Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
৫০ হাজার তালবীজ রোপণ কামালের
শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় ভারত

বিধানসভা নির্বাচন

পশ্চিমবঙ্গে ভোট দিতে পারবেন না লাখো মুসলিম, নেপথ্যে কী?

আলজাজিরা
agamir somoy
প্রকাশ: ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৭:২৯
পশ্চিমবঙ্গে ভোট দিতে পারবেন না লাখো মুসলিম, নেপথ্যে কী?

এসআইআর প্রক্রিয়ার পর পশ্চিমবঙ্গে ৯০ লাখেরও বেশি মানুষ হারিয়েছেন ভোটাধিকার।

পশ্চিমবঙ্গের ৭৩ বছর বয়সী বৃদ্ধা নবিজান মণ্ডল। গত ৫০ বছর ধরে ভারতের প্রতিটি নির্বাচনে দিয়ে আসছেন ভোট। তবে হঠাৎ করেই তিনি দেখলেন, তার নাম নেই ভারতের নির্বাচন কমিশন (ইসিআই) প্রকাশিত নতুন ভোটার তালিকায়।

পশ্চিমবঙ্গে আগামী ২৩ ও ২৯ এপ্রিল দুই দফায় বিধানসভা নির্বাচন হবে, আর ভোট গণনা ৪ মে। নির্বাচনের আগে এই মাসেই বিশেষ নিবিড় পুনর্বিবেচনা (এসআইআর) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভোটার তালিকা সংশোধন করেছে ইসিআই। দেশজুড়ে একাধিক রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে চালানো হয়েছে এ প্রক্রিয়া। তবে এ নিয়ে ইতোমধ্যে তৈরি হয়েছে ব্যাপক বিতর্ক।

নবিজানের পরিবারের সবার নাম থাকলেও নেই তার। কারণ হিসেবে জানা যায়, তিনি ভোটার কার্ডে ‘নবিজান’ নামে পরিচিত। তবে আধার কার্ড ও রেশন কার্ডের মতো সরকারি নথিতে তার নাম রয়েছে ‘নবিরুল’ হিসেবে।

নবিজন মণ্ডল

এসআইআর প্রক্রিয়ার পর পশ্চিমবঙ্গে ৯০ লাখেরও বেশি মানুষ হারিয়েছেন ভোটাধিকার। যা রাজ্যের মোট ৭ কোটি ৬০ লাখ ভোটারের প্রায় ১২ শতাংশ। এর মধ্যে প্রায় ৬০ লাখকে অনুপস্থিত বা মৃত চিহ্নিত করা হয়েছে, আর বাকি ৩০ লাখ ভোট দিতে পারবেন না বিশেষ ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত।

‘আমি খুব কষ্টে আছি। কাকে বলব? কখনো ভাবিনি আমার নাম কাটা যাবে। এখন যাই হোক, নাম ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করব।’

তবে নির্বাচনের আগে এত বিপুল সংখ্যক মামলার শুনানি হওয়া প্রায় অসম্ভব। প্রয়োজনীয় নথি জোগাড় করাও অনেকের জন্য কঠিন। ভারতের সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, যাদের মামলা বিচারাধীন, তারা এপ্রিলে ভোট দিতে পারবেন না। তবে নির্বাচন কমিশন চাইলে প্রকাশ করতে পারে পরিপূরক ভোটার তালিকা।

‘পরিকল্পিত পদক্ষেপ’

২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে প্রায় দুই কোটি ৫০ লাখ মুসলমান বাস করেন, যা রাজ্যের মোট জনসংখ্যার প্রায় ২৭ শতাংশ।

এই রাজ্যে কখনো জয় পায়নি বিজেপি। ২০১১ সাল থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায়, যা অবসান ঘটিয়েছিল ৩৪ বছরের বাম শাসনের।

ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া নাম বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, মুসলমানরা এ প্রক্রিয়ায় তুলনামূলক বেশি ক্ষতিগ্রস্ত, বিশেষ করে যেসব জেলায় তাদের জনসংখ্যা বেশি। যেমন মুর্শিদাবাদে ৪ লাখ ৬০ হাজার, উত্তর ২৪ পরগনায় ৩ লাখ ৩০ হাজার এবং মালদায় বাদ গেছে ২ লাখ ৪০ হাজার নাম।

‘পুরুষদের যেখানে বর্তমান ঠিকানার কাগজ দিতে হয়, নারীদের দিতে হয় বাবার বাড়ির কাগজ। এই বৈষম্যের কারণেই বাদ পড়েছে অনেক নারীর নাম।’

গোবিন্দপুর, গোবরা ও বালকি গ্রামের বহু মুসলিম পরিবার জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় নথি থাকলেও কেটে দেওয়া হয়েছে তাদের নাম। আবার অনেকেই বাসস্থানের প্রমাণ, বিয়ের পর নাম পরিবর্তন, বানান ভুল বা অন্য রাজ্যে স্থানান্তরের প্রমাণ দিতে হিমশিম খাচ্ছেন।

মুর্শিদাবাদের সাগরপাড়া গ্রামের ৪৯ বছর বয়সী শহিদুল ইসলামও আগে ভোট দিয়েছেন, এখন তিনি আর ভোটার নন।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে শহিদুলের ভাষ্য, ‘আমি খুব কষ্টে আছি। কাকে বলব? কখনো ভাবিনি আমার নাম কাটা যাবে। এখন যাই হোক, নাম ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করব।’

ইসিআই বলছে, এসআইআর প্রক্রিয়ার উদ্দেশ্য ভুয়া বা মৃত ভোটার বাদ দেওয়া এবং প্রকৃত ভোটারদের অন্তর্ভুক্ত করা।

তবে বিরোধী দল ও মুসলিম সংগঠনগুলোর অভিযোগ, এটি একটি পরিকল্পিত পদক্ষেপ—যেখানে মুসলমানদের বাদ দেওয়া হচ্ছে ভোটার তালিকা থেকে।

২০১৪ সালের পর থেকে মূলত বিজেপির বিরোধী দলগুলোকেই ভোট দিয়ে আসছেন ভারতের মুসলমানরা

দ্রুত প্রক্রিয়ার পেছনে প্রশ্ন

২০১৪ সালের পর থেকে মূলত বিজেপির বিরোধী দলগুলোকেই ভোট দিয়ে আসছেন ভারতের মুসলমানরা। পশ্চিমবঙ্গে সেই দল তৃণমূল কংগ্রেস। তাই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সুপ্রিম কোর্টে অভিযোগ করেন, এসআইআর প্রক্রিয়ায় পক্ষপাত দেখিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

মুসলমানরা এ প্রক্রিয়ায় তুলনামূলক বেশি ক্ষতিগ্রস্ত, বিশেষ করে যেসব জেলায় তাদের জনসংখ্যা বেশি। যেমন মুর্শিদাবাদে ৪ লাখ ৬০ হাজার, উত্তর ২৪ পরগনায় ৩ লাখ ৩০ হাজার এবং মালদায় বাদ গেছে ২ লাখ ৪০ হাজার নাম।

বিজেপি বলছে, এই উদ্যোগ ‘অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের’ বাদ দেওয়ার জন্য নেওয়া— যেখানে ‘বাংলাদেশি’ ও ‘রোহিঙ্গা’দের উল্লেখ করা হচ্ছে।

বিশ্লেষক সাবির আহমেদ বলছিলেন, ভোটার তালিকা সংশোধন সাধারণত দীর্ঘ সময় ধরে হয়, কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে করা হয়েছে তড়িঘড়ি করে।

তার মতে, ‘এই তাড়াহুড়োর পেছনে উদ্দেশ্য থাকতে পারে।’

গবেষণায় দেখা গেছে, কিছু এলাকায় মুসলিম ভোটারদের নামই বেশি কাটা হয়েছে। যেমন নন্দীগ্রামে মোট জনসংখ্যার ২৫ শতাংশ মুসলিম হলেও বাদ পড়া নামের ৯৫ শতাংশই মুসলিম।

আইনবিদ স্বাতী নারায়ণ বলেছেন, নারী ও দরিদ্র মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, কারণ তাদের কাছে প্রয়োজনীয় নথি কম থাকে।

‘এই মাটিতে খুঁড়লে আমাদের নাড়ি পাওয়া যাবে। আমি একজন মুসলমান— আমরা এখানেই ভোট দেব, এখানেই মরব।’

রাজনৈতিক বিশ্লেষক যোগেন্দ্র যাদবের মতে, ‘পুরুষদের যেখানে বর্তমান ঠিকানার কাগজ দিতে হয়, নারীদের দিতে হয় বাবার বাড়ির কাগজ। এই বৈষম্যের কারণেই বাদ পড়েছে অনেক নারীর নাম।’

নারী ও দরিদ্র মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন
‘আমরা এখানেই থাকব’

মুর্শিদাবাদের শহিদুল ইসলামের দাবি, সব নথি জমা দেওয়ার পরও তার নাম কেটে দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলছেন, ‘এই মাটিতে খুঁড়লে আমাদের নাড়ি পাওয়া যাবে। আমি একজন মুসলমান— আমরা এখানেই ভোট দেব, এখানেই মরব।’

বিধানসভা নির্বাচনপশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনমুসলিম ভোটার
    শেয়ার করুন:
    advertisement
    advertisement
    চালক মোবাইলে কথা বলতে বলতেই চালাচ্ছিলেন, উল্টে গেল যাত্রীবাহী বাস

    চালক মোবাইলে কথা বলতে বলতেই চালাচ্ছিলেন, উল্টে গেল যাত্রীবাহী বাস

    ০৭ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

    বঙ্গোপসাগরে জেলের জালে ১.৭ কেজির রূপচাঁদা, বিক্রি হলো ৪ হাজার টাকায়

    বঙ্গোপসাগরে জেলের জালে ১.৭ কেজির রূপচাঁদা, বিক্রি হলো ৪ হাজার টাকায়

    ০৭ আগস্ট ২০২৬, ০০:৪৩

    লিসবনে বাংলাদেশ দূতাবাসে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস পালিত

    লিসবনে বাংলাদেশ দূতাবাসে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস পালিত

    ০৭ আগস্ট ২০২৬, ০০:০৪

    পুলিশকে পিটিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করেছি, বললেন এনসিপি নেতা

    পুলিশকে পিটিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করেছি, বললেন এনসিপি নেতা

    ০৭ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৬

    যুদ্ধের মোড় ঘুরতেই মিয়ানমারে শান্তি আলোচনার সম্ভাবনা

    যুদ্ধের মোড় ঘুরতেই মিয়ানমারে শান্তি আলোচনার সম্ভাবনা

    ০৭ আগস্ট ২০২৬, ০০:২৬

    ৫০ হাজার তালবীজ রোপণ কামালের

    ৫০ হাজার তালবীজ রোপণ কামালের

    ০৭ আগস্ট ২০২৬, ০২:৩৯

    আবদুল এল-সাইয়েদের জয়ে ক্ষুব্ধ ট্রাম্প, কমিউনিজম নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য!

    আবদুল এল-সাইয়েদের জয়ে ক্ষুব্ধ ট্রাম্প, কমিউনিজম নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য!

    ০৭ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৩

    স্থানীয় নির্বাচন এ বছর হচ্ছে না!

    স্থানীয় নির্বাচন এ বছর হচ্ছে না!

    ০৭ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৩৮

    ইরান যুদ্ধে ট্রাম্পের সামনে কঠিন সমীকরণ, বাড়ছে রাজনৈতিক চাপ

    ইরান যুদ্ধে ট্রাম্পের সামনে কঠিন সমীকরণ, বাড়ছে রাজনৈতিক চাপ

    ০৭ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৫৭

    ফাঁসির সাজা টিকছে না চারটির ৩টিই

    ফাঁসির সাজা টিকছে না চারটির ৩টিই

    ০৭ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৪২

    ট্রলি ব্যাগভর্তি জাল টাকার নোটে স্বর্ণ কেনার চেষ্টা, যুবক আটক

    ট্রলি ব্যাগভর্তি জাল টাকার নোটে স্বর্ণ কেনার চেষ্টা, যুবক আটক

    ০৭ আগস্ট ২০২৬, ০১:২৯

    ডায়াবেটিস প্রতিরোধে বিজ্ঞান ও ধর্মীয় মূল্যবোধকে একসঙ্গে কাজে লাগাতে হবে

    ডায়াবেটিস প্রতিরোধে বিজ্ঞান ও ধর্মীয় মূল্যবোধকে একসঙ্গে কাজে লাগাতে হবে

    ০৭ আগস্ট ২০২৬, ০০:০২

    পুনর্মূল্যায়নে ব্যয় কমল ৬৯৭৪ কোটি টাকা

    পুনর্মূল্যায়নে ব্যয় কমল ৬৯৭৪ কোটি টাকা

    ০৭ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৪১

    দেশের সব বিমানবন্দরে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ

    দেশের সব বিমানবন্দরে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ

    ০৭ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩০

    পুলিশকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চলছে

    পুলিশকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চলছে

    ০৭ আগস্ট ২০২৬, ০২:০৫

    advertiseadvertise