আবাহনী-মোহামেডানের ফুটবলাররা ‘আন্দোলনে’

ফুটবলাররা চিঠি হস্তান্তর করেছেন বাফুফের সাধারণ সম্পাদকের কাছে। ছবি: সংগৃহীত
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সম্পর্ক উন্নয়ন ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাড়াতে সার্কভুক্ত দেশগুলোর ফুটবলারদের অন্য দেশের লিগে ‘স্থানীয়’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারত ও অন্য দেশগুলোও এটা চালু করেছে।
এই সার্ক কোটা বাতিল চেয়ে আন্দোলনে নেমেছেন আবাহনী-মোহামেডানসহ আরও কয়েকটি ক্লাবের ফুটবলাররা। আজ বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়ালের কাছে চিঠি দিয়েছেন ফুটবলাররা, যা হস্তান্তর করা হয়েছে বাফুফের সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন তুষারের কাছে।
কেন এই আন্দোলন, এর ব্যাখ্যায় আবাহনী ও জাতীয় দলের ফুটবলার মোহাম্মদ ইব্রাহিম বলেছেন, ‘সার্কের পাঁচজন, সার্কের বাইরের দেশের তিন জন, বয়সভিত্তিক একজন ফুটবলার বাধ্যতামূলক খেলাতে হবে। একটি দলে তিন জন বিদেশি কোটা আর পাঁচ জনই যদি সার্ক খেলায় তাহলে সেই দলে দুই জনের বেশি (স্থানীয়) খেলোয়াড় খেলার সুযোগ পায় না। এজন্য আমরা সার্ক ফুটবলার বাতিলের দাবি জানিয়েছি।’
জাতীয় দলে খেলা মোহামেডানের ডিফেন্ডার রহমত মিয়া এ সময় জানান ‘আমাদের দেশের মধ্যে শুধু তারিক কাজী ভুটান লিগে খেলছে। অন্য কোনো দেশে এখনো আমাদের দেশের ফুটবলাররা আমন্ত্রণ পাচ্ছেন না। অন্য দেশের ফুটবলাররা ঠিকই আমাদের দেশে খেলছে। তাই আমরা এ ব্যাপারে ফেডারেশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি।’
ব্রাদার্স ইউনিয়নে এবার খেলছে সবচেয়ে বেশি সার্কের খেলোয়াড়। তাদের দ্যুতিতে আবাহনীকে টপকে ফেডারেশন কাপে গ্রুপসেরা ব্রাদার্স। পাকিস্তানি ফুটবলারের একমাত্র গোলে মঙ্গলবার ম্যাচও জিতেছে তারা। সার্ক কোটায় স্থানীয় খেলোয়াড়দের চেয়ে কম পারিশ্রমিকে খেলছেন মানসম্পন্ন বিদেশিরা। তাই কম খরচে সার্কভুক্ত দেশের খেলোয়াড়দের দিকে ঝুঁকছে ক্লাবগুলো।
এছাড়া তাবিথ আউয়াল বরাবর দেওয়া চিঠিতে আরও কিছু দাবি জানান ফুটবলাররা। এর অন্যতম- দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় স্থানীয় খেলোয়াড় উন্নয়ন কার্যক্রম জোরদার করা, লিগে দল বাড়ানো, খেলোয়াড়দের আর্থিক নিরাপত্তার দায়িত্ব ফেডারেশনের নেওয়া, বিদেশি খেলোয়াড় কোটা কমানো।

