Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় ফুটবল

এবার একটু বিশ্রাম চান বাটলার

ক্রীড়া প্রতিবেদক
agamir somoy
প্রকাশ: ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ০০:৫১
এবার একটু বিশ্রাম চান বাটলার

বিশ্রামের ফাঁকেই নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবতে চান বাটলার। ছবি: সংগৃহীত

এক আজব দেশে এসে পড়েছেন পিটার বাটলার। যেখানে তাকে একসঙ্গে কাজ করতে হয় তিন থেকে চারটি আলাদা আলাদা দল নিয়ে! একটা সময় ইংলিশ ফুটবলের শীর্ষ পর্যায়ে খেলতেন। খেলা ছেড়ে কোচিংকে পেশা হিসেবে নেওয়ার পর বহু দেশে কাজ করেছেন। তবে এই অভিজ্ঞতা হয়নি তার।

বাংলাদেশের সীমাবদ্ধতা মেনেই নিজের মতো করে চেষ্টা করেছেন এবং সফলও হয়েছেন। এবার একটু বিশ্রাম চান এই কোচ। বিশ্রামের ফাঁকেই নিজের ও বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবতে চান।

জাতীয় দল তো বটেই, বয়সভিত্তিক নারী দলগুলোর দেখভালের দায়িত্ব পালন করতে হয় এই ব্রিটিশ কোচকে। তার অধীনে বাংলাদেশের মেয়েরা সম্প্রতি এশিয়ার শীর্ষ পর্যায়ের দুটি টুর্নামেন্ট খেলেছে। মার্চে অস্ট্রেলিয়ায় মেয়েদের এশিয়ান কাপের পর চলতি মাসে থাইল্যান্ডে খেলেছে অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপ।

এই স্তরে আগে কখনও খেলার সুযোগ হয়নি বাংলাদেশের মেয়েদের। বাটলারের অধীনেই বাছাইয়ের কঠিন পথ পেরিয়ে তারা পৌঁছে যায় মূল পর্বে। যেখানে বাংলাদেশকে খেলতে হয়েছে এশিয়ার সেরা দলগুলোর সঙ্গে এবং অনুমিতভাবেই বরণ করতে হয়েছে একের পর এক হার। তবে বাটলারের কাছে এই মেয়েরা ভীষণ সাহসী। তাই হারের গ্লানি নেই, বরং তার আছে শীষ্যদের লড়াকু মানসিকতা নিয়ে গর্ব। ফলাফল এক পাশে রাখলে এই দুই টুর্নামেন্ট ছিল বাংলাদেশের জন্য অভিজ্ঞতার বড় মঞ্চ।

দিনের পর দিন দুই আসরের জন্য দুটি দলকে প্রস্তুত করার পাশাপাশি বয়সভিত্তিক অন্য দলগুলোর দিকেও সমান দৃষ্টি দিতে হয়েছে তাকে। অনেক প্রতিবন্ধকতা মেনেই তাকে কাজ করতে হয়েছে। মাঝেমাঝে এ নিয়ে বিরক্ত হয়েছেন, স্পষ্টভাষায় প্রকাশও করেছেন। তবে নিজ দায়িত্বে কখনই অবহেলা করেননি। দুটি বড় অ্যাসাইনমেন্ট শেষে এখন কিছুদিন বিলাতে ফিরে গিয়ে বিশ্রাম নিতে চাইছেন কোচ।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ভিয়েতনামের কাছে ১-০ ব্যবধানে হেরে যায় বাংলাদেশ। তাতে শেষ হয়ে যায় কোয়ার্টার ফাইনালে খেলার স্বপ্ন। সেই ম্যাচ শেষে এই প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা হয় বাটলারের। নিজের শীষ্যদের প্রশংসা করে বলেন, ‘ওরা (ফুটবলাররা) তাদের সর্বোচ্চটা দিয়েছে। এএফসি একেবারেই ভিন্ন মানের—একটা বড় ধাপ উপরে। না পারায় তাই কারও কোন দায় নেই। আমরা শুধু যথেষ্ট ভালো ছিলাম না। তবে আমরা নিজেদের লজ্জায় ফেলিনি। মেয়েদের নিষ্ঠা এবং স্টাফদের নিয়ে আমি গর্বিত। সবাই কঠোর পরিশ্রম করেছে এবং আন্তরিকভাবে কাজ করেছে। এই যাত্রাটা ছিল ভিন্ন মানের। দুটি ফাইনালে পৌঁছানো ছিল দারুণ অর্জন।‘

অল্প সময়ের ব্যবধানে দুটি এশিয়ান কাপের মূল পর্বে পৌঁছানোর পর বাটলারের বাংলাদেশকে নিয়ে উপলব্ধিটা হয়তো একটু মন খারাপ করিয়ে দিবে ফুটবলপ্রেমীদের, ‘আমি নিরলসভাবে কাজ করেছি, কিন্তু আমাদের সেই মানের খেলোয়াড় নেই। আবার যোগ্যতা অর্জন করতে হয়তো অনেক সময় লেগে যেতে পারে।’ এরপর অন্যদের সঙ্গে নিজেদের ব্যবধানটা তুলে ধরলেন এভাবে, ‘আমাদের মেয়েরা অবশ্যই ভালো। তবে আমরা খেলেছি ভিয়েতনাম (ফিফা র‍্যাংকিং ৩৩), থাইল্যান্ড (৫০) ও চীনের (১৭) মত শক্তিশালী দলের সঙ্গে। তারপরও কোনো অজুহাত দিতে চাই না, আমরা যথেষ্ট ভালো ছিলাম না।‘

অনেক কিছুই এখানে মনের মতো হয়নি তার। তাই খানিকটা বিরক্ত হয়েই যেন বললেন, ‘আমার একটু বিশ্রাম দরকার। আমি অনেক বেশি কাজ করেছি। আমার বিশ্বাস, আমি মেয়েদের ফুটবলের কিছুটা উন্নতি করতে পেরেছি। হয়তো এখন আমার যুক্তরাজ্যে ফিরে যাওয়ার সময় এসেছে। দেখুন, সাফল্য আর শেখা হাতে হাত ধরে চলতে হয়। আমি যে পথচলা ও কোচিং প্রোগ্রাম শুরু করেছি, সেটা চালিয়ে যেতে হবে। তবে সামনে কী হবে আমি নিশ্চিত নই। সমর্থন না পেলে আমাকে হয়তো চলে যেতে হবে।‘

দেশের নারী ফুটবলকে একটা পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার পর বাটলারের চাওয়া নিজ কর্মক্ষেত্রে পড়ুক সত্যিকারের পেশাদারিত্বের ছোঁয়া। অনেক নেইয়ের মধ্যে আর কাজ করতে চান না তিনি। তাই তো, পুরুষ দল কিংবা টেকনিক্যাল ডিরেক্টরের মতো বড় দায়িত্বের প্রস্তাব যদি আসে, তাতে এ মুহূর্তে নেতিবাচক থাকার কথাই বললেন বাটলার।

বাংলাদেশ ফুটবলপিটার বাটলারকোচ
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise