বিপিএল ফিক্সিংয়ে বিসিবি পরিচালকের নাম

বিসিবি পরিচালক মোখলেসুর রহমান শামীম (বাঁমে) বগুড়া জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক কাউন্সিলার রাকিবুল ইসলাম সানি। ছবি: সংগৃহীত
বিপিএলের ফিক্সিং ও দুর্নীতি তদন্তে ফেঁসে গেলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাবেক পরিচালক ও অডিট কমিটির চেয়ারম্যান মুহাম্মদ মোখলেসুর রহমান শামীম। তার সঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদনে বগুড়া জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক কাউন্সিলার রাকিবুল ইসলাম সানি এবং বিসিবির সাবেক সিকিউরিটি লিয়াঁজো জাকির হোসেনের বিরুদ্ধেও ফিক্সিংয়ের অভিযোগ পেয়েছে বিসিবি।
বিপিএল ম্যাচ ও স্পট ফিক্সিং, জুয়া ও দুর্নীতি নিয়ে অ্যালেক্স মার্শালের করা তদন্ত প্রতিবেদন জমা পড়েছে বিসিবিতে। সেখানে মোখলেছুর রহমানের বিরুদ্ধে বিসিবি কোড অব কন্ডাক্টের চারটি ধারা, জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে তিনটি ধারা এবং রাকিবুল ইসলামের বিরুদ্ধে তিনটি ধারা ভঙ্গের প্রমাণ পেয়েছে বিসিবি। এই তিনজনকেই তৎক্ষণাৎ ক্রিকেট থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। ১৪ দিনের মধ্যে বিসিবির এই বহিষ্কারাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবে তারা। এরপরই তদন্তের ভিত্তিতে চূড়ান্ত শাস্তির সিদ্ধান্ত জানাবে বিসিবি।
অভিযোগ প্রমাণ সাপেক্ষে বিসিবি-র অ্যান্টি-করাপশন কোড অব কনডাক্ট অনুযায়ী, ম্যাচ ফিক্সিং বা স্পট ফিক্সিংয়ের অপরাধ প্রমাণিত হলে সর্বনিম্ন ১ বছর থেকে সর্বোচ্চ আজীবন ক্রিকেট থেকে নিষেধাজ্ঞা এবং এর পাশাপাশি মোটা আর্থিক জরিমানা করার নিয়ম রয়েছে। অপরাধের গুরুত্ব ও মাত্রা বিবেচনা করে ১ থেকে ৫ বছরের নিষেধাজ্ঞাও দেওয়ার বিধান আছে।
এর আগে দুর্নীতি তদন্তে ৯০০ পৃষ্ঠার একটি প্রতিবেদনের তথ্য প্রমাণ সাপেক্ষে বিপিএলের বিভিন্ন ম্যাচ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডে একাধিক সন্দেহজনক ঘটনা চিহ্নিত করা হয়। সেই সব ঘটনায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় শাস্তি পেয়েছেন ক্রিকেটার অমিত মজুমদারসহ বেশ কয়েকজন ফ্র্যাঞ্চাইজি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা।







