অলিম্পিক ক্রিকেটে কীভাবে সুযোগ পাবে বাংলাদেশ?

সংগৃহীত ছবি
লস অ্যাঞ্জেলসে ২০২৮ আসর দিয়ে ক্রিকেট ফিরছে অলিম্পিকসে। বিশ্ব ক্রীড়ার সবচেয়ে বড় আয়োজনে ক্রিকেট থাকছে ১২৮ বছর পর। সেই আসরে অংশ নিতে বাংলাদেশকে কী করতে হবে?
এবারের অলিম্পিকে পুরুষ ও নারী উভয় বিভাগে মাত্র ৬টি করে দেশ অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে। যুক্তরাষ্ট্রের পোমোনাতে অলিম্পিকের জন্য বিশেষভাবে তৈরি ক্রিকেট ভেন্যুতে পুরুষ ও নারী ইভেন্ট মিলিয়ে মোট ২৮টি ম্যাচ হবে। প্রতিটি দল অলিম্পিকের জন্য ১৫ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা করতে পারবে।
অলিম্পিকে আফ্রিকা, এশিয়া, ইউরোপ এবং ওশেনিয়া অঞ্চলের দল প্রতিনিধিত্ব করবে। দুই বিভাগের জন্য মোট ৫টি করে দল চূড়ান্ত করা হবে আইসিসির টুর্নামেন্ট এবং আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ের ওপর ভিত্তি করে। ৬ষ্ঠ দলের ভাগ্য নির্ধারিত হবে ২০২৭ সালের হতে যাওয়া বিশেষ ‘আইসিসি অলিম্পিক কোয়ালিফায়ার’ টুর্নামেন্টের মাধ্যমে। মোট ৮টি দেশের লড়াই থেকে একটি দল অলিম্পিকের টিকিট পাবে।
পুরুষদের ক্ষেত্রে আগামী ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ সালের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিং অনুযায়ী মহাদেশগুলোর শীর্ষ দল সরাসরি অলিম্পিকে চলে যাবে। এই মুহূর্তে বাংলাদেশ আছে ৮ নম্বরে।
২০২৬ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে অলিম্পিকের প্রথম চারটি দল চূড়ান্ত হয়ে গেছে। মহাদেশীয় কোটার নিয়ম অনুযায়ী ওশেনিয়া অঞ্চল থেকে অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপ থেকে গ্রেট ব্রিটেন, এশিয়া থেকে ভারত এবং আফ্রিকা অঞ্চল থেকে দক্ষিণ আফ্রিকা অলিম্পিকে খেলা নিশ্চিত করেছে। বাংলাদেশ নারী দল আছে র্যাঙ্কিংয়ের ১০ম অবস্থানে।
স্বাগতিক দেশ হিসেবে আমেরিকার পুরুষ ও নারী দলের সরাসরি খেলার সুযোগ রয়েছে। তবে এর জন্য শর্ত হচ্ছে, ৩০ জুন ২০২৬ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ সালের মধ্যে আইসিসি টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ ১৫ এর মধ্যে মার্কিন দলকে থাকতে হবে। যদি তারা এই শর্ত পূরণে ব্যর্থ হয়, তবে তাদের জায়গাটি র্যাঙ্কিংয়ের পরবর্তী যোগ্য দলের কাছে চলে যাবে।
যদিদ যুক্তরাষ্ট্রের নারী দল এই শর্ত পূরণে ব্যর্থ হয়, তবে ২০২৭ সালের ১ মার্চের র্যাঙ্কিং অনুযায়ী যেকোনো মহাদেশের শীর্ষ অনুত্তীর্ণ দলটিকে পঞ্চম অটোমেটিক স্লটটি দেওয়া হবে। পুরুষ দল ব্যর্থ হলে, ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বরের র্যাঙ্কিং অনুযায়ী যেকোনো মহাদেশের পরবর্তী শীর্ষ দল অলিম্পিকে খেলার সুযোগ পাবে।
ওয়েস্ট ইন্ডিজকে নিয়ে রয়েছে বিশেষ নিয়ম। যেহেতু ওয়েস্ট ইন্ডিজ কোনো একক দেশ নয় এবং অলিম্পিক কমিটির স্বীকৃতি নেই, তাই সরাসরি ওয়েস্ট ইন্ডিজ নামে তারা খেলতে পারবে না। তবে ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে যদি তাদের র্যাঙ্কিং শীর্ষ আটে থাকে, তবে ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের দেশগুলোর জন্য একটি বিশেষ বাছাইপর্ব হবে। সেখান থেকে বিজয়ী দেশটি অলিম্পিক কোয়ালিফায়ারে খেলার সুযোগ পাবে।




