সবাইকে সুযোগ দিতে চান মিরাজ

সবাইকে সুযোগ দেওয়ার কথা বলেছেন মিরাজ। ছবি: আগামীর সময়
সবশেষ ওয়ানডে সিরিজে পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচে একই একাদশ খেলিয়েছে বাংলাদেশ। পরিবর্তন না এনেও সেবার সিরিজ নিশ্চিত করে মেহেদী হাসান মিরাজের দল। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এই সাফল্যের তৃপ্তি ছিল তার কন্ঠে। ওই সিরিজে একাদশের বাইরের ক্রিকেটাররা খেলার সুযোগ পাননি।
মিরাজ তাদের হতাশ করছেন না, একাদশে সুযোগ দেওয়ার আশ্বাস দিলেন। পাশাপাশি সিরিজ জয়ী একাদশে পরিবর্তন আনারও খুব সুযোগ দেখছেন না। তাহলে কি পাকিস্তান সিরিজের একাদশই কিউইদের বিপক্ষে নামছে?
ব্যাটিং লাইন নিয়ে বাংলাদেশ দলের বরাবরই দুশ্চিন্তা থাকে। পাকিস্তানের সঙ্গে ব্যাটাররা তিন ম্যাচের দুটিতে ভালো করায় মিরাজদের সেই চিন্তা আপাতত কমেছে, “আমার কাছে মনে হয় না ঐরকম বেশি গ্যাপ আছে । আর যেহেতু একটা জায়গায় নিয়ে আমরা চিন্তিত ছিলাম- ব্যাটাররা রান করতে পারছে না কিন্তু এখন সবাই খুব ভালো অবস্থায় আছে এবং রান করছে। এটাও একটা দলের জন্য ইতিবাচক দিক।”
পাকিস্তান সিরিজে দলে থাকা সৌম্য সরকার, আফিফ হোসেন ও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনরা সুযোগ পাননি একাদশে। সৌম্য তৃতীয় ওপেনার হিসেবে এবং আফিফ-অঙ্কন ছিলেন মিডলঅর্ডার বিবেচনায়। শুরুর একাদশে থাকা সাইফ হাসান, তানজিদ তামিম, নাজমুল শান্ত ও লিটন দাসদের ওপর ভরসা রাখে টিম ম্যানেজমেন্ট।
পাকিস্তান সিরিজের পর নিউজিল্যান্ড সিরিজেও বেঞ্চে থাকা ব্যাটারদের সুযোগ কম। তাই বলে একেবারে যে নেই তা নয়। মিরাজ সেই অভয় দিয়েছেন, “প্রত্যেক খেলোয়াড়ই সুযোগ পাবে। কারণ আমাদের কিন্তু একটা সিরিজ না বিশ্বকাপের আগে অনেক ম্যাচ আছে। আধিনায়ক হিসেবে আমি বিশ্বাস করি যে প্রত্যেকটা প্লেয়ারই সুযোগ পাবে তার তার জায়গা থেকে।”
সৌম্য সরকার জাতীয় দলের জার্সিতে শেষবার মাঠে নেমেছিলেন গত অক্টোবরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। ওই সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ৪৫ ও শেষ ম্যাচে ৯১ রানের ইনিংস খেলেও পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের কোনোটিতে একাদশে ছিলেন না তিনি।
এ নিয়ে মিরাজের ব্যাখ্যা, ‘একটা ব্যাটারের ফর্মে থাকাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা শেষ যে সিরিজটা খেলেছি, সেখানে একশ রানের উদ্বোধনী জুটি ছিল। এটাও আমাদের দলের জন্য একটা অ্যাডভান্টেজ ছিল। যদি শুরুতেই উইকেট পড়ে যায়, একটা দলের অনেক চাপ চলে আসে। আমরা হয়তো অনেক সময় হিসাব করি যে অনেক বড় স্কোর করেছে, কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে ১০–২০–২৫ রানও অনেক প্রভাব রাখতে পারে।’
মিরাজের সাবেক সতীর্থ তামিম ইকবাল এখন বিসিবির সভাপতি। বোর্ড সভাপতি হিসেবে তার প্রতি আশাবাদও বেশি মিরাজের, 'যেহেতু একসাথে ক্রিকেট খেলেছি, তিনি আমাদের সম্পর্কে আরও ভালো জানবেন। আমাদের কী চাহিদা, কী পছন্দ করি, যেহেতু তিনি সম্প্রতি খেলা ছেড়েছেন, এটা খেলোয়াড়দের জন্য ইতিবাচক দিক।'

