চেষ্টা করব।’
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে যোগাযোগ করে সমস্যাটি সমাধানের চেষ্টা করা হবে বলে জানালেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহাদাৎ হোসেন।
অন্যদিকে পাকুন্দিয়ার হোসেন্দী আতকাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আল-আমিন বললেন, গত অর্থবছরে স্থানীয় ইদ্রিস আলীর বাড়ির আঙিনা ব্যবহার করে সংকীর্ণ একটি রাস্তা নির্মাণ হলেও নিচু হওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতে তলিয়ে যায়। তা ছাড়া স্কুলের ভৌগোলিক অবস্থানও নিচু। অনেকবার মাঠে মাটি ভরাটের আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু কোনো সুরাহা হচ্ছে না।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবেদন হোসেন বলেছেন, সারা উপজেলার যেসব স্কুলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়, সেগুলোর মাটি ভরাটের জন্য তালিকা তৈরি করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পাকুন্দিয়ার ইউএনও রূপম দাস বলেছেন, ‘বিষয়টি আমার জানা ছিল না। নতুন অর্থবছরে প্রকল্পের বরাদ্দ পাওয়া মাত্রই জলাবদ্ধতা নিরসনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
কিশোরগঞ্জ-২ (পাকুন্দিয়া-কটিয়াদী) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিন বললেন, ওই বিদ্যালয় মাঠের জলাবদ্ধতা নিরসনে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।





