ক্রিকেটের সুনাম পুনরুদ্ধারই তামিমের প্রথম চ্যালেঞ্জ

বিসিবি সভাপতি হিসেবে প্রথমবার সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি তামিম ইকবাল। ছবি: আগামীর সময়
ক্রিকেটের ব্যাপক উন্নয়নের স্বপ্ন দেখাননি বিসিবির নতুন সভাপতি। তিনি প্রথমে চান, দেশের ক্রিকেটের হারানো গৌরব ফেরাতে। এই লক্ষ্য নিয়েই কাজ শুরু করেছেন তামিম ইকবালের কমিটি।
মঙ্গলবার নতুন অ্যাডহক কমিটি ঘোষণার পরই সন্ধ্যায় সভায় বসে ক্রিকেটের পরিচালনা পর্ষদ। সভাপতি ছাড়া বোর্ড সভায় উপস্থিত ছিলেন নতুন পাঁচ পরিচালক আর অনলাইনে যোগ দিয়েছেন বাকি পাঁচ পরিচালক। এটা একরকম দায়িত্ব বুঝে নেওয়ারই সভা।
বোর্ডের পক্ষ থেকে মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে তানজিল আহমেদকে। তিনিই শুধু সংবাদ মাধ্যমে কথা বলবেন। বুধবার সন্ধ্যা ৬টায় আরেকটি বোর্ড সভায় বসবে নতুন পরিচালনা পর্ষদ। এই সভায় দায়িত্ব বন্টন করে দেওয়া হবে পরিচালকদের।
প্রথম সভা শেষ করে সভাপতি তামিম ইকবালের উপলব্ধি হয়েছে, গত দেড় বছরে বাংলাদেশ ক্রিকেটের সম্মান তলানিতে নেমে গেছে। তিনি সেটা পুনরুদ্ধারের ব্রত নিয়েছেন, ‘আজকে আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সাধারণত এমন দায়িত্ব পেলে অনেকে ডেভেলপমেন্টসহ নানা বিষয় নিয়ে কথা বলেন। কিন্তু আমি এবং আমার টিম এক সাথে অনুভব করছি, আমাদের প্রথম ও প্রধান কাজ হবে বাংলাদেশের ক্রিকেটের সুনাম পুনরুদ্ধার করা। গত এক থেকে দেড় বছরে সুনামের ক্ষতি হয়েছে, সেটি ঠিক করাই আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।’
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বয়কট করা, ঘরোয়া লিগ আয়োজন না করা, গোঁজামিলের নির্বাচন করা - সব মিলিয়ে নেতিবাচকভাবেই এগিয়েছে দেশের ক্রিকেট। স্বাভাবিকভাবে ভালো প্রচারণাও হয়নি ক্রিকেটের। বিপথগামী ক্রিকেটকে পথে ফেরানোর ব্রত নিয়েছেন তামিম ইকবাল।
তার মনে হচ্ছে, বিসিবির কর্মচারী, ক্রিকেটার সবার সম্মান নষ্ট হয়েছে গত দেড় বছরে, “একসময় বিসিবিতে কাজ করা মানুষগুলো গর্ব করে বলতেন, ‘আমি বিসিবিতে কাজ করি।’ সেই গর্ব আমরা আবার ফিরিয়ে আনতে চাই। আমাদের খেলোয়াড়দের সম্মান করতে হবে, সব স্টেকহোল্ডারদের সম্মান করতে হবে।”
এই অ্যাডহক কমিটিকে ৯০ দিন সময় দেওয়া হয়েছে বিসিবি নির্বাচন করার জন্য। নতুন সভাপতিও এই বাধ্যবাধ্যকতা মেনে চলতে চান। তবে নির্বাচনে প্রার্থী কোনো বাধা রাখতে চান না, ‘অবশ্যই আমরা নির্বাচন আয়োজন করবো। তবে ব্যক্তিগতভাবে কেউ নির্বাচন করবেন কিনা, সেটি তার নিজস্ব সিদ্ধান্ত। আমি করতে পারি, অন্য কেউও করতে পারেন। আমরা এমন একটি পরিবেশ তৈরি করে দিতে চাই, যাতে সবাই নির্ভয়ে নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন।’














