পাল্টা ব্যাখ্যা চাইবেন ‘অভিযুক্ত’ রাকিবুল

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ফিক্সিং-সংক্রান্ত তদন্তে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা দুটি অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রাকিবুল ইসলাম সানি। বিসিবির বগুড়া জেলার সাবেক কাউন্সিলর ও বিসিবি অডিট কমিটির সাবেক সদস্য সচিবের দাবি, তাকে ফাঁসানো হয়েছে।
নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে এবং অভিযোগের বিস্তারিত জানতে আগামী সপ্তাহে আইনজীবীর মাধ্যমে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) চিঠি দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি। বিপিএলের ফিক্সিং-সংক্রান্ত বিসিবির তদন্তে রাকিবুলের বিরুদ্ধে দুর্নীতিবিরোধী কোডের দুটি ধারা ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়েছে। এর মধ্যে ২.৪.৪ ধারায় ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পেয়ে গোপন রাখার, অন্যটি ২.৪.৬ ধারায় তদন্তে অসহযোগিতা করার।
আগামীর সময়কে রাকিবুল বলেছেন, ‘বিপিএল যখন হয়েছে তখন আমি বিসিবির অংশ ছিলাম না, কোনো দলের সঙ্গেও ছিলাম না। তাহলে আমার কাছে কীভাবে প্রস্তাব আসে বা কে প্রস্তাব দিল? সেটাই তো আমি জানি না!’
অসহযোগিতার অভিযোগের বিরুদ্ধে পাল্টা প্রশ্ন রেখেছেন রাকিবুল, ‘দ্বিতীয় অভিযোগের ব্যাপারে বলব, আমাকে তদন্তের জন্য তিনবার বিসিবিতে ডেকে পাঠানো হয়। আমি তিনবারই তাদের মুখোমুখি হয়েছি। যেসব বিষয় চেয়েছে আমি সব পেনড্রাইভে করে নিয়ে তদন্ত কর্মকর্তাকে দিয়েছি। তাহলে অসহযোগিতা করলাম কীভাবে?’
রাকিবুলের ভাষ্য, ফিক্সিংকাণ্ডে সাময়িক বহিষ্কার হওয়া তিনজনের মধ্যে তার নাম দেখে তদন্ত কর্মকর্তা মেজর (অব.) রাহাত সাত্তারও বিস্মিত হয়েছিলেন। নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের প্রমাণ গণমাধ্যমে আনার দাবি জানাবেন রাকিবুল, ‘অবশ্যই আমার সম্মানহানি হয়েছে। ১৪ দিনের মধ্যে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করার সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে, আইনজীবীর মাধ্যমে আগামী সপ্তাহের মধ্যেই আমি জবাব দেব। আর আমার যে সম্মানহানি হয়েছে, এর জন্য আইনানুগ ব্যবস্থা নেব। এটাও চাইব, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে, সেসবের সত্যতা বা প্রমাণ গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হোক।’





