শুধু বিদায়ী ম্যাচটি খেলতে রাজি হয়েছেন মেসি

আসছে ফিফা উইন্ডোতে আর্জেন্টিনা খেলবে তিনটা ম্যাচ, তবে লিওনেল মেসি খেলবেন একটি। ৬ অক্টোবর বেনিনের বিপক্ষে, মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামে।
প্রশ্ন হলো, প্রথম দুটো প্রীতি ম্যাচ বলিভিয়া ও বুরকিনা ফাসোর বিপক্ষে কেন আর্জেন্টাইন জাদুকরকে দেখা যাবে না আকাশী জার্সিতে। একটা কারণ হতে পারে, এমন তারকাকে স্টেডিয়ামের অর্ধেক দর্শকের সামনে খেলাতে চায় না আর্জেন্টিনা ফুটবল ফেডারেশন। ৩০ সেপ্টেম্বর আর্জেন্টিনা করদোবার মারিও কেম্পেস স্টেডিয়ামে অর্ধেক দর্শকের সামনে খেলবে বলিভিয়ার সঙ্গে।
বিশ্বকাপের সেমি ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের পর ফকল্যান্ড আইল্যান্ডের ব্যানার দেখানোয় ফিফা শাস্তি দিয়েছিল আর্জেন্টিনাকে। এ শৃঙ্খলাভঙ্গের কারণে ঘরের মাঠে পরবর্তী দুই ম্যাচে দর্শক ধারণক্ষমতা স্টেডিয়ামের অর্ধেকে নামিয়ে আনতে হবে। যদিও পরবর্তীতে নিষেধাজ্ঞা কমে এক ম্যাচে নেমে আসে।
তাই শুধু বলিভিয়ার ম্যাচেই থাকবে অর্ধেক দর্শক। নিষেধাজ্ঞা কমানোয় ৩ অক্টোবর বুয়েনস আইরেসের মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামে পরিপূর্ণ দর্শক উপস্থিতিতেই আর্জেন্টিনা মুখোমুখি হবে বুরকিনা ফাসোর। এ ম্যাচে তো খেলার সুযোগ ছিল মেসির! কিন্তু তিনিই খেলতে চান নি।
অবসর ঘোষণার পর তিনি আর আর্জেন্টিনার হয়ে খেলতে চাননি। আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের অনুরোধে শুধুমাত্র ৬ অক্টোবর বেনিনের বিপক্ষে ম্যাচটি খেলতে রাজি হয়েছেন লিওনেল মেসি। তারাও চায় বিশ্বসেরা ফুটবলারকে ঘটা করে বিদায় দিতে। আর্জেন্টাইন জাদুকরের বিদায়ী ম্যাচে থাকবে অনেক আয়োজন ও আনুষ্ঠানিকতা। উপস্থিত থাকবেন বিশ্বফুটবলের গুনীজনরা, সঙ্গে থাকবে মনুমেন্টালের ৮৫ হাজার দর্শক। এ ম্যাচ দিয়েই তিনি ইতি টানবেন ২১ বছরের আর্জেন্টিনা ফুটবল অধ্যায়।
২০২৫ সালের ৪ সেপ্টেম্বর এই মনুমেন্টালেই বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচে ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে মাঠে নেমেছিলেন মেসি। তখন তিনি জানিয়েছিলেন, দেশের মাটিতে এটাই তার শেষ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচ। সে-ও এক আবেগঘন পরিবেশ ছিল, তাকে বিদায় জানিয়েছিল সেদিন মনুমেন্টালে হাজির হওয়া আর্জেন্টাইন সমর্থকরা। তাদের সামনে এবার মেসির আনুষ্ঠানিক বিদায়ী ম্যাচের সাক্ষী হওয়ার সুযোগ।



