Agamir Somoy E-Paper
সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬
আগামীর সময়
অসহায়দের পাশে অন্তর হাজং
সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় কলাম

পেশাজীবীদের নিয়ে রাজনীতি, পেশাজীবীদের রাজনীতি

আলী ইমাম মজুমদার
agamir somoy
প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০০:১০
পেশাজীবীদের নিয়ে রাজনীতি, পেশাজীবীদের রাজনীতি

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

রাষ্ট্রের মূল চালিকাশক্তি হলো, এর বিভিন্ন খাতের দক্ষ পেশাজীবী সমাজ। শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, বিজ্ঞানী কিংবা আমলা— তাদের সম্মিলিত মেধা ও শ্রমের ওপর ভর করেই একটি রাষ্ট্র কাঠামোগতভাবে দাঁড়িয়ে থাকে। কিন্তু বাংলাদেশের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক ইতিহাসে একটি দীর্ঘস্থায়ী ও অনাকাঙ্ক্ষিত সত্য হলো, ক্ষমতার প্রতিটি পটপরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে পেশাজীবী সমাজ একধরনের টানাপড়েনের মুখোমুখি হয়। সম্প্রতি বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহর ইমেরিটাস অধ্যাপক পদ বাতিল এবং তার দীর্ঘদিনের বেতন-ভাতা ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত সমাজকে আরও একবার এই মৌলিক সংকটের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে।

এ ঘটনাকে কোনো বিচ্ছিন্ন বিষয় হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এটি মূলত বাংলাদেশের চিরন্তন রাজনৈতিক সংস্কৃতির একটি অংশ, যেখানে ক্ষমতার বদল ঘটলেই শীর্ষস্থানীয় শিক্ষক, চিকিৎসক এবং আমলাদের ঢালাওভাবে ‘বিগত সরকারের দোসর’ কিংবা সহযোগী হিসেবে চিহ্নিত করার একধরনের প্রশাসনিক ও সামাজিক প্রবণতা দেখা যায়। ডা. আব্দুল্লাহর পাশাপাশি ডা. দ্বীন মোহাম্মদ, ডা. সামন্ত লাল সেন এবং ডা. প্রাণগোপাল দত্তের মতো চিকিৎসকরা তাদের পেশাগত ক্ষেত্র থেকে দূরে বা নিষ্ক্রিয় অবস্থানে রয়েছেন। অনেকে এজন্য শুধু গত ইন্টেরিম সরকারের ওপর দায় চাপাতে চায়; কিন্তু আমার পর্যবেক্ষণ বলছে— বাংলাদেশে সব সরকারের সময়ই এরকম ঘটনার উদাহরণ পাওয়া যাবে।

একটি রাষ্ট্র ও সমাজব্যবস্থার জন্য এ পরিস্থিতি গভীর পর্যালোচনার দাবি রাখে। অভিজ্ঞতার আলোকে যদি আমরা এ সংকটের বিশ্লেষণ করি, তবে দেখা যাবে এর দায় যেমন একপাক্ষিক নয়, তেমনি এর সমাধানও শুধু ব্যবস্থার পরিবর্তনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এখানে যেমন জড়িয়ে রয়েছে ‘পেশাজীবীদের নিয়ে রাজনীতি’, তেমনি সমানভাবে ভূমিকা রাখছে ‘পেশাজীবীদের নিজস্ব রাজনীতি’।

মেধার অপচয় বনাম ‘শুদ্ধি অভিযান’

বাংলাদেশের ইতিহাসে যেকোনো গণঅভ্যুত্থান বা রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর ‘শুদ্ধি অভিযান’ বা বড় ধরনের প্রশাসনিক রদবদলকে স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হিসেবেই গণ্য করা হয়ে আসছে। নতুন সরকার বা ব্যবস্থা এসে প্রশাসনের শীর্ষ স্তরে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চায়, যা প্রাতিষ্ঠানিক ধারাবাহিকতা রক্ষার খাতিরে অনেক সময় প্রয়োজনীয় বলে মনে করা হয়। প্রশ্ন ওঠে তখনই, যখন এ রদবদলের হাওয়া পেশাগত দক্ষতার পরিমণ্ডলকে আঘাত করে।

যখন ডা. দ্বীন মোহাম্মদ, ডা. সামন্ত লাল সেন বা ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহর মতো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এবং জাতীয় স্তরের বিশেষজ্ঞদের শুধু রাজনৈতিক পরিচয় বা পূর্ববর্তী সরকারের আমলের সংশ্লিষ্টতার কারণে মূল স্রোত থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়া হয়, তখন দিনশেষে ক্ষতিটা কার হয়? চিকিৎসা বা শিক্ষার মতো সংবেদনশীল খাতগুলোতে মেধার কোনো রাজনৈতিক বিকল্প হয় না। একজন দক্ষ নিউরোলজিস্ট বা বার্ন বিশেষজ্ঞ তৈরি হতে রাষ্ট্রের বহু বছর সময় লাগে। ফলে রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক কারণে যখন তারা নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েন, তখন প্রকারান্তরে দেশের সাধারণ জনগণই উন্নত ও বিশেষায়িত সেবা থেকে বঞ্চিত হয়। মেধার এ রাজনৈতিক অপচয় একটি উন্নয়নকামী রাষ্ট্রের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতাকে দীর্ঘমেয়াদে দুর্বল করে তোলে।

রাজনীতি বনাম দীর্ঘদিনের অবদান: মূল্যায়ন পদ্ধতি

একটি কল্যাণকামী ও সুশাসিত রাষ্ট্রে একজন শীর্ষ পেশাজীবীর মূল্যায়নের ভিত্তি কী হওয়া উচিত— তার আজীবনের পেশাগত সেবা ও মেধা, নাকি রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা? এটি এক জটিল মনস্তাত্ত্বিক ও প্রশাসনিক প্রশ্ন। আলোচ্য চিকিৎসকদের মধ্যে কেউ কেউ সরাসরি দলীয় রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন, আবার কেউ কেউ ছিলেন পেশাগতভাবে শীর্ষস্থানীয় এবং তৎকালীন সরকার বা রাষ্ট্রপ্রধানের ঘনিষ্ঠ।

এখানে একটি সূক্ষ্ম পার্থক্য বোঝা প্রয়োজন। অনেকে হয়তো সরাসরি কোনো রাজনৈতিক দলের নীতিনির্ধারণে যুক্ত থাকেন না; কিন্তু তাদের পেশাগত অবস্থান ও দক্ষতার কারণে তারা সরকারের ঘনিষ্ঠ মহলে স্থান পান। তবে দুর্ভাগ্যজনকভাবে, বাংলাদেশের সামগ্রিক প্রেক্ষাপটে পেশাজীবী সমাজ ঢালাওভাবে রাজনীতিকীকরণের শিকার। যখন একটি পুরো পেশাজীবী সমাজ বা কোনো নির্দিষ্ট পেশাদার গোষ্ঠী সামগ্রিকভাবে দলীয় রাজনীতির সমীকরণে আবর্তিত হতে থাকে, তখন তার একটি সম্মিলিত নেতিবাচক প্রভাব পড়ে পুরো খাতের ওপর। ফলে যিনি সরাসরি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নন; কিন্তু কোনোভাবে ব্যবস্থার অংশ ছিলেন, পরিস্থিতির শিকার হয়ে তাকেও একই ধরনের খেসারত দিতে হয়। পেশাগত মেধা এবং রাজনৈতিক আনুগত্যের মধ্যে স্পষ্ট সীমারেখা টানতে না পারাটাই আমাদের প্রশাসনিক ব্যবস্থার অন্যতম বড় বিচ্যুতি।

প্রাতিষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত এবং গণমাধ্যমের ভূমিকা

শিক্ষক বা আমলাদের যেভাবে বিভিন্ন সময়ে তড়িঘড়ি করে অব্যাহতি দেওয়া হয়, ওএসডি করা হয়; কিংবা পদচ্যুত করা হয়— সেগুলোর আইনি ও প্রশাসনিক ভিত্তি নিয়ে প্রায়ই বিতর্ক ওঠে। অনেক সময় দেখা যায়, এ সিদ্ধান্তগুলোর পেছনে সরকারের সরাসরি কোনো নির্দেশ বা নীতিগত সিদ্ধান্ত থাকে না। যেমন ডা. আব্দুল্লাহর ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিজস্ব সিন্ডিকেট এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অর্থাৎ প্রাতিষ্ঠানিক স্বায়ত্তশাসনের সুযোগ নিয়ে অনেক সময় অভ্যন্তরীণ কর্তৃপক্ষই অতিউৎসাহী হয়ে এমন পদক্ষেপ গ্রহণ করে। ফলে যে প্রাতিষ্ঠানিক অনিয়মের মাধ্যমে এ ধরনের কাজ করা হয়, সেখানে ওই প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহির মুখে আনা দরকার।

এ পুরো প্রক্রিয়ায় গণমাধ্যমের ভূমিকাও উপেক্ষা করার মতো নয়। অনেক সময় দেখা যায়, বিভিন্ন গণমাধ্যম সুনির্দিষ্ট তথ্য বা অপরাধের বিচার না করেই ঢালাওভাবে নির্দিষ্ট কিছু পেশাজীবীকে ‘অমুকের সহযোগী’ বা ‘বিগত ব্যবস্থার সুবিধাভোগী’ হিসেবে চিহ্নিত করে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এটি প্রশাসনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার ওপর একধরনের মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি করে। ফলে নিয়মতান্ত্রিক ও আইনানুগ প্রক্রিয়ার চেয়ে লোকদেখানো বা চাপের মুখে নেওয়া সিদ্ধান্তেরই জয়জয়কার ঘটে।

পেশাজীবীদের আত্মঘাতী লেজুড়বৃত্তি

এ সংকটের সবচেয়ে বড় এবং নির্মম সত্যটি লুকিয়ে রয়েছে খোদ পেশাজীবী সমাজের নিজেদের আচরণের মধ্যে। বাইরে থেকে একে রাজনৈতিক দলের বা ক্ষমতাসীনদের প্রতিশোধমূলক আচরণ মনে হলেও, এর অভ্যন্তরীণ রসদ জোগায় খোদ ওইসব প্রতিষ্ঠানের ভেতরে থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারীরাই।

এটি একটি প্রতিষ্ঠিত সত্য যে, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানেই ক্ষমতা পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে একদল সুযোগসন্ধানী পেশাজীবী সক্রিয় হয়ে ওঠে। তারা রাতারাতি নিজেদের খোলস বদলে নতুন ব্যবস্থার পক্ষের লোক হিসেবে জাহির করে এবং রাজনৈতিক নেতাদের বা নীতিনির্ধারকদের কাছে গিয়ে পুরনো সহকর্মীদের বিরুদ্ধে লবিং শুরু করে। নিজেদের পদোন্নতি, ভালো পোস্টিং বা প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার জন্য তারাই সহকর্মীদের বলির পাঁঠা বানায়।

এ আত্মঘাতী রাজনীতি পেশাজীবী সংগঠনগুলোর ভেতরে একধরনের স্থায়ী অবিশ্বাস ও বিভাজন সৃষ্টি করেছে। ফলে আজ যে পক্ষ ক্ষমতার ছায়ায় থেকে অন্যপক্ষকে সাফার করাচ্ছে, কাল যখন আবার সময় ও ক্ষমতার চাকা ঘুরে যাবে, তখন আজকের সুবিধাভোগীরাই আবার একই প্রক্রিয়ায় সাফার করবে। এ প্রতিশোধ ও প্রতিহিংসার বৃত্ত ভাঙা না গেলে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারই স্থায়ী রূপ নিতে পারে না।

মেধার রাজনৈতিক অপচয় এবং পেশাজীবীদের নিজেদের ভেতরের এ লেজুড়বৃত্তির সংস্কৃতি যদি বন্ধ না হয়, তবে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারই ফলপ্রসূ হবে না। একটি টেকসই রাষ্ট্র গঠনে পেশাজীবীদের বিচার তাদের মেধা ও কর্মের ভিত্তিতে হওয়া বাঞ্ছনীয়, সাময়িক রাজনৈতিক সমীকরণে নয়।

লেখক: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সাবেক সচিব ও অন্তর্বর্তী সরকারের একজন সাবেক উপদেষ্টা

 

পেশাজীবীরাজনীতিমতামতকলাম
    শেয়ার করুন:
    advertisement
    advertisement
    advertisement
    advertisement
    পেশাজীবীদের নিয়ে রাজনীতি, পেশাজীবীদের রাজনীতি

    পেশাজীবীদের নিয়ে রাজনীতি, পেশাজীবীদের রাজনীতি

    ২৯ জুন ২০২৬, ০০:১০

    ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খেয়ে ফেরার পথে প্রাণ গেল শিশুর

    ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খেয়ে ফেরার পথে প্রাণ গেল শিশুর

    ২৯ জুন ২০২৬, ০০:১৭

    ‘উনি ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে যান নাই’

    ‘উনি ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে যান নাই’

    ২৯ জুন ২০২৬, ০০:০৯

    ‘থ্রি জিরো’র শূন্যে আমাদের শূন্য জীবন

    ‘থ্রি জিরো’র শূন্যে আমাদের শূন্য জীবন

    ২৯ জুন ২০২৬, ০০:০৯

    সরষের মধ্যে ভূত

    সরষের মধ্যে ভূত

    ২৯ জুন ২০২৬, ০০:০৯

    খেলাধুলাকে সমান গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

    খেলাধুলাকে সমান গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

    ২৯ জুন ২০২৬, ০০:১৮

    সরাইলে টর্চ জ্বেলে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, নিহত ১

    সরাইলে টর্চ জ্বেলে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, নিহত ১

    ২৯ জুন ২০২৬, ০০:৫২

    টঙ্গীতে ঝুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে উত্তেজনা

    টঙ্গীতে ঝুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে উত্তেজনা

    ২৯ জুন ২০২৬, ০০:৫৮

    ক্যালিফোর্নিয়া থেকে শুরু শেষ ৩২ এর লড়াই

    ক্যালিফোর্নিয়া থেকে শুরু শেষ ৩২ এর লড়াই

    ২৯ জুন ২০২৬, ০১:০৭

    advertiseadvertise