আসিয়ান কাপে ভারতের জায়গায় বাংলাদেশ

সংগৃহীত ছবি
ব্রাজিলের বিপক্ষে ঘরের মাঠে ম্যাচ খেলার সুবর্ণ সুযোগ নিতেই ফিফার অর্থায়নে প্রথমবারের মতো হতে যাওয়া আসিয়ান কাপ থেকে নাম প্রত্যাহার করেছিল ভারত। এর পর থেকেই গুঞ্জন ছিল, ফিফা বাংলাদেশ অথবা শ্রীলঙ্কাকে দেবে ভারতের জায়গায় খেলার সুযোগ। আজ বিকালে জরুরী ভার্চুয়াল সভায় আসিয়ান কাপে খেলার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের জাতীয় দল কমিটি। বাফুফে সভাপতি ও কমিটিপ্রধান তাবিথ আউয়ালের সভাপতিত্বে এ সভা শেষে আসিয়ান কাপে বাংলাদেশের খেলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন সদস্য ছাঈদ হাছান কানন।
২৪ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর ইন্দোনেশিয়ায় হতে যাচ্ছে আট দলের এই টুর্নামেন্ট। বাংলাদেশ ‘এ’ গ্রুপে খেলবে স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরের সঙ্গে। ‘বি’ গ্রুপে রয়েছে ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন ও পাকিস্তান।
দুই গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন সরাসরি খেলবে ফাইনালে। গ্রুপের দুই রানার্স-আপ অবশ্য খেলবে তৃতীয়স্থান নির্ধারণী ম্যাচ। এই টুর্নামেন্টে কোনো সেমিফাইনাল রাখা হয়নি। তবে একেকটি দল কমপক্ষে চারটি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে। নভেম্বরে সাফ চ্যাম্পিয়নের আগে সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের জোড়া ফিফা উইন্ডো ভালোভাবে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা আগে থেকেই ছিল বাফুফের। সভাপতি তাবিথ আউয়াল জানিয়েছিলেন দেশ বা দেশের বাইরে তিন অথবা চার দলের কোন টুর্নামেন্ট খেলবে বাংলাদেশ।
এরই মধ্যে ভারত শেষ মুহূর্তে আসিয়ান কাপ থেকে সরে দাঁড়ানোয় সুযোগ আসে বাংলাদেশের সামনে। কানন আগামীর সময়ের কাছে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘আমাদের সভাপতি জরুরীভিত্তিতে অনলাইনে সভা আহ্বান করেন এবং আসিয়ান কাপে খেলার বিষয়টি উত্থাপন করেন। আমাদের সামনে তিনি দুটি বিকল্প দিয়েছিলেন। ঘরের মাঠে তিন বা চার দল নিয়ে টুর্নামেন্ট আয়োজন অথবা ফিফার অর্থায়নে ইন্দোনেশিয়ায় আসিয়ান কাপে অংশগ্রহণ। আমরা আসিয়ান কাপকেই অগ্রাধিকার দিয়েছি।’
এই টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ বাবদ ফিফার কাছ থেকে আর্থিক অনুদানও পাবে অংশগ্রহণকারী দলগুলো।






