২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ
ফরম্যাট নিয়ে কী ভাবছেন লারা, পোলকরা

সংগৃহীত ছবি
২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকা, নামিবিয়া ও জিম্বাবুয়েতে। আগামী বিশ্বকাপের সূচি প্রকাশ করেছে আইসিসি। সূচি প্রকাশের সেই অনুষ্ঠানে বিশ্বকাপ নিয়ে নিজেদের ভাবনা তুলে ধরেছেন সাবেক কিংবদন্তি ক্রিকেটার ব্রায়ান লারা, শন পোলকরা।
এবারের টুর্নামেন্টে থাকছে নতুন ফরম্যাট। ৬ দলের দুই গ্রুপ থেকে সুপার সেভেন, সেমি ও ফাইনাল; বিশ্বকাপ চলবে লম্বা সময়জুড়ে। বিশ্বকাপের এই ফরম্যাট নিয়ে অনেক আলোচনা সমালোচনা চলছে। লারা অবশ্য একে সাধুবাদই জানিয়েছেন, ‘এটি একটি দারুণ ফরম্যাট। আমি মনে করি যত বেশি সম্ভব দলকে এতে অন্তর্ভুক্ত করা ভালো।‘
২০০৩ সালের পর প্রথমবারের মতো দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপ আয়োজন করতে যাচ্ছে। কখনোই বিশ্বকাপ না জেতা প্রোটিয়াদের এবার ফেভারিট মানছেন লারা, ‘২৪ বছর পর দক্ষিণ আফ্রিকা আয়োজন করছে, এবার আমি তাদের সম্ভাবনাই বেশি দেখছি। আমি মনে করি তারা আমার পছন্দের ১ নম্বর দল হতে যাচ্ছে।‘
তবে সাবেক ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক নিজের জন্মভূমিকে বাদ দিতে রাজি নন, ‘বাছাইপর্ব পার করে এসে ওয়েস্ট ইন্ডিজ মূল মঞ্চে চমক দেখাতে পারে, তাদের এমন সম্ভাবনাকে একেবারে উড়িয়ে দেবেন না।‘
টুর্নামেন্টের গ্রুপ পর্বের কিছু ম্যাচের দিকে তাকিয়ে আছেন পোলক, ‘শুরুতেই কিছু লড়াই আমার বেশ পছন্দ হয়েছে। প্রথম ম্যাচেই ভারতের বিরুদ্ধে অস্ট্রেলিয়া, তারপর দক্ষিণ আফ্রিকা খেলবে নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে।‘
২০২৭ বিশ্বকাপে শেষবারের মতো দেখা যেতে পারে রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি, মিচেল স্টার্কদের মতো তারকাদের। শেষবার তারা জ্বলে উঠবেন বলেই আশা পোলকের, ‘আমি মনে করি এটি কয়েকজন দুর্দান্ত ক্রিকেটারের শেষ বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে। আশা করি তারা জ্বলে উঠবেন। শেষবারের মতো নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করার একটি বড় মঞ্চ হবে এই বিশ্বকাপ।‘
এবারও গ্রুপ পর্বে মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান। টুর্নামেন্টের অন্যতম ‘হট-কেক’ এই ম্যাচ নিয়ে সাবেক অজি ব্যাটার অ্যারন ফিঞ্চ বলছেন, ‘মাঠে বসে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ উপভোগ করাটা দারুণ অভিজ্ঞতা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তান বনাম ভারত ম্যাচটি মাঠে বসে দেখার সৌভাগ্য আমার হয়েছিল। এটি একদম বাকেট-লিস্ট একটি অভিজ্ঞতা। উত্তেজনা, উন্মাদনা—গত কয়েক বছরে এটি হয়তো একপেশে লড়াই হয়েছে, তবে মাঠে বসে সরাসরি অভিজ্ঞতা করা সম্পূর্ণ আলাদা বিষয়।‘
টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচ আগামী বছরের ২ অক্টোবর এবং ফাইনাল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে ২১ নভেম্বর।



