অচেনা সান মারিনোতে মানিয়ে নেওয়ার চ্যালেঞ্জ

২৪ ঘণ্টার ক্লান্তিকর ভ্রমণ শেষে সোমবার বিকালে সান মারিনো পৌঁছায় বাংলাদেশ দল। ৫ জুন ইউরোপের ক্ষুদ্র দেশটির সঙ্গে প্রীতিম্যাচ খেলবে তারা। এর আগে ইউরোপের আবহাওয়ার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি অচেনা প্রতিপক্ষকে হারানোর ছকটাও কসতে হচ্ছে দলকে।
সান মারিনো পৌঁছেই কিছু সময় মাঠে সময় কাটিয়েছে দল। সঙ্গী হয়েছিলেন লন্ডন থেকে যাওয়া সামিত সোমও। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে সরাসরি যোগ দিয়েছেন জায়ান আহমেদ। কাল সান মারিনোর সন্ধ্যায় দলের সঙ্গী হওয়ার কথা ছিল হামজা চৌধুরীর। নয়া কোচ থমাস ডুলি সন্ধ্যায় দল নিয়ে ঘাম ঝরিয়েছেন দ্বিতীয় সেশনে।
র্যাংকিংয়ে সান মারিনো ৩০ ধাপ পিছিয়ে। সেটাই বড় চাপ বাংলাদেশের জন্য। এমন ম্যাচে জিতলে র্যাংকিংয়ে ততটা প্রভাব পড়বে না। তবে জিততে না পারলে র্যাংকিং টেবিলে পতনের বড় শঙ্কা। র্যাংকিং যাই হোক, ইউরোপীয় প্রতিপক্ষ বলেই ভয়টা বেশি।
২১১তম সান মারিনো প্রতিপক্ষ হিসেবে আসলে কেমন? নেট ঘেঁটে জানা গেছে, দলটি সর্বশেষ যে ম্যাচ খেলেছে, সেই স্কোয়াডে শতভাগ পেশাদার ফুটবলারের সংখ্যা মোটে চার থেকে পাঁচজন। যারা ইতালির তৃতীয় ও চতুর্থ স্তরের বিভিন্ন ক্লাবে খেলেন। দলটির অধিনায়ক মাতেও ভিতাইওলিও খেলেন তৃতীয় স্তরের একটি দলে। এই স্তরে খেলেন স্ট্রাইকার নিকোলা ন্যানিও। এ ছাড়া ফিলিপ্পো ফ্যাবরি, দান্তে রসি ও গ্যাব্রিয়েল ক্যাপিচিয়োনি খেলেন চতুর্থ সারির লিগে। বাকি যারা আছেন, তারা কেউই পেশাদার ফুটবলার নন। অন্য পেশার পাশাপাশি তারা জাতীয় দলের হয়ে খেলেন এবং সে দেশের ফুটবল সংস্থার কাছ থেকে বেতনও পান।
এখন প্রশ্ন— শতভাগ পেশাদার ফুটবলার নিয়ে গড়া বাংলাদেশ কি পারবে সান মারিনোকে হারাতে?




