রিয়াল মাদ্রিদ
চ্যাম্পিয়ন্স লিগ স্কোয়াডে চমক দিলেন মরিনহো

রিয়াল মাদ্রিদের ১৯ বছর বয়সী মিডফিল্ডার সের্হিও মার্তিনেস।
আসন্ন উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নতুন মৌসুমের জন্য রিয়াল মাদ্রিদের ২৫ সদস্যের স্কোয়াড চূড়ান্ত করেছেন কোচ হোসে মরিনহো। আর এই দল ঘোষণা বড় ধাক্কা হয়ে এলো ফরাসি ডিফেন্ডার ফারল্যান্ড মেন্দির জন্য। দীর্ঘমেয়াদি পেশির ইনজুরিতে ভুগে মাঠের বাইরে থাকা এই অভিজ্ঞ লেফট-ব্যাককে ইউরোপীয় স্কোয়াড থেকে বাদ দিয়েছেন পর্তুগিজ এই কোচ।
গত মে মাসে ডান পায়ে পেশির ইনজুরিতে পড়ার পর থেকেই মাঠের বাইরে আছেন মেন্দি। রিয়ালের জার্সিতে এরপর আর তাকে মাঠে দেখা যায়নি। দলের অন্য ইনজুরিতে থাকা তারকা এদের মিলিতাও ও রদ্রিগো গোয়েস ইউরোপীয় স্কোয়াডে নিজেদের জায়গা ধরে রাখতে পারলেও মরিনহোর কোপানলে পড়ে ছিটকে গেলেন মেন্দি। তার শূন্যস্থান পূরণ করতে রেসিং সান্তান্দার থেকে তিন মিলিয়ন ইউরোতে কেনা ১৯ বছর বয়সী মিডফিল্ডার সের্হিও মার্তিনেসকে স্কোয়াডে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
সের্হিও মার্তিনেসকে প্রাথমিকভাবে রিজার্ভ দলের জন্য নেওয়া হলেও মূল দলের অনুশীলনে তিনি রিয়াল কোচ মরিনহোকে মুগ্ধ করেছেন। আর তাতেই সিনিয়রদের ইউরোপীয় স্কোয়াডে অপ্রত্যাশিতভাবে ডাক পেয়ে গেছেন এই তরুণ তুর্কি। অন্যদিকে মেন্দির এই বাদ পড়া মূলত রিয়ালের রক্ষণভাগে পালাবদলের ইঙ্গিত দিচ্ছে। মার্ক কুকুরেয়া এবং আলভারো কারেরাস আসার পর থেকেই সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে মেন্দির গুরুত্ব কমতে শুরু করেছিল। ফলে তাকে ছাড়াই চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গ্রুপ পর্বের বৈতরণী পার হতে আত্মবিশ্বাসী মরিনহো।
এদিকে রক্ষণভাগে স্বস্তি থাকলেও রিয়ালের প্রধান মাথা-ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে মাঝমাঠের তীব্র সংকট। আগামী ৮ সেপ্টেম্বর ইন্টার মিলানের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের হাই-ভোল্টেজ ওপেনিং ম্যাচের আগে বড় ধরনের খেলোয়াড় সংকটে পড়েছে লস ব্লাঙ্কোসরা। গত মৌসুমে ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে খেলার সময় ইচ্ছাকৃত হ্যান্ডবল করে লাল কার্ড দেখার কারণে এই ম্যাচে নিষিদ্ধ রয়েছেন গ্রীষ্মকালীন রিক্রুট বার্নার্দো সিলভা।
পাশাপাশি বার্নাব্যুর এই ইউরোপীয় ম্যাচে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে আর্দা গুলার ও এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গার ওপরেও। তাছাড়া পেশির চোটের কারণে প্রায় নিশ্চিতভাবেই মাঠের বাইরে থাকছেন অহেলিয়া চুয়ামেনি এবং বড় শঙ্কা রয়েছে থিয়াগো পিতার্চের খেলা নিয়েও। ইতালিয়ান চ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে এই কঠিন পরীক্ষার আগে মাঝমাঠে চরম এই শূন্যতার কারণেই মার্তিনেসের এই দ্রুত অগ্রগতি এখন রিয়ালের জন্য শুধু ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নয়, বরং বাধ্যতামূলক হয়ে দাঁড়িয়েছে।







