Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় ক্রিকেট

নেতৃত্বের এক বছরে লিটনের চাওয়া আর পাওয়ার মধ্যে যে পার্থক্য

ক্রীড়া প্রতিবেদক
agamir somoy
প্রকাশ: ০২ মে ২০২৬, ২১:৩৮
নেতৃত্বের এক বছরে লিটনের চাওয়া আর পাওয়ার মধ্যে যে পার্থক্য

১-১ সমতায় শেষ হয়েছে বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড টি-টোয়েন্টি সিরিজ। ছবি: আগামীর সময়

২০২৫ সালের মে মাসের ৪ তারিখে টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছিলেন লিটন দাস। পৃথিবী সূর্যকে একপাক ঘুরে আসতে আসতে অনেক কিছুই তার দেখা হয়ে গেছে। গত এক বছরে একদিকে টি-টোয়েন্টির সফলতম অধিনায়ক হয়ে ওঠার কৃতিত্ব আছে, তেমনি আছে বিশ্বকাপে খেলতে না পারার আক্ষেপও।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ শেষ হয়েছে ১-১ সমতায়। লিটনের আক্ষেপ, বোলাররা যদি ব্যাট হাতে আরও কয়েকটা রান করতে পারতেন, তাহলে বাংলাদেশের অনেক ম্যাচেরই ফল বদলে যেতে পারত।

শেখ মেহেদি হাসান, রিশাদ হোসেন, নাসুম আহমেদ, সাইফ উদ্দিনদের ব্যাটিংয়ের হাতটা খারাপ নয়। তবুও দলের প্রয়োজনে তাদের ব্যাট থেকে অল্প কিছু রানও বেশিরভাগ সময় পাচ্ছে না দল, সেটা হোক ওয়ানডে বা টি-টোয়েন্টি।

শেষদিকে তাসের ঘরের মতোই ভেঙে পড়ছে ব্যাটিং অর্ডার। মোহাম্মদ রফিক, তাপস বৈশ্যদের যুগেও বাংলাদেশ লোয়ার অর্ডারে কিছু রান পেত, অথচ এই সময়ে বিশেষজ্ঞ কোচদের অধীনে প্রস্তুতি নিয়ে বিপিএল, এনসিএল খেলেও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে রানের জোগান আসছে না লোয়ার অর্ডার থেকে।

এই নিয়ে লিটনের আক্ষেপটা জোরালো, ‘(মেহেদি ও রিশাদের ব্যাটিং অনুশীলন) অনেক দিন ধরেই করছে। আমাদের যারা ব্যাটিং কোচ আছে তারাও তাদের পেছনে সময় দিচ্ছে। অবশ্যই একদিনে রাতারাতি সব পরিবর্তন হবে না এবং এটা সম্ভবও না। তবে ওরাও চেষ্টা করছে। আশা করছি বিশ্বকাপ আসতে আসতে কিছুটা হলেও ভালো হবে। সবাই চেষ্টা করছে। আপনারা দেখবেন, সবাই ব্যাটিং করে শেষ পর্যন্ত। এক হচ্ছে যে নেটে ব্যাটিং আর ম্যাচের ভেতর ব্যাটিং অনেক পার্থক্য আছে। আমি আশা করি, ওরা যদি ম্যাচগুলোয় পারফর্ম করে তাহলে আত্মবিশ্বাসটা আরও বাড়বে।’

একাদশে মেহেদি, নাসুম কিংবা রিশাদ কি তাহলে অলরাউন্ডার হিসেবে আছেন নাকি বিশেষজ্ঞ স্পিনার— এমন প্রশ্নে টি-টোয়েন্টি অধিনায়কের উত্তর, ‘রিশাদ, শেখ মেহেদি, নাসুম এরা স্পিনার হিসেবে খেলে। বিশ্ব জুড়ে যারা স্পিনার হিসেবে খেলে, সঙ্গে ব্যাটিংও করে। তা না হলে আপনাকে চায়নাম্যান হতে হবে, যেটায় ব্যতিক্রমী কিছু থাকে, অনেক দলের ক্রিকেটার থাকে শুধু বোলার হিসেবেই খেলে। তবে শেখ মেহেদি তো ব্যাটিং পারে, ওই পারফরম্যান্সটা আমাদের দরকার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে। একই কথা নাসুম ও রিশাদের বেলায় প্রযোজ্য। অলরাউন্ডারের ক্ষেত্রে সাইফউদ্দিন, সাকলাইন আছে। দুর্ভাগ্যবশত ওরা খেলার সুযোগ পায়নি। (তানজিম হাসান) সাকিবও আছে। তাদের কাছ থেকে আমরা একটা ব্যাটিং আশা করি, যে ব্যাটিংটা মাঝে মাঝে লোয়ার অর্ডারের দরকার। তো এই জিনিসটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আশা করব, ওরা ভবিষ্যতে আমাদের এই সহায়তাটুকু করবে।’

ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে সাদা বলে ছয়টি ম্যাচ। একটি ম্যাচ ভেস্তে গেছে বৃষ্টিতে, বাকি পাঁচটিতেই ফল এসেছে। দুই সংস্করণ মিলিয়ে ফলটা ৩-২। তবে নিউজিল্যান্ডের দলটায় ছিলেন না তাদের শীর্ষ ক্রিকেটাররা, আনকোরা একটা দল নিয়ে এসেও বাংলাদেশকে তাদেরই মাটিতে বেশ চাপেই ফেলেছে ব্ল্যাকক্যাপরা।

এই সফর থেকে প্রাপ্তির হিসাব চাইলে লিটন জানালেন, ‘ভালোর তো কোনো শেষ নেই। যতদিন খেলব শেখার প্রক্রিয়াটা চলমান থাকবে। হ্যাঁ আমি যদি ওডিআই ক্রিকেট দেখি আমরা কিছু ম্যাচে খুব ভালো ফিল্ডিং করেছি, আবার কিছু ম্যাচে ক্যাচ ড্রপ করেছি। একই কথা বলা যায় টি-টোয়েন্টিতেও, আমরা কিছু ক্যাচ ড্রপ করেছি, আবার কিছু ব্রিলিয়ান্ট ক্যাচও নিয়েছি। এটা খেলারই অংশ, এটা থাকবেই। তবে যতটা কমিয়ে আনা যায়। আর দ্বিতীয় যে কথাটা, টি-টোয়েন্টি সংস্করণটাই এমন, আপনাকে আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলতেই হবে। তবে একই সঙ্গে আমি যেটা আগেও বললাম, আমাদের নিচের সারির ব্যাটসম্যানরা যদি রান দিতে পারে সেই জিনিসটা আমাদের জন্য অনেক বড় সাহায্য হবে। দুটি সিরিজেই আপনারা দেখবেন, আমাদের পাঁচ-ছয়টি উইকেট চলে যাওয়ার পর আমরা শেষের দিকে ব্যাটিংয়ে রান পাইনি। এটা ওডিআই ফরম্যাট এবং টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটেও। আমার মনে হয়, আমাদের হোয়াইট বল ক্রিকেটে উন্নতি করতে হবে, তবে আমাদের এই জায়গাটা নিয়ে কাজ করতে হবে।'

লিটনের চাওয়াটা যৌক্তিক। ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে শেষের দিকের ওভারগুলোয় রান তোলার বেলায় বাংলাদেশ পিছিয়ে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সবশেষ টি-টোয়েন্টিতেও ১৬ রানে গেছে শেষ ৬ উইকেট, ৮৪/৪ থেকে ১০২ রানে অলআউট হয়ে গেছে বাংলাদেশ। অথচ এই রকম পরিস্থিতিগুলোয় শেরফানে রাদারফোর্ড, দাসুন শানাকা এমনকি রশিদ খানও ব্যাট হাতে ম্যাচের ভাগ্য বদলে দেন হরহামেশাই। অসুখটা ধরতে এক বছরের মতো লেগেছে লিটনের, এখন সেটা সারাতে আরও দুই বছরের মতো সময় আছে তার হাতে। এই বছর আরও ছয়টি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলবে বাংলাদেশ, পরের সিরিজটা জুনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। দাওয়াই কতটা পড়ল আর রোগ কতটা সারল, সেটা বোঝা যাবে তখনই।

বাংলাদেশনিউজিল্যান্ডক্রিকেট
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise