জিতেছে পিএসজি-লিভারপুল
৭ মিনিটের ঝড়ে ৭ গোলের রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে রিয়ালের জয়

সংগৃহীত ছবি
শেষ পর্যন্ত লড়াই করাটা রিয়াল মাদ্রিদের ডিএনএতেই আছে। হারার আগে কখনও হাল ছাড়ে না তারা। সেই অদম্য লড়াই আরও একবার করল রিয়াল। তাতেই চ্যাম্পিয়নস লিগে ৭ গোলের রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে রোমার বিপক্ষে পেল ৪-৩ ব্যবধানের রুদ্ধশ্বাস জয়।
ফল
রোমা ৩ : ৪ রিয়াল মাদ্রিদ
ম্যানসিটি ২ : ৪ পিএসজি
লাস্ক ৩ : ৬ লিভারপুল
অ্যাস্টন ভিলা ৬ : ০ ফেনারবাচে
অপর ম্যাচে ম্যানচেস্টার সিটিকে ৪-২ গোলে হারিয়েছে পিএসজি। জোড়া গোল করেও সিটিকে জেতাতে পারেননি আর্লিং হলান্ড। পিএসজির হয়ে একবার করে বল জালে জড়ান দেজিরে দুয়ে, উসমান দেম্বেলে ও ভিতিনিয়া ও মাহনেস আকিউস।
শেষ দিকে পেনাল্টি মিস করে করেছিলেন পিএসজির ফেররান তোরেস।আর লাস্ককে ৬-৩ ব্যবধানে হারানো ম্যাচে লিভারপুলের হয়ে হ্যাটট্রিক করেছেন ব্রাডলি বারকোলা।
৮২ মিনিট পর্যন্ত ৩-১ গোলে এগিয়ে ছিল রোমা। তখন মনে হচ্ছিল জোসে মরিনহোর পুরোনো দলই হারাতে চলেছে রিয়ালকে। এরপরই শুর রোমাঞ্চের। ৮৩ থেকে ৯০- মাত্র সাত মিনিটের ঝড়ে তিন গোল করে রোমাকে স্তব্ধ করে দেয় রিয়াল।
একবার করে বল জালে পাঠান কার্লোস এসপি, এনদ্রিক ও আন্তোনিও রুডিগার। ফিরে আসার আরও একটি গল্প লিখে রিয়াল ম্যাচ জেতে ৪-৩ ব্যবধানে।
৫৫ শতাংশ বলের দখল রেখে পোস্টে ১৪ শট নিয়ে সাতটি লক্ষ্যে রাখতে পারে রোমা। রিয়ালের মোট ১৬ শটের আটটি ছিল লক্ষ্যে। দুই ম্যাচের দুটি জিতলেও ৬ পয়েন্ট নিয়ে গোল গড়ে অষ্টম স্থানে রিয়াল।
মরিনহোর হাত ধরে ২০২১-২২ মৌসুমে রোমা জিতেছিল কনফারেন্স লিগ। পরের মৌসুমে তারা খেলে ইউরোপা লিগের ফাইনাল। এজন্য গ্যালারিতে মরিনেহোর নামে লাগানো হয়েছিল কয়েকটি ব্যানার।
২০ মিনিটে মাতিয়াস সুলের পাস থেকে ২০ গজ দূরের শটে মার্তেন দে রুন এগিয়ে দেন রোমাকে। চ্যাম্পিয়নস লিগে নিজের শততম ম্যাচ খেলতে নামা কিলিয়ান এমবাপ্পে সমতা ফেরান ২৫ মিনিটে। তার শট জিয়ানলুকা মানচিনির পায়ে লেগে জড়ায় জালে। চ্যাম্পিয়নস লিগে এটি এমবাপ্পের ৭২তম গোল।
৫১ ও ৫৭ মিনিটে দোনিয়েল মালেনের দুই গোলে রোমা এগিয়ে যায় ৩-১ ব্যবধানে।
এরপর রক্ষণ শক্তিশালী করতে কয়েকটি পরিবর্তন করেছিল রোমা। বুমেরাং হয়েছে সেটাই। ৮৩ মিনিটে এক গোল ফেরান এসপি। শুরুতে অফসাইডের পতাকা উঠলেও ভিএআরের সাহায্যে গোলের বাঁশি বাজান রেফারি।
৮৫ মিনিটে গুলেরের কর্নার থেকে হেডে ম্যাচে ৩-৩ সমতা ফেরান এনদ্রিক। ৯০ মিনিটে গুলেরের আরেকটি অ্যাসিস্টে দারুণ ভলিতে বল জালে পাঠিয়ে রিয়ালকে রুদ্ধশ্বাস জয় এনে দেন রুডিগার। অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে স্টেডিয়ামে নিস্তব্ধ করে দেয় মরিনহোর দল। অচ তার নামেই ব্যানার টাঙানো হয়েছিল গ্যালারিতে!



