তামিমের কমিটিকে ‘অবৈধ’ বলে আইসিসির হস্তক্ষেপ চাইলেন বুলবুল

তামিমের কমিটিকে ‘অবৈধ’ বলেছেন বুলবুল। ছবি: সংগৃহীত
আমিনুল ইসলাম বুলবুলের বিসিবিকে শুরু থেকেই অবৈধ বলে আসছিলেন তামিম ইকবাল। সেই বোর্ড সোমবার ভেঙে দিয়েছে সরকার আর অ্যাডহক কমিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন তামিম ইকবাল। তবে তামিমের বোর্ডকে বৈধ মানছেন না বিসিবির বিদায়ি সভাপতি বুলবুল।
সোমবার রাতে দেওয়া এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে অ্যাডহক কমিটিকে ‘অসাংবিধানিক ও অবৈধ’ বলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন তিনি।
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের নির্দেশে হওয়া এই তদন্তকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা হিসেবে বর্ণনা করেন বুলবুল। তিনি উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সম্প্রদায়কে অবশ্যই স্বীকার করতে হবে যে, সরকার আমাদের ক্রিকেটীয় স্বায়ত্তশাসনের গলায় ছুরি ধরেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়েছে,‘নির্বাচিত পরিচালক পর্ষদের কথিত বিলুপ্তি এবং তামিম ইকবালের নেতৃত্বে অ্যাডহক কমিটি চাপিয়ে দেওয়া একটি সাংবিধানিক অভ্যুত্থান। এই পদক্ষেপটি অবৈধ, বিসিবি গঠনতন্ত্রে এখতিয়ার বহির্ভূত এবং সরকারি হস্তক্ষেপ সংক্রান্ত আইসিসির নিয়মের সরাসরি লঙ্ঘন। এনএসসি অধ্যাদেশে সংজ্ঞায়িত চরম পরিস্থিতি ব্যতীত কোনো নির্বাচিত সংস্থাকে বিলুপ্ত করার ক্ষমতা এনএসসির নেই, যার কোনোটিই এখানে বিদ্যমান নেই। অ্যাডহক কমিটি একটি অবৈধ সত্তা । এর কর্তৃত্বকে আমরা স্বীকৃতি দিই না এবং আইসিসিকে অবিলম্বে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে এবং এই অবৈধ সংস্থাকে কাজ করতে না দেওয়ার জন্য আহ্বান জানাই আমরা।’
২০২৫ সালের ৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে কোনো ধরনের ক্ষমতার অপব্যবহার হয়নি বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। বুলবুল জানান, সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন, সিআইডির প্রধান সিবগাত উল্লাহ এবং এনএসসির নির্বাহী পরিচালকের সমন্বয়ে গঠিত একটি শক্তিশালী ও নিরপেক্ষ কমিশনের অধীনেই নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছিল।
তামিম ইকবালের কাউন্সিলরশিপ ও ১৫টি ক্লাবের ভোটাধিকার নিয়ে ওঠা আপত্তিগুলোও তখন আইনি শুনানির মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি।
বিসিবির মতো একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ নির্বাচনী প্রক্রিয়া তদন্ত করার কোনো আইনি এখতিয়ার এনএসসির নেই বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।














