জার্মানির মাঠে অবিস্মরণীয় জয় গ্রিসের

সংগৃহীত ছবি
‘ফুটবল এমন একটি সহজ খেলা, যাতে ২২ জন ৯০ মিনিট ধরে বলের পেছনে ছুটে এবং শেষমেষ জার্মানিই জেতে’-১৯৯০ বিশ্বকাপে জার্মানির কাছে হারের পর বলেছিলেন ইংলিশ কিংবদন্তি গ্যারি লিনেকার। যন্ত্র হয়ে ওঠা সেই জার্মানিতে মরচে ধরেছে অনেক আগে। বিশ্বকাপের পর নতুন কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপকে দায়িত্ব দিয়েও সেই ব্যর্থতার তিমিরে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। রবিবার অগসবুরর্গে উয়েফা নেশনস লিগে তাদের ১-০ গোলে হারিয়ে ভূমিকম্পই ঘটিয়েছে গ্রিস। ৭৪ মিনিটে দিমিত্রিয়োস কুরবেলিসের গোল গড়ে দেয় ম্যাচের ব্যবধান।
ফল
জার্মানি ০ : ১ গ্রিস
১১বারের দেখায় এবারই প্রথম জার্মানিকে হারাল র্যাংকিংয়ে ৪১ নম্বরে থাকা গ্রিস। আর বিশ্বকাপে গ্রুপ ম্যাচে আইভরি কোস্টকে হারানোর পর এ নিয়ে টানা চার ম্যাচে জয়শূন্য রইল জার্মানি। ক্লপ দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের কাছে ১-১ গোলে ড্র করেছিল তারা।
জাভি হার্নান্দেজের সেই নেদারল্যান্ডস গ্রুপের অপর ম্যাচে সার্বিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়েছে। ‘এ’ লিগের দুই নম্বর গ্রুপে ৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে এখন গ্রিস। ২ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে এই গ্রুপে দ্বিতীয় ডাচরা। জার্মানির পয়েন্ট কেবল ১।
ম্যাচে জার্মানির বল পজেশন ছিল ৭৬ শতাংশ। পোস্টে ১৬টি শট নিয়ে পাঁচটি লক্ষ্যে রেখেছিল তারা। গ্রিস আট শট নিয়ে লক্ষ্যে রাখে একটি। সেই শটেই তারা জার্মানির মাটিতে পেল অবিস্মরণীয় জয়।
একাদশে পাঁচটি পরিবর্তন এনেছিলেন জার্মান কোচ ক্লপ। আগের ম্যাচে ৯টি সেভ করা মার্ক-আন্ড্রে টের স্টেগেনের জায়গায় গোলপোস্টে তিনি সুযোগ দেন আলেক্সান্দার নিউবেলকে। তারা আক্রমণাত্মক খেললেও গ্রিসের রক্ষণ ভাঙতে পারছিল না কোনভাবে। উল্টো ৬৭তম মিনিটে দারুণ এক সুযোগ পেয়ে যায় গ্রিস। ইওয়ানিদিস গোলরক্ষককে একা পেয়েও বাইরে মারেন শট। ৭৪ মিনিটে জার্মানির অর্ধে জায়গা পেয়ে সেটা কাজে লাগাতে ভুল করেননি কুরবেলিস।
জার্মানির এক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বক্সের মাথার ওপর থেকে নেওয়া তার শট ঝাঁপিয়ে পড়েও ঠেকাতে পারেননি জার্মানির গোলরক্ষক। জোশুয়া কিমিখের গায়ে লেগে জালে জড়ানো এই গোলই গড়ে দেয় ম্যাচের ভাগ্য।



